বাণী
(সে) ধীরে ধীরে আসি' আধো ঘুমে বাজাল বাঁশি। ফুল-রাখি দিল বাঁধি হাসি।। জাগিয়া নিশি-ভোরে না হেরি বাঁশির কিশোরে, চাঁদ-তরী বেয়ে গেল ভাসি।।
রাগ ও তাল
রাগঃ দেশী টোড়ি
তালঃ ত্রিতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

(সে) ধীরে ধীরে আসি' আধো ঘুমে বাজাল বাঁশি। ফুল-রাখি দিল বাঁধি হাসি।। জাগিয়া নিশি-ভোরে না হেরি বাঁশির কিশোরে, চাঁদ-তরী বেয়ে গেল ভাসি।।
রাগঃ দেশী টোড়ি
তালঃ ত্রিতাল

রসুল নামের ফুল এনেছি রে (আয়) গাঁথবি মালা কে এই মালা নিয়ে রাখবি বেঁধে আল্লা তালাকে॥ অতি অল্প ইহার দাম শুধু আল্লা রসুল নাম এই মালা প’রে দুঃখ শোকের ভুলবি জ্বালাকে॥ এই ফুল ফোটে ভাই দিনে রাতে (ভাইরে ভাই) হাতের কাছে তোর ও তুই কাঁটা নিয়ে দিন কাটালি রে তাই রাত হ’ল না ভোর। এর সুগন্ধ আর রূপ র’য়ে যায় নিত্য এসে তোর দরজায় রে পেয়ে ভাতের থালা ভুললি রে তুই চাঁদের থালাকে॥
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

মম মধুর মিনতি শোন ঘনশ্যাম গিরিধারী কৃষ্ণমুরারী, আনন্দ ব্রজে তব সাথে মুরারি।। যেন নিশিদিন মুরলী-ধ্বনি শুনি উজান বহে প্রেম-যমুনারি বারি নূপুর হয়ে যেন হে বনচারী চরণ জড়ায়ে ধরে কাঁদিতে পারি।।
রাগঃ জৌনপুরী
তালঃ ত্রিতাল
শিল্পীঃ সুমন চৌধুরী

অমন করে হাসিস্নে আর রাই লো। তুই পোড়ার মুখে হাসিস্নে আর রাই লো।। ছি ছি রঙ্গ করিস অঙ্গে মেখে কৃষ্ণ কালির ছাই লো।। বাঁশি হাতে গাছে চড়া, কয়লা-বরণ গয়লা ছোঁড়া সে লো সেই নাটের গুরু নষ্টের গোড়া তোর প্রেমের গোঁসাই লো।। ঐ গো-রাখা রাখালের সনে তোর নিন্দা শুনি বৃন্দাবনে রাই লো ছি ছি কেষ্ট ছাড়া ইষ্ট কি আর ত্রিভুবনে নাই লো।। ঐ অমাবস্যার কৃষ্ণ-চাঁদে, বাস্লি ভালো কোন্ সুবাদে তুই লো তুই দিন-কানা হয়েছিস রাধে ভাবিয়া কানাই লো।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

পুরুষ : যাও হেলে দুলে এলোচুলে কে গো বিদেশিনী কাহার আশে কাহার অনুরাগিনী। স্ত্রী : আমি কনক চাঁপার দেশের মেয়ে এনু ঊষার রঙের গান গেয়ে আমি মল্লিকা গো পল্লীবাসিনী। পুরুষ : চিনি চিনি ওই চুড়ি কাঁকনের রিনিকি রিনি তুমি ভোর বেলা দাও স্বপনে দেখা। স্ত্রী : তোমার রঙে কবি আঁক আমারি ছবি তুমি দেবতা রবি আমি তব পূজারিণী। পুরুষ : এসো ধরণীর দুলালী আলোর দেশে যথা তারার সাথে চাঁদ গোপনে মেশে স্ত্রী : আনো আলোক তরী আমি যাই গো ভেসে দ্বৈত : চলো যাই ধরণী ধূলির ঊর্ধে পুরুষ : যথা বয় অনন্ত স্ত্রী : প্রেম মন্দারিণী পুরুষ : যথা বয় অনন্ত দ্বৈত : প্রেম মন্দারিণী॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

তোমার আকাশে উঠেছিনু চাঁদ, ডুবিয়া যাই এখন। দিনের আলোকে ভুলিও তোমার রাতের দুঃস্বপন।। তুমি সুখে থাক আমি চলে যাই, তোমারে চাহিয়া ব্যথা যেন পাই, জনমে জনমে এই শুধু চাই — না-ই যদি পাই মন।। ভয় নাই রাণী রেখে গেনু শুধু চোখের জলের লেখা, জলের লিখন শুকাবে প্রভাতে, আমি চলে যাব একা! ঊর্ধ্বে তোমার প্রহরী দেবতা, মধ্যে দাঁড়ায়ে তুমি ব্যথাহতা, — পায়ের তলার দৈত্যের কথা ভুলিতে কতক্ষণ।।
রাগঃ টোড়ি
তালঃ বৈতালিক
