বাণী
চল জয়যাত্রায় চল বাসন্তী-বাহিনী চল রচিতে বুকে বুকে নব প্রেম-কাহিনী।। যথা উদাসীন পুরুষ তপস্যা-মগ্ন জাগো সেথা সুরত রতি অতি লগ্ন — যার বাসনা ফুরায় মনে — চলো তার তপোবনে চল কামনার কামিনী।।
নাটক : ‘হরপার্বতী’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
চল জয়যাত্রায় চল বাসন্তী-বাহিনী চল রচিতে বুকে বুকে নব প্রেম-কাহিনী।। যথা উদাসীন পুরুষ তপস্যা-মগ্ন জাগো সেথা সুরত রতি অতি লগ্ন — যার বাসনা ফুরায় মনে — চলো তার তপোবনে চল কামনার কামিনী।।
নাটক : ‘হরপার্বতী’
রাগঃ
তালঃ
ওরে ব্যাকুল বেণুবন! তোকে দিয়েই হতো শ্যামের মুরলি মোহন।। তোর শাখাতে লেগে আছে শ্যামের হাতের ছোঁওয়া। আজো কি তার পরশ-লোভে ডালগুলি তার নোওয়া। আমার পড়লো মনে তোরে দেখে ও-বেণুবন পড়লো মনে, বৃন্দাবনে যে সাতটি সুর বাজাত শ্যাম বাঁশির সনে।। তার প্রথম সুরে আয় আয় ব’লে গোপিকায় ডাকে দূরে, তার দ্বিতীয় সুরে বহে যমুনা উজান ব্রজকুমারী ঝুরে। তার তৃতীয় সুরে সেই সুরে বাজে তার পায়ের নূপুর সেই সুর শুনে নাচে বনের ময়ূর। শুনি চতুর্থ সুর গুরু-গম্ভীর রোল, মেঘে মৃদঙ্গ বাজে লাগে ঝুলনায় দোল্। পঞ্চম সুরে তার কোয়েলা বোলে ব্রজ-বসন্ত আসে মাতে হোরির রোলে। ষষ্ঠ সুরে কেঁদে ডাকে সে রাধায় সপ্তমে নিষাদ সে ভুবন কাঁদায়। আখর : [নিষাদ সে তাই সাধ মিটিল না ডাকিয়া বাঁশির সুরে বধে হরিণীরে — নিষাদ সে তারে ভালোবেসে সাধ মেটে না — নিষাদ সে।।]
রাগঃ
তালঃ
গানগুলি মোর আহত পাখির সম লুটাইয়া পড়ে তব পায়ে প্রিয়তম।। বাণ–বেঁধা মোর গানের পাখিরে তু’লে নিও প্রিয় তব বুকে ধীরে, লভিবে মরণ চরণে তোমার সুন্দর অনুপম।। তারাসুখের পাখায় উড়িতেছিল গো নভে — তবনয়ন–শায়কে বিঁধিলে তাহাদের কবে। মৃত্যু আহত কন্ঠে তাহার একি এ গানের জাগিল জোয়ার — মরণ বিষাদে অমৃতের স্বাদ আনিলে নিষাদ মম।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা
১.

২.

তোমার কুসুম বনে আমি আসিয়াছি ভুলে। তবু মুখপানে প্রিয় চাহ মুখ তুলে।। দেখি সে-দিনের সম, ওগো ভুলে-যাওয়া স্মৃতি মম তব ও-নয়নে আজো ওঠে কি-না দুলে।। ওগো ভুল ক’রে আসিয়াছি, জানি ভুলেছ, তুমিও তবু ক্ষণেকের তরে সে-ভুল ভেঙো না প্রিয়। তীর্থে এসেছি মম দেবীর দেউলে।। তোমার মাধবী-রাতে, আসিনি আমি কাঁদাতে কাঁদিতে এসেছি একা বিদায়-নদীর কূলে।।
রাগঃ খাম্বাজ মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

ও, কূল-ভাঙ্গা নদী রে, আমার চোখের নীর এনেছি মিশাতে তোর নীরে।। যে লোনা জলের সিন্ধুতে নদী, নিতি তব আনাগোনা মোর চোখের জল লাগবে না ভাই তার চেয়ে বেশি লোনা। আমায় কাঁদাতে দেখে আসবিনে তুই রে, উজান বেয়ে ফিরে' নদী, উজান বেয়ে ফিরে'।। আমার মন বোঝে না, নদী — তাই বারে বারে আসি ফিরে তোর কাছে নিরবধি। তোরই অতল তলে ডুবিতে চাই রে, তুই ঠেলে দিস তীরে (ওরে)।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ ফেরদৌস আরা

ঝুমঝুম ঝুমরা নাচ নেচে কে এলো গো সই লো দেখে আয়। বৈঁচি বনে বিরহে বাউরি বাতাস বহে এলোমেলো গো।। আঁড়বাঁশি বাজায় আড়চোখে তাকায় তীর হানার ভঙ্গিতে ধনুক বাঁকায় নন্দন পাহাড়ে তাহারে দেখে চাঁদ আঁউরে গেল গো।। ঝাঁকড়া চুলের পাশে টুলটুলে চোখ হাসে কতই ছলে মোরলা মাছ যেন খেলে বেড়ায় গো কালো জলে। মৌটুসির মো ফেলে ভোমরা রয় তাকিয়ে গুরুজনের মত বটের তরু দাঁড়িয়ে জট পাকিয়ে আমলকি গাছের আড়ালে লুকিয়ে দেখি, দেখতে কি তা পেল গো (সে)।।
নাটিকাঃ ‘অর্জুন বিজয়’
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা
