
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

উদার অম্বর দরবারে তোরই প্রশান্ত প্রভাত বাজায় বীণা। শতদল-শ্রভ্রা পদতল-লীনা, প্রশান্ত প্রভাত বাজায় বীণা।। সহস্র কিরণ-তারে হানি’ ঝঙ্কার ধ্বনি তোলে অনাহত গভীর ওঙ্কার, সেই সুরে উদাসীন, পরমা প্রকৃতি ধ্যান-নিমগ্না মহাযোগাসীনা।। আনন্দ-হংস বিমুগ্ধ গতিহীন স্থির হ’য়ে ব্যোমে শোনে সে জ্যোতির্বীণ, ঝরা ফুল-অঞ্জলি তা’রি চরণে প্রণতা ধরণী বাণী-বিহীনা।।
রাগঃ দরবারি-টোড়ি
তালঃ তিল্ওয়ারা

সজল কাজল মেঘ ব’য়ে এলো কার বাণী পড়িল মনে মিনতি তারি — ‘খুলো না যেন এই রাখিখানি’। সেদিন সেই নবমেঘে, তব অনুরাগে অশান্ত মন মোর হেরেছিল তব অনুপম ছবিখানি।। বারে বারে ধরণীতে আসে বরষা শুষ্ক যূথীরেণু হয় সরসা, গৈরিক প্রান্তর শ্যাম-পরশা স্মরণে আসে গত সব সহসা। অতীত হয়েছে কত মধু-তিথি স্মৃতির মুকুরে তারা-সকরুণ গীতি, জানি তোমারি ছায়া-আঁচল ঘিরিবে এই আকুল পরান-খানি।।
রাগঃ দুর্গা
তালঃ
এত জল ও কাজল চোখে, পাষানী আনলে বল কে। টলমল জল-মোতির মালা দুলিছে ঝালর-পলকে ।। দিল কি পূব হাওয়াতে দোল, বুকে কি বিঁধিল কেয়া? কাঁদিয়া কুটিলে গগন এলায়ে ঝামর-অলকে।। চলিতে পৈঁচি কি হাতের বাঁধিল বৈচি-কাঁটাতে? ছাড়াতে কাঁচুলির কাঁটা বিঁধিল হিয়ার ফলকে।। [যে দিনে মোর দেওয়া-মালা ছিঁড়িলে আনমনে সখি, জড়াল জুই-কুসুমি-হার বেণীতে সেদিন ওলো কে।। যে-পথে নীর ভরণে যাও বসে রই সে পথ-পাশে দেখি, নিত কার পানে চাহি কলসীর সলিল ছলকে।।] মুকুলী-মন সেধে সেধে কেবলি ফিরিনু কেঁদে, সরসীর ঢেউ পালায় ছুটি' না ছুঁতেই নলিন-নোলকে ।। বুকে তোর সাত সাগরের জল, পিপাসা মিটল না কবি ফটিক জল ! জল খুঁজিস যেথায় কেবলি তড়িৎ ঝলকে।।
রাগঃ মান্দ
তালঃ কাহার্বা

নন্দকুমার বিনে সই আজি বৃন্দাবন অন্ধকার নাহি ব্রজে আনন্দ আর। যমুনার জল দ্বিগুণ বেড়েছে ঝরি’ গোকূলে অশ্রুধার।। শীতল জানিয়া মেঘ-বরণ শ্যামের শরণ লইয়া সই তৃষিতা চাতকী জ্বলে মরি হায় বিরহ-দাহনে ভস্ম হই। শীতল মেঘে অশনি থাকে কে জানিত সখি সজল কাজল শীতল মেঘে অশনি থাকে। ব্রজে বাজে না বেণু আর চরে না ধেনু (আর) পড়ে না গোকুলে শ্যাম চরণ রেণু তার ফেলে যাওয়া বাঁশি নিয়ে শ্রীদাম সুদাম ধায় মথুরার পথে আর কাঁদে অবিরাম। কৃষ্ণে না হেরি দূর বন পার উড়ে গেছে শুক সারি কৃষ্ণ যেথায় সেই মথুরায় চলো যাই ব্রজনারী।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা, তেওড়া, কাহার্বা ও ঝাঁপতাল)

আমি দেখন-হাসি আমায়দেখ্লে পরে হাসতে হাসতে পেয়ে যাবে কাশী।। আমিহাসির হাঁসলী ফিরি করি এলে আমার হাসির দেশে বুড়োরা সব ছোঁড়া হয়, আর ছোঁড়ারা যায় টেসে। আমারহাস-খালিতে বাড়ি, আমি হাস্নু হানার মাসি।। এলেআমার হাসির হেঁসেলে তার হাঁসফাঁসানি লেগে অন্তে শুধু দন্ত থাকে শরীরটা যায় ভেগে। (আমি)পাতি হাঁসির আন্ডা বেচি আর হাসির ময়দা খাঁসি।। সেদিন পথে যাচ্ছিল সব রাজার হাতি ঘোড়া উট তারা না আমায় দেখি হাসতে হাসতে ‘চোঁ চোঁ চোঁ’ এই না বলি’ অমনি দিলে ছুট হেসে পালিয়ে গেল দড়ি ছিঁড়ে মটরু মিঞার খাসি।।
রাগঃ বেহাগ মিশ্র
তালঃ দাদ্রা
জাগো বিরাট ভৈরব যোগ সমাধি মগ্ন। ভুবনে আনো নব দিনের শুভ প্রভাত লগ্ন।। অনন্ত শয্যা ছাড়ি’ অলখ লোকে এসো জ্যোতির পথে, দেব-লোকের তিমির-কারা-প্রাচীর কর ভগ্ন।। ভয়হীন, দ্বিধাহীন উদার আনন্দে, তোমার আবির্ভাব হোক প্রবল ছন্দে। হোক মানব স্বপ্রাকশ আপন স্বরূপে বিরাট রূপে, সফল কর আমার সোহং স্বপ্ন।।
সঙ্গীতালেখ্য : ‘ষট ভৈরব’
রাগঃ বিরাট-ভৈরব
তালঃ ত্রিতাল

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan