নতুন ক’রে রেজওয়ান জিন্নত সাজায়

বাণী

নতুন ক’রে রেজওয়ান জিন্নত সাজায়
আজ রোজায় আজ রোজায় আজ রোজায়।
লাগল চাবি দোজখেরি দরওয়াজায়।।
	মসজিদেরি মিনার-চুড়ে
	আজ বেহেশতী নিশান উড়ে
গাফলতি নাই আর কারো নামাজ কাজায়।।
	রোজার শবেকদর রাতে
	কোরান এলো দুনিয়াতে
ফেরেশতা সব সালাম জানায় মোর্তজায়।।

মম আগমনে বাজে আগমনীর সানাই

বাণী

মম আগমনে বাজে আগমনীর সানাই।
সহসা প্রাতে আমি এসেছি, জানাই।।
আমি আনি দেশে দশভূজার পূজা
কোজাগরী নিশি জাগি আমি অনুজা।
	বুকে শাপ্‌লা-কমল
	মালা দোলে টলমল,
আমি পরদেশি বন্ধুরে স্বদেশে আনাই।।

ভালোবাসায় বাঁধব বাসা

বাণী

উভয়ে	: 	ভালোবাসায় বাঁধব বাসা
			আমরা দু'টি মাণিক-জোড়।
			থাকব বাঁধা পাখায় পাখায়
			মাখামাখি প্রেম-বিভোর।। 
পুরুষ		:	আমার বুকে যত মধু
স্ত্রী		:	আমার বুকে ঢালবে বঁধু
পুরুষ		:	আমি 	কাঁদব যখন দুখে
স্ত্রী		:	আমি 	মুছাব সে নয়ন-লোর।।
পুরুষ		:	আমি	যদি কভু মনের ভুলে
				তোমায় প্রিয় থাকি ভুলে,
স্ত্রী		:	আমি	রইব তাতেই ফুলের মালায়
			লুকিয়ে যেমন থাকে ডোর।
উভয়ে	:	মোরা	নীল গগনের নীল স্বপনে
			চির-কালের চাঁদ-চকোর।। 

মুরলীধ্বনি শুনি ব্রজনারী

বাণী

	মুরলীধ্বনি শুনি ব্রজনারী
	যমুনা-তটে আসিল ছুটে
কুল মান যৌবন দিল চরণে ডারি।।
	পবন গতিহীন রয়ে
	যমুনা উজান বহে
বাঁশরি শুনি’ বিসরে গীত ময়ূর ময়ূরী শুক সারি।।
চকিত হয়ে ধেনুগণ তৃণ নাহি পরশে
গলিয়া পড়ে মেঘ সুর শুনি হরষে।
	বেভুল আহিরিণী
	চেয়ে থাকে উদাসিনী
বাঁশরি শুনি পাশরি গেল নিতে গাগরিতে বারি।।

নিদাঘের খর তাপে ক্লান্ত এ ধরণী

বাণী

নিদাঘের খর তাপে ক্লান্ত এ ধরণী।
মাধুরী হারায়ে হল পাণ্ডুর বরণী।।
পিঙ্গল জটাজাল, তেজ তার অশনি।
বৈশাখী ভোরে স্মরি’ রুদ্রাণী জননী।।
ধূলি-ধূসরিত প্রসারিত অম্বর
বুক-ভরা তৃষা তার, চাহে সে নটবর,
শ্যামলী মেঘ-মালা, সেই তার জলধর —
দাহনের অবসানে জুড়াইবে আপনি।।

এলে কি বঁধু ফুল-ভবনে

বাণী

এলে কি বঁধু ফুল-ভবনে।
মেলিয়া পাখা নীল গগনে।।
একা কিশোরী লাজ বিসরি’
তোমারে স্মরি সঙ্গোপনে,
এসো গোধূলির রাঙা লগনে।।
পাতার আসন শাখায় পাত,
বালিকা কলির মালিকা গাঁথ,
দিনু গন্ধ-লিপি ভোর-পবনে।।