বাণী
বৃন্দাবনে এ কি বাঁশরি বাজে। গোপিনী উন্মনা, মন নাহি কাজে।। কুলবধূ-ঘটে-ঘটে সে-বাঁশি স্বনে উছলি’ উছলি’ উঠে নীর ক্ষণে ক্ষণে, নয়ন-সলিল ঝরে গাগরি-মাঝে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ বৃন্দাবনী সারং
তালঃ কাওয়ালি
বৃন্দাবনে এ কি বাঁশরি বাজে। গোপিনী উন্মনা, মন নাহি কাজে।। কুলবধূ-ঘটে-ঘটে সে-বাঁশি স্বনে উছলি’ উছলি’ উঠে নীর ক্ষণে ক্ষণে, নয়ন-সলিল ঝরে গাগরি-মাঝে।।
রাগঃ বৃন্দাবনী সারং
তালঃ কাওয়ালি
হে গোবিন্দ রাখ চরণে। মোরা তব চরণে শরণাগত আশ্রয় দাও আশ্রিত জনে হে॥ গঙ্গা ঝরে যে শ্রীচরণ বেয়ে কেন দুখ পাই সে চরণ চেয়ে এ ত্রিতাপ জ্বালা হর হে শ্রীহরি, চাহ করুণা সিক্ত নয়নে॥ হরি ভিক্ষা চাহিলে মানুষ নাহি ফিরায় তোমারি দুয়ারে হাত পাতিল যে, ফিরাবে কি তুমি তায়। হরি সব তরী ডুবে যায় তোমার চরণ তরী ত’ ডোবে না হায়, তব চরণ ধরিয়া ডুবে মরি যদি রবে কলঙ্ক নিখিল ভুবনে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
১.

২.

দুঃখ-ক্লেশ-শোক-পাপ-তাপ শত শ্রান্তি মাঝে হরি শান্তি দাও দাও॥ কান্ডারি হে আমার, পার কর কর পার, উত্তাল তরঙ্গ অশান্তি পারাবার, অভাব দৈন্য শত হৃদি-ব্যথা-ক্ষত, যাতনা সহিব কত প্রভু কোলে তুলে নাও।। হে দীনবন্ধু করুণাসিন্ধু, অম্বর ব্যাপি’ ঝরে তব কৃপা-বিন্দু, মরুর্ মতন চেয়ে আছি নব ঘনশ্যাম — আকুল তৃষ্ণা ল’য়ে প্রভু পিপাসা মিটাও॥
রাগঃ সিন্ধু
তালঃ কাহার্বা

দিল দোলা ওগো দিল দোলা কোন দখিন হাওয়া গজল-গাওয়া কুসুম-ছাওয়া বনে। ওঠে চমকি চমকি পরান ক্ষণে ক্ষণে।। ফুল-বঁধুদের মধু যেচে' বেড়ায় হিয়া নেচে' নেচে' দেখেছিলাম স্বপনে যায় পেয়েছি তায় আজকে জাগরণে।। কুল ছাপিয়ে মন-তটিনী নটিনীর বেশে, দুলে' দুলে' যায় ভেসে'। বস-ভুষণ আজি শাসন নাহি মানে খুশির তুফানে। চাই কুঞ্জপথে ঝ'রে যেতে ঝরা ফুলের সনে।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

হারানো হিয়ার নিকুঞ্জপথে কুড়াই ঝরা ফুল একেলা আমি। তুমি কেন হায় আসিলে হেথায় সুখের স্বরগ হইতে নামি।। চারিপাশে মোর উড়িছে কেবল শুকনো পাতা মলিন ফুল–দল, বৃথাই কেন হায় তব আঁখিজল ছিটাও অবিরল দিবস–যামী।। এলে অবেলায় পথিক বেভুল বিঁধিছে কাঁটা নাহি যবে ফুল, কি দিয়ে বরণ করি ও চরণ নিভিছে জীবন, জীবন–স্বামী।।
রাগঃ বাগেশ্রী
তালঃ লাউনি
শিল্পীঃ ইয়াসমিন মুশতারী

তব চলার পথে আমার গানের ফুল ছড়িয়ে যাই গো। তারা ধুলায় প’ড়ে কেঁদে বলে ‘তোমার পরশ (আল্তা) হ’তে চাই গো।। ওরা রাঙা হ’য়ে অনুরাগের রসে তোমার চরণ-তলে পড়ে খ’সে, ওদের দ’লে যেও, নাই যদি হয় বক্ষে তেমার ঠাঁই গো।। ওরা বুক পেতে দেয় পায়ের কাছে, অশ্রু-টলমল, বলে ‘ধূলির পথে চলো না গো, ফুলেরপেথে চল।’ (তুমি) চরণ ফেল কেন ভয়ে ভয়ে বিরহ মোর ফুটেছে ফুল হ’য়ে, কাঁটা আছে আমার বুকে, ফুলে কাঁটা নাই গো।।
রাগঃ
তালঃ