বাণী
(সে) ধীরে ধীরে আসি' আধো ঘুমে বাজাল বাঁশি। ফুল-রাখি দিল বাঁধি হাসি।। জাগিয়া নিশি-ভোরে না হেরি বাঁশির কিশোরে, চাঁদ-তরী বেয়ে গেল ভাসি।।
রাগ ও তাল
রাগঃ দেশী টোড়ি
তালঃ ত্রিতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

(সে) ধীরে ধীরে আসি' আধো ঘুমে বাজাল বাঁশি। ফুল-রাখি দিল বাঁধি হাসি।। জাগিয়া নিশি-ভোরে না হেরি বাঁশির কিশোরে, চাঁদ-তরী বেয়ে গেল ভাসি।।
রাগঃ দেশী টোড়ি
তালঃ ত্রিতাল

কে তোরে কি বলেছে মা ঘুরে বেড়াস কালি মেখে ওমা বরাভয়া ভয়ঙ্করী সাজ পেলি তুই কোথা থেকে।। তোর এলাকেশে প্রলয় দোলে আমি চিনতে নারি গৌরী বলে। ওমা চাঁদ লুকাল মেঘের কোলে তোর মুখে না হাসি দেখে।। ওমা শঙ্কর কি গঙ্গা নিয়ে,কাঁদায় তোরে দুঃখ দিয়ে ওমা শিবানী তোর চরণ তলে এনেছি তাই শিবকে ডেকে।।
রাগঃ শিবরঞ্জনী মিশ্র
তালঃ দাদ্রা
১.

২.

পান্সে জোছ্নাতে কে চল গো পানসি বেয়ে’। ঢেউ-এর তালে তালে বাঁশিতে গজল গেয়ে’।। মেঘের ফাঁকে ফোটে বাঁকা শশীর চিকন হাসি, উজান বেয়ে চল তুমি কি তার চোখে চেয়ে।। ও-পারে লুকায়ে আঁধার গভীর ঘন বন-ছায়, আকাশে হেলান দিয়ে আলসে পাহাড় ঘুমায়। ঘুমায়ে দূরে সে কোন গ্রাম বাসরে পল্লী-বধূর প্রায় এ-পারে ধূ-ধূ বালুচর যেন নদীর আঁচল লুটায়। ছাড়ি’ এ সুখ-বাস চলেছ কোথায় গো নেয়ে।। নদীর দু’তীরে টানে বেতস-লতা উত্তরীয়, চমকি’ উঠি’ চখি ডাকে মুহু মুহু ‘কিও!’ চকোরী চাঁদে ভুলি’ চাহে তব মুখপানে, কেঁদে পাপিয়া শুধায়, ‘পিউ কাঁহা, কাঁহা পিও।’ তুমি যাও আপন-বিভোল স্বপনে নয়ন ছেয়ে’।।
রাগঃ পিলু-খাম্বাজ মিশ্র
তালঃ দাদ্রা

ও তুই উলটা বুঝলি রাম আমি আম চাহিতে জাম দিলে, আর জাম চাহিতে কি-না আম।। আমি চড়বার ঘোড়া চাইতে শেষে, ওগো ঘোড়াই ঘাড়ে চড়লো এসে, ও বাব্বা — আমি প্রিয়ার চিঠি চাইতে এলো কিনা ইনকামট্যাক্স-এর খাম।। আমি চেয়েছিলাম কোঠা বাড়ি, তাই পড়লো পিঠে লাঠির বাড়ি ভুলে আমি বলেছিলাম তোমার পায়ে শরণ নিলাম। তুমি ভুল বুঝিলে, ভিটেবাড়ি সব হ'লো নিলাম।। আমি চেয়েছিলম সুবোধ ভাইটি তা না হয়ে, বাবা গোঁয়ার সে ভাই উচায় লাঠি আমি শ্রী ব্রজধাম চাইতে ঠেলে দিলে শ্রীঘর হাজত ধাম।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

তোমার আমার এই বিরহ সইব কত আর রইবে কত আড়াল টেনে গ্রহ-তারকার।। তৃষিত মোর হৃদয় যাচে এসো আমার বুকের কাছে যেমন দূরের চাঁদকে ডাকে ব্যাকুল পারাবার।। হাত চাহে মোর ব'সো কাছে করবো সেবা তব, নয়ন বলে নয়ন পাতায় রাখবো হে বল্লভ। হে নাথ তোমার তীর্থ পথে এ প্রাণ চাহে ধূলি হ'তে ঘুচবে কবে মোদের মাঝে অসীম অন্ধকার।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
আমার হাতে কালি মুখে কালি, মা আমার কালিমাখা মুখ দেখে মা পাড়ার লোকে হাসে খালি।। মোর লেখাপড়া হ’ল না মা, আমি ‘ম’ দেখিতেই দেখি শ্যামা, আমি ‘ক’ দেখতেই কালী ব’লে নাচি দিয়ে করতালি।। কালো আঁক দেখে মা ধারাপাতের ধারা নামে আঁখি পাতে, আমার বর্ণ পরিচয় হ’লো না মা তোর বর্ণ বিনা কালী। যা লিখিস মা বনের পাতায় সাগর জলে আকাশ খাতায়, আমি সে লেখা তো পড়তে পারি মূর্খ বলে দিক্ না গালি মা, লোকে মূর্খ ব’লে দিক্ না গালি।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
