ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশীর ঈদ

বাণী

ও		মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ।
তুই		আপনাকে আজ বিলিয়ে দে শোন্‌ আসমানি তাগিদ।।
তোর		সোনা–দানা বালাখানা সব রাহেলিল্লাহ্‌।
দে		জাকাত মুর্দা মুসলিমের আজ ভাঙাইতে নিদ্‌।।
আজ		পড়বি ঈদের নামাজ রে মন সেই সে ঈদগাহে।
যে		ময়দানে সব গাজী মুসলিম হয়েছে শহীদ।।
আজ		ভুলে যা তোর দোস্ত ও দুশমন হাত মিলাও হাতে।
তোর		প্রেম দিয়ে কর বিশ্ব নিখিল ইসলামে মুরিদ।।
ঢাল		হৃদয়ের তোর তশ্‌তরিতে শির্‌নি তৌহিদের।
তোর		দাওয়াত কবুল করবে হজরত হয় মনে উম্মীদ।।

মাধব বংশীধারী বনওয়ারী

বাণী

মাধব বংশীধারী বনওয়ারী গোঠ-চারী গোবিন্দ কৃষ্ণ মুরারী।
গোবিন্দ কৃষ্ণ মুরারি হে পাপ-তাপ-দুখ-হারী।।
কালরূপ কভু দৈত্য-নিধনে, চিকন কালা কভু বিহর বনে,
কভু বাজাও বেণু, খেল ধেনু-সনে,
কভু বামে রাধা প্যারী, গোপ-নারী মনোহারি, নিকুঞ্জ-লীলা-বিহারী।।
কুরুক্ষেত্র-রণে পান্ডব-মিতা, কন্ঠে অভয়বাণী ভগবদ্-গীতা,
পূর্ণ ভগবান পরম পিতা, শঙ্খ-চক্র-গদাধারী,
পাপ-তারী, কান্ডারি ত্রিভুবন সৃজনকারী।।

নাচে নন্দ-দুলাল নদী-তরঙ্গে

বাণী

নাচে নন্দ-দুলাল।
নদী-তরঙ্গে অধীর রঙ্গে — বাজে মঞ্জির চঞ্চল তাল।।
	চরণের নূপুর খুলে
	ফুল হয়ে ঝরে তরুমূলে,
পূবালী পবনে বন-ভবনে দোলে সে-ছন্দে পিয়াল তমাল।।
	মধুকর কল-গুঞ্জনে
	কাজরি গাহে নীপবনে,
ময়ূর পাপিয়া উঠিল মাতিয়া বাজে বৃষ্টির বীণা করতাল।।

বৈঁচি মালা রইল গাঁথা

বাণী

বৈঁচি মালা রইল গাঁথা পিয়াল পাতা ঢাকা (লো)।
সে এলো না, সয় না লো আর এক্‌লা ঘরে থাকা (লো)।।
	সে বর্শা ধনুক নিয়ে হাতে
	ঘুরে বেড়ায় কাহার সাথে?
(সে) আসবে কবে, চাঁচর কেশে বেঁধে পাখির পাখা (লো)।।
(সে) বলেছিল, ডাগর হবে টগর-চারা যবে
লুকিয়ে এসে আমার হাতের বৈঁচি-মালা লবে (লো)।।
	আজ টগর গাছে ফুল ফুটেছে
	ফাগুন মাসের চাঁদ উঠেছে।
আঙিনাতে ফুল ছড়িয়ে কাঁদে পলাশ-পাখা (লো)।।

কার বাঁশরি বাজে মূলতানী-সুরে

বাণী

কার		বাঁশরি বাজে মূলতানী-সুরে
			নদী-কিনারে কে জানে।
সে 		জানে না কোথা সে সুরে
			ঝরে ঝর-নিঝর পাষাণে।।
একে		চৈতালী-সাঁঝ আলস
তাহে		ঢলঢল কাঁচা বয়স,
রহে		চাহিয়া, ভাসে কলস,
ভাসে		হৃদি বাঁশুরিয়া পানে।।
বেণী		বাঁধিতে বসি’ অঙ্গনে
বধু		কাঁদে গো বাঁশরি-স্বনে।
যারে		হারায়েছে হেলা-ভরে
তারে		ও সুরে মনে পড়ে,
		বেদনা বুকে গুমরি’ মরে
			নয়ন ঝুরে বাধা না মানে।।

কৃষ্ণ-প্রিয়া লো কেমনে যাবি

বাণী

কৃষ্ণ-প্রিয়া লো! কেমনে যাবি অভিসারে?
সে বিরহী রসে মানস সুরধুনী ’পারে।।
সে এ পারে রহে না
পারাপারের অতীত সে, এ পারে রহে না,
এ পারে না, ও পারেও রহে না, কোন পারে রহে না।।
গগনে গুরু গুরু মেঘ গরজে অবিরল বাদল ঝর ঝর ঝরে,
আঁখি-জলে আঁখি তোর টলমল সই অন্তর দুরুদুরু করে।
পথ দেখিবি কেমনে
আঁখি-জলে পিছল আঁখি, পথ দেখিবি কেমনে।
তোর আঁখি পিছল পথও পিছল পথে যাবি কেমনে,
তোর অন্তরে মেঘ, বাহিরে মেঘ পথ দেখিবি কেমনে।
একে কুহু-যামিনী তাহে কুল-কামিনী পথে পথে কালনাগিনী (লো),
আছে আড় পেতে শাশুড়ি ননদিনী লো।
তুই চাতকীর মত কেতকীর মত রাই
মেঘ দেখে মত্ত হইলি ভয় নাই,
যার প্রেমের পথে বাধা বিধির অভিশাপ — সাপেরে সে ভয় করে না।।