বাণী
শোনো লো বাঁশিতে ডাকে আমারে শ্যাম। গুমরিয়া কাঁদে বাঁশি ল’য়ে ‘রাধা রাধা’ নাম।। পিঞ্জরে পাখি যেন লুটাইয়া কাঁদে মন, আশে পাশে গুরুজন বাম।।
রাগ ও তাল
রাগঃ মালকৌষ
তালঃ সেতারখানি
শোনো লো বাঁশিতে ডাকে আমারে শ্যাম। গুমরিয়া কাঁদে বাঁশি ল’য়ে ‘রাধা রাধা’ নাম।। পিঞ্জরে পাখি যেন লুটাইয়া কাঁদে মন, আশে পাশে গুরুজন বাম।।
রাগঃ মালকৌষ
তালঃ সেতারখানি
ওরে বাবা! এর নাম নাকি পূজা! (রে ভাই)। (এই) পূজার ঠ্যালা সইতে সোজা মানুষ হয় যে কুঁজা। ষষ্ঠীর কৃপায় দশটি মেয়ে রাবণের গুষ্টি সঙ্গে আঁচিলের মতন এঁটুলির মতন নেপটে আছেন অঙ্গে। এরা ছাড়ে না, — তবু আঁচিল ছাড়ে খেলে হোমিওপ্যাথিক থুজা।। বেনারসি, ঢাকাই, রেশমি তসর, এণ্ডি, মট্কা বইতে বইতে গা দিয়ে দাদা ঘাম ছুটে যায় বোঁট্কা। (এই) চাওয়ার ভয়ে শিব ন্যাংটা, কথা কন্ না দশভুজা।। গিন্নি কন্যে হন্যে হয়ে সদাই সওদা করে (ওরা ভাবে) ব্যাঙ্কের টাকা যেন ট্যাঙ্কের জলের মতন ঝরঝর ক’রে ঝরে তাদের এক গোঁ থিয়েটার, সিনেমা, এসেন্স, পাউডার খুঁজা।। এ সব যদি জুটল, তবে যেতে হবে চেঞ্জে শালা শালী সবাই এক জোটে বলে এবার ‘সস্তায় ট্রেন যে,’ ও বোনাই। (না গেলে) দেখব সদাই গিন্নীর কুতুরে চক্ষু কেৎরে-বুঁজা।। সবাই যেন শ্রীদুর্গার গুষ্টি, আমি যেন বাহন সিঙ্গি, আসছে বছর পূজায় মাগো হব আমি ফিরিঙ্গি। জয় বাবা যীশুখ্রিস্টের জয় (এই পূজার সময়) পিতা হওয়ার চেয়ে হাড়িকাঠের পাঁঠা হওয়া সোজা।।
‘পূজার ঠ্যালা’
রাগঃ
তালঃ

মোহাম্মদ মোস্তফা সাল্লে আলা তুমি বাদ্শারও বাদ্শাহ্ কম্লিওয়ালা।। পাপে-তাপে পূর্ণ আঁধার দুনিয়া হ’ল পুণ্য বেহেশ্তী নূরে উজালা।। গুনাহ্গার উম্মত লাগি’ তব আজো চয়ন্ নাহি, কাঁদিছ নিরালা।। কিয়ামতে পিয়াসি উম্মত লাগি’ দাঁড়ায়ে রবে ল’য়ে তহুরার পিয়ালা।। জ্বলিবে রোজ হাশরে দ্বাদশ রবি কাঁদিবে নফ্সি ব’লে সকল নবী য়্যা উম্মতী য়্যা উম্মতী, একেলা তুমি কাঁদিবে খোদার পাক আরশ চুমি’ — পাপী উম্মত ত্রাণ তব জপমালা ধ্যান তব গুণ গাহিল খোদ্ আল্লাহতা’লা।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

শাওন–রাতে যদি স্মরণে আসে মোরে বাহিরে ঝড় বহে, নয়নে বারি ঝরে।। ভুলিও স্মৃতি মম, নিশীথ–স্বপন সম আঁচলের গাঁথা মালা ফেলিও পথ ‘পরে।। ঝুরিবে পূবালি বায় গহন দূর–বনে, রহিবে চাহি’ তুমি একেলা বাতায়নে। বিরহী কুহু–কেকা গাহিবে নীপ–শাখে যমুনা–নদীপারে শুনিবে কে যেন ডাকে। বিজলী দীপ–শিখা খুঁজিবে তোমায় প্রিয়া দু’ হাতে ঢেকো আঁখি যদি গো জলে ভরে।।
রাগঃ চর্জ্যু কী মল্লার
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ মান্না দে

সদা মন চাহে মদিনা যাবো, আমার রসূলে আরবী, না হেরে নয়নে, কি সুখে গৃহে র’বো।। মদিনার বুকে রয়েছে ঘুমায়ে আমার বুকের নিধি তায় বুকে তার মিলাইব বুক পায়ে লুটাইব নিরবধি ধূলিকণা হবো, আমি ধূলিকণা হবো (ওগো) নবী পদরেখা যেই পথে আঁকা সেই পথে বিছাইবো। আবিল হতে দেবো না, মধুর স্বপন তপ্ত বরণ আবিল হতে দেবো না। সদা আকুল পিয়াসা জাগে পদমুখো হ'য়ে কদম রসূল চুম্ দিবো অনুরাগে। ধূলি হ’বো, আমি সেই পথের ওই ধূলি হ’বো নবী যে পথ দিয়ে চলেছিলেন সেই পথের ওই ধূলি হবো শুধু পায়ের চিহ্ন পরশ পাবো সেই পথের ওই ধূলি হ’বো।। প্রিয় নবীর রাঙা পা দু'খানি চুমিব সদা দিবস-যামী, আমার জীবনে লেগেছে নয়নের স্বাদ জুড়াতে আমার দেখিবো পোড়া নয়নের মোর আছে বড় খেদ মিটেনি আমার তৃষা গো হেথা নয়নের তৃষা অধরে মিটাতে এবার আমি ধূলি হ’বো।।
লেটোদলের গান
কীর্তনের সুরে নাত-এ রসুল
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

বনের হরিণ বনের হরিণ ওরে কপট চোর। কেমন ক’রে করলি চুরি প্রিয়ার আঁখি মোর।। লায়লীরে তুই দেখ্লি কখন কর্লি বদল তোদের নয়ন, ওরে বন হয়েছে স্বর্গ আমার হেরি নয়ন তোর।।
নাটকঃ ‘লায়লী-মজনু’
রাগঃ
তালঃ বৈতালিক
