বাণী
প্রভাত বীণা তব বাজে হে উদার অম্বর মাঝে হে।। তুষার কান্তি তব প্রশান্তি শুভ্র আলোকে রাজে হে।। তব আনন্দিত গভীর বাণী শোনে ত্রিভুবন যুক্ত পাণি মন্ত্রমুগ্ধ ভাব গঙ্গা নিস্তরঙ্গা লাজে হে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ তোওড়া
ভিডিও
স্বরলিপি

প্রভাত বীণা তব বাজে হে উদার অম্বর মাঝে হে।। তুষার কান্তি তব প্রশান্তি শুভ্র আলোকে রাজে হে।। তব আনন্দিত গভীর বাণী শোনে ত্রিভুবন যুক্ত পাণি মন্ত্রমুগ্ধ ভাব গঙ্গা নিস্তরঙ্গা লাজে হে।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ তোওড়া

কে তুমি দূরের সাথি এলে ফুল ঝরার বেলায়। বিদায়ের বংশী বাজে ভাঙা মোর প্রাণের মেলায়॥ গোধূলির মায়ায় ভুলে এলে হায় সন্ধ্যা-কূলে, দীপহীন মোর দেউলে এলে কোন্ আলোর খেলায়॥ সেদিনো প্রভাতে মোর বেজেছে আশাবরি, পূরবীর কান্না শুনি আজি মোর শূন্য ভরি। অবেলায় কুঞ্জবীথি এলে মোর শেষ অতিথি, ঝরা ফুল শেষের গীতি দিনু দান তোমার গলায়॥
রাগঃ পূরবী
তালঃ একতাল
প্রিয়ে ... বলি ও-প্রিয়ে ... তুমি দেখ ...। [কাঁপা-কন্ঠে আবৃত্তির ঢঙে বলা হয়েছে] পুরুষ : প্রিয়ে! বলি, ও প্রিয়ে! তুমি দেখ! দেখ বিরহের দাবানল জ্বলে গোঁফ-দাড়িতে। স্ত্রী : ও-স’রে যা, সে আগুন লেগে যাবে শাড়িতে॥ পুরুষ : একে ভীষণ ফাগুন মাস স্ত্রী : ওগো তাই বুছি হাঁসফাঁস ? পুরুষ : কাপাস ফলের মত ফেটে পড়ে হিয়া গো, স্ত্রী : প্রেম-তুলো বের হয়ে পড়ে ছড়াইয়া গো, উভয়ে: রব্ ওঠে ভোঁস্-ভাঁস্ হৃদি-রেলগাড়িতে॥ পুরুষ : আজি এ বিরহের কাঠ-ঠোক্রা, ঠোক্রায় প্রেমের টাকে, স্ত্রী : ওগো এ হেন বেয়াধি হলে টাকে, মধ্যম-নারায়ণ তেল মাখে। পুরুষ : হায়-হায়-হায়-হায়-হায় আমাদের মাঝে কে রচিবে মিলনের সাঁকো। স্ত্রী : থাক্ থাক্, পুরুতঠাকুর ইঞ্জিনিয়ার তারে তাড়াতাড়ি ডাকো, ডাকো, একবার ডাকো না ? উভয়ে: আগুন লাগিল ওরে দাড়ি আর শাড়িতে যুগল মিলন হ’ল ধেড়ে আর ধাড়িতে॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

এ কুঞ্জে পথ ভুলি কোন বুলবুলি আজ গাইতে এলে গান। বসন্ত গত মোর আজ পুষ্প-বিহীন লতিকা-বিতান।। এলে কি দলিতে আজ ধুলি ঢাকা ফুল-সমাধি মোর, নাহি আর চৈতি হাওয়া, বহে আজি বৈশাখী তুফান।। সাজায়ে ফুলের বাসর ছিনু তব পথটি১ চেয়ে। সে বাসর বাসি হল কেঁদে নিশি হল অবসান।। বাজে মোর তোরণ দ্বারে খেলা শেষের বিদায়-বাঁশরি। ফিরে যাও শেষ-অতিথি দাও যেতে দাও লয়ে অভিমান।।
১. পথ
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ লাউনি

নন্দলোক হতে (আনন্দলোক হতে) আমি এনেছি রে মহামায়ায়। এনেছি মা মহামায়ায়। বন্ধ যথায় বন্দী যত কংসরাজার অন্ধকারায়।। বন্দী জাগো! ভাঙো আগল, ফেল রে ছিঁড়ে পায়ের শিকল; বুকের পাষাণ ছুঁড়ে ফেলে মুক্তলোকে বেরিয়ে আয়।। আমার বুকের গোপালকে রে রেখে এলাম ‘নন্দালয়ে’ সেইখানে সে বংশী বাজায় আনন্দ-গোপ-দুলাল হয়ে। মা’র আদেশে বাজাবে সে অভয় শঙ্খ দেশে দেশে, (তোরা) নারায়ণী সেনা হবি, এবার নারায়ণীর কৃপায়।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

এই শিকল পরা ছল মোদের এ শিকল-পরা ছল। এই শিকল পরেই শিকল তোদের করব রে বিকল।। তোদের বন্ধ কারায় আসা মোদের বন্দী হতে নয়, ওরে ক্ষয় করতে আসা মোদের সবার বাঁধন–ভয়। এই বাঁধন প’রেই বাঁধন–ভয়কে কর্ব মোরা জয়, এই শিকল– বাঁধা পা নয় এ শিকল ভাঙা কল।। তোমার বন্ধ ঘরের বন্ধনীতে কর্ছ বিশ্ব গ্রাস, আর ভয় দেখিয়েই ক’র্বে ভাবছ বিধির শক্তি হ্রাস সেই ভয় দেখানো ভূতের মোরা ক’র্বো সর্বনাশ, এবার আন্বো মাভৈঃ বিজয়–মন্ত্র বল–হীনের বল।। তোমরা ভয় দেখিয়ে কর্ছ শাসন জয় দেখিয়ে নয়; সেই ভয়ের টুঁটি ধর্ব টিপে কর্ব তারে লয়। মোরা আপনি ম’রে মরার দেশে আন্ব বরাভয়, প’রে ফাঁসি আন্ব হাসি মৃত্যু–জয়ের ফল।। ওরে ক্রন্দন নয় বন্ধন এই শিকল–ঝঞ্ঝনা, এ যে মুক্তি–পথের অগ্রদূতের চরণ–বন্দনা! এই লাঞ্ছিতেরাই অত্যাচারকে হান্ছে লাঞ্ছনা, মোদের অশ্রু দিয়েই জ্ব’লবে দেশে আবার বজ্রানল।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা
