বাণী
ঘুম আয় ঘুম, ঘুম ঘুম ঘুম। আকাশ-বাতাস জল থল উপবন সব হোক নিঝ্ঝুম।। শান্ত হোক সব অশান্ত কলরোল রে পথিক! জীবন-পথের ক্লান্তি ভোল্ নয়নে লাগুক সুখ-স্বপনের কুঙ্কুম।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরী স্বপনপরীর গান)
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
ঘুম আয় ঘুম, ঘুম ঘুম ঘুম। আকাশ-বাতাস জল থল উপবন সব হোক নিঝ্ঝুম।। শান্ত হোক সব অশান্ত কলরোল রে পথিক! জীবন-পথের ক্লান্তি ভোল্ নয়নে লাগুক সুখ-স্বপনের কুঙ্কুম।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরী স্বপনপরীর গান)
রাগঃ
তালঃ
কল-কল্লোলে ত্রিংশ কোটি-কণ্ঠে উঠেছে গান জয় আর্যাবর্ত, জয় ভারত, জয় হিন্দুস্থান।। শিরে হিমালয় প্রহরী, পদ বন্দে সাগর যাঁর, শ্যাম বনানী কুন্তলা রানী জন্মভূমি আমার। ধূসর কভু উষর মরুতে, কখনো কোমল লতায় তরুতে, কখনো ঈশানে জলদ-মন্দ্রে বাজে-মেঘ বিষাণ।। সকল জাতি সকল ধর্ম পেয়েছে হেথায় টাই এসেছিল যারা শত্রুর রূপে, আজ সে স্বজন ভাই।। বিজয়ীর বেশে আসিল যাহারা, আজি মা’র কোলে সন্তান তারা, (তাই) মা’র কোল নিয়ে করে কাড়াকাড়ি হিন্দু মুসলমান।। জৈন পার্শী বৌদ্ধ শক্তি খ্রিস্টান বৈষ্ণব মা’র মমতায় ভুলিয়া বিরোধ এক হয়ে গেছে সব। ভুলি’ বিভিন্ন ভাষা আর বেশ গাহিছে সকলে আমার স্বদেশ শত দল মিলে’ শতদল হ’য়ে করিছে অর্ঘ্য দান।।
মার্চের সুর
তালঃ দাদ্রা

এলো আবার ঈদ ফিরে এলো আবার ঈদ, চলো ঈদগাহে। যাহার আশায় চোখে মোদের ছিল না রে নিদ, চলো ঈদ্গাহে।। শিয়া সুন্নী, লা-মজহাবী একই জামাতে এই ঈদ মোবারকে মিলিবে এক সাথে, ভাই পাবে ভাইকে বুকে, হাত মিলাবে হাতে; আজ এক আকাশের নীচে মোদের একই সে মসজিদ, চলো ঈদগাহে।। ঈদ এনেছে দুনিয়াতে শিরণী বেহেশ্তী, দুশ্মনে আজ গলায় ধ'রে পাতাব ভাই দোস্তী, জাকাত দেব ভোগ-বিলাস আজ গোস্সা ও বদ্মস্তি; প্রাণের তশ্তরীতে ভ'রে বিলাব তৌহীদ — চলো ঈদ্গাহে।। আজিকার এই ঈদের খুশি বিলাব সকলে, আজের মত সবার সাথে মিল্ব গলে গলে, আজের মত জীবন-পথে চলব দলে দলে প্রীতি দিয়ে বিশ্ব-নিখিল ক'রব রে মুরীদ্ — চলো ঈদগাহে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

মোর ঘুমঘোরে এলে মনোহর নমো নম, নমো নম, নমো নম। শ্রাবণ-মেঘে নাচে নটবর রমঝম, রমঝম, ঝমরম (ঝমঝম, রমঝম, রমঝম)।। শিয়রে বসি চুপি চুপি চুমিলে নয়ন মোর বিকশিল আবেশে তনু নীপ-সম, নিরুপম, মনোরম।। মোর ফুলবনে ছিল যত ফুল ভরি ডালি দিনু ঢালি’ দেবতা মোর হায় নিলে না সে ফুল, ছি ছি বেভুল, নিলে তুলি’ খোঁপা খুলি’ কুসুম-ডোর। স্বপনে কী যে কয়েছি তাই গিয়াছ চলি’ জাগিয়া কেঁদে ডাকি দেবতায় প্রিয়তম, প্রিয়তম, প্রিয়তম।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ কনক চাঁপা
১.

২.

৩.

যত ফুল তত ভুল কণ্টক জাগে মাটির পৃথিবী তাই এত ভালো লাগে।। হেথা চাঁদে আছে কলঙ্ক, সাধে অবসাদ হেথা প্রেমে আছে গুরুগঞ্জনা অপবাদ; আছে মান-অভিমান পিরিতি-সোহাগে।। হেথা হারাই হারাই ভয়, প্রিয়তমে তাই ব’ক্ষে জড়ায়ে কাঁদি ছাড়িতে না চাই। স্বর্গের প্রেমে নাই বিরহ-অনল সুন্দর আঁখি আছে, নাই আখি-জল; রাধার অশ্রু নাই কুমকুম-ফাগে।।
নাটকঃ অন্নপূর্ণা (নাট্যকারঃ মণিলাল বন্দোপাধ্যায়)
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ ফিরোজা বেগম

আও আও স্যজনী ম্যঙ্গল গাও শঙ্খ বাজাও স্যফ্যল মানো র্যজনী।। অ্যম্যর লোক্ সে কুসুম গিরাও তীন লোক্ মে হ্যর্যষ মানাও হঁস্যতী আজ ধরণী।।
নাটিকাঃ ‘জন্মাষ্টমী
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
