বাণী
সুনয়না চোখে কথা ক’য়ে যায় বনের রানী, দুটি ফুলে শুনি নয়ন ফাঁকে প্রাণ লুকিয়ে চায়॥ দেহ দেউলে, দুটি দীপ দুলে হেরি সারা অন্তর তায়॥
রাগ ও তাল
রাগঃ খাম্বাজ মিশ্র
তালঃ আদ্ধা
সুনয়না চোখে কথা ক’য়ে যায় বনের রানী, দুটি ফুলে শুনি নয়ন ফাঁকে প্রাণ লুকিয়ে চায়॥ দেহ দেউলে, দুটি দীপ দুলে হেরি সারা অন্তর তায়॥
রাগঃ খাম্বাজ মিশ্র
তালঃ আদ্ধা
সখি কই গোপীবল্লভ শ্যামল পল্লব কান্তি সখি আমার হরি বিনে হরি চন্দনে নাহি শান্তি। ঐ দেখ্ দেখ্ শ্যাম দাঁড়িয়ে ও নহে কদম তমাল পিয়াল পিয়া মোর ঐ দাঁড়িয়ে। ও নহে তরুণ শাখা ও যে মোর বঁধু আসে বাহু বাড়িয়ে। পুষ্প পাগল তরু কি কখনো দুলে গো অমন করিয়া (ও যে) বনমালা গলে বনমালী মোর নাচিছে হেলিয়া দুলিয়া। তোরা দেখে আয় তোরা দেখে আয় অভিমানে শ্যাম আসিছে না কাছে ডেকে আয় তারে ডেকে আয় তারি বিগলিত নীল লাবনি কি ঐ যমুনার কালো জলে বিজলির আঁখি ইঙ্গিতে সে কি ডাকে মোরে মেঘ দলে। সখি গো! তোরা যেতে দে মোরে যেতে দে আর দিস্নে বাধা (ঐ) গহন কালোতে গাহন করিয়া জুড়াক আলোক রাধা।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

ধর্মের পথে শহীদ যাহারা আমরা সেই সে জাতি সাম্য-মৈত্রী এনেছি আমরা বিশ্বে করেছি জ্ঞাতি।। পাপ-বিদগ্ধ তৃষিত ধরার লাগিয়া আনিল যাঁরা মরুর তপ্ত বক্ষ নিঙাড়ি শীতল শান্তি-ধারা উচ্চ-নীচের ভেদ ভাঙি দিল সবারো বক্ষ পাতি’।। কেবল মুসলমানের লাগিয়া আসেনি’ক ইসলাম সত্যে যে চায় আল্লায় মানে মুসলিম তারি নাম আমির ফকিরে ভেদ নাই — সবে ভাই, সব এক সাথি।। নারীরে প্রথম দিয়াছি মুক্তি, নর্ সম অধিকার মানুষের গড়া প্রাচীর ভাঙিয়া করিয়াছি একাকার। আধার রাতির বোরখা উতারি এনেছি আশার-ভাতি।।
হামদ্ নাত
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা
শিল্পীঃ

গরজে গম্ভীর গগনে কম্বু। নাচিছে সুন্দর নাচে স্বয়ম্ভূ।। সে-নাচে-হিল্লোলে জটা-আবর্তনে সাগর ছুটে আসে গগন-প্রাঙ্গণে। আকাশে শূল হানি’ শোনাও নব বাণী, তরাসে কাঁপে প্রাণী প্রসীদ-শম্ভু। ললাট-শশী টলি’ জটায় পড়ে ঢলি’, সে-শশী-চমকে গো বিজুলি ওঠে ঝলি’। ঝাঁপে নীলাঞ্চলে মুখ দিগঙ্গনা, মূরছে ভয়-ভীতা নিশি নিরঞ্জনা। আঁধারে পথহারা চাতকী কেঁদে সারা, যাচিছে বারিধারা ধরা নিরম্বু।।
রাগঃ মালকোষ
তালঃ তেওড়া
স্বরলিপিকার: কাজী নজরুল ইসলাম

জনম জনম গেল আশা–পথ চাহি’। মরু–মুসাফির চলি, পার নাহি নাহি।। বরষ পরে বরষ আসে যায় ফিরে, পিপাসা মিটায়ে চলি নয়নের নীরে। জ্বালিয়া আলেয়া–শিখা, নিরাশার মরীচিকা ডাকে মরু–কাননিকা শত গীত গাহি’।। এ মরু ছিল গো কবে সাগরের বারি স্বপন হেরি গো তারি আজো মরুচারী। সেই সে সাগর–তলে, যে তরী ডুবিল জলে সে তরী–সাথীরে খুঁজি মরু–পথ বাহি’।।
রাগঃ বাগেশ্রী
তালঃ কাহার্বা
ফিরি পথে পথে মজনুঁ দীওয়ানা হয়ে। বুকে মোর এয়্ খোদা তোমারি এশ্ক ল’য়ে।। তোমার নামের তস্বিহ্ ল’য়ে ফিরি গলে দুনিয়াদার বোঝে না মোরে পাগল বলে, ওরা চাহে ধনজন, আমি চাহি প্রেমময়ে।। আছ সকল ঠাঁয়ে শু’নে বলে সবে এমনি চোখে তোমার দিদার কবে হবে আমি মনসুর নহি যে পাগল হব ‘আনাল্ হক’ ক’য়ে।। তোমার হবিবের আমি উম্মত্ এয়্ খোদা তাই ত দেখিতে তোমায় সাধ জাগে সদা, আমি মুসা নহি যে বেহোঁশ্ হয়ে পড়ব ভয়ে।। তোমারি করুণায় যাবই তোমায় জেনে বসাব মোর হৃদে তোমার আর্শ এনে, আমি চাই না বেহেশ্ত, র’ব বেহেশ্তের মালিক ল’য়ে।।
রাগঃ পিলু মিশ্র
তালঃ কাহার্বা