বাণী
তিলক দিলে কি শ্যাম ত্রিলোক ভুলাতে? কে দিল বনমালী বনমালা গলাতে? আঁখি যেন ঢলঢল আধফোটা শতদল কে শিখাল ও চাহনি গোপিনী ছলিতে?
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
তিলক দিলে কি শ্যাম ত্রিলোক ভুলাতে? কে দিল বনমালী বনমালা গলাতে? আঁখি যেন ঢলঢল আধফোটা শতদল কে শিখাল ও চাহনি গোপিনী ছলিতে?
রাগঃ
তালঃ
তোমার কালো রূপে যাক না ডুবে সকল কালো মম, হে কৃষ্ণ প্রিয়তম! নীল সাগর-জলে হারিয়ে যাওয়া নদীর জলের সম। কৃষ্ণ নয়ন-তারায় যেমন আলোকিত হেরি ভুবন, তেমনি কালো রূপের জ্যোতি দেখাও নিরুপম।। যাক মিশে আমার পাপ-গোধূলি তোমার নীলাকাশে, মোর কামনা যাক ধুয়ে তোমার রূপের শ্রাবন মাসে। তোমায় আমায় মিলন থাকুক (যেমন) নীল সলিলে সুনীল শালুক তুমি জড়িয়ে থাকো (গো) আমার হিয়ায় গানের সুরের সম।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

যত নাহি পাই দেবতা তোমায় , তত কাঁদি আর পূঁজি। ত্ই লুকাও ধরা নাহি দাও, ততই তোমারে খুঁজি কত সে রূপের রঙের মায়ায়, আড়াল করিয়া রাখ আপনায় তবু তব পানে অশান্ত মন কেন ধায় নাহি বুঝি।। কাঁদালে যদি গো এমন করিয়া কেন প্রেম দিলে তবে অন্তবিহীন এ লুকোচুরির শেষ হবে নাথ কবে? সহে না হে নাথ বৃথা আসা যাওয়া- জনমে জনমে এই পথ চাওয়া কাঁদিয়া কাঁদিয়া ফুরায়ে গেল চোখের জলের পুঁজি।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

চৈতালি চাঁদনী রাতে — নব মালতীর কলি মুকুল-নয়ন তুলি’ নিশি জাগে আমারি সাথে।। পিয়াসি চকোরীর দিন-গোনা ফুরালো শূন্য-গগনের বক্ষ জুড়ালো দক্ষিণ-সমীরণ মাধবী-কঙ্কণ পরায়ে দিল বনভূমির হাতে।। চাঁদিনী তিথি এলো, আমারি চাঁদ কেন এলো না; বনের বুকের আঁধার গেল গো — মনের আঁধার গেল না। এ মধু-নিশি মিলন-মালায় কাঁটার মত আমি বিঁধিয়া আছি, হায়! সবারই আঁখিতে আলোর দেয়ালি অশ্রু আমারি নয়ন-পাতে।।
রাগঃ মধুমাধবী-সারঙ্
তালঃ ত্রিতাল

এলো আবার ঈদ ফিরে এলো আবার ঈদ, চলো ঈদগাহে। যাহার আশায় চোখে মোদের ছিল না রে নিদ, চলো ঈদ্গাহে।। শিয়া সুন্নী, লা-মজহাবী একই জামাতে এই ঈদ মোবারকে মিলিবে এক সাথে, ভাই পাবে ভাইকে বুকে, হাত মিলাবে হাতে; আজ এক আকাশের নীচে মোদের একই সে মসজিদ, চলো ঈদগাহে।। ঈদ এনেছে দুনিয়াতে শিরণী বেহেশ্তী, দুশ্মনে আজ গলায় ধ'রে পাতাব ভাই দোস্তী, জাকাত দেব ভোগ-বিলাস আজ গোস্সা ও বদ্মস্তি; প্রাণের তশ্তরীতে ভ'রে বিলাব তৌহীদ — চলো ঈদ্গাহে।। আজিকার এই ঈদের খুশি বিলাব সকলে, আজের মত সবার সাথে মিল্ব গলে গলে, আজের মত জীবন-পথে চলব দলে দলে প্রীতি দিয়ে বিশ্ব-নিখিল ক'রব রে মুরীদ্ — চলো ঈদগাহে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

কে পরালো মুণ্ডমালা আমার শ্যামা-মায়ের গলে। সহস্র দল জীবন কমল দোলে রে যার চরণ-তলে।। কে বলে মোর মা-কে কালো, মায়ের হাসি দিনের আলো মায়ের আমার গায়ের জ্যোতি গগন পবন জলে স্থলে।। শিবের বুকে চরণ যাঁহার কেশব যাঁরে পায় না ধ্যানে, শব নিয়ে সে রয় শ্মশানে কে জানে কোন অভিমানে। সৃষ্টিরে মা রয় আবরি' সেই মা নাকি দিগম্বরী? তাঁরে অসুরে কয় ভয়ঙ্করী ভক্ত তাঁয় অভয়া বলে।।
রাগঃ ভূপালি
তালঃ দাদ্রা
