প্রেম নগরকা ঠিকানা করলে

বাণী

প্রেম নগরকা ঠিকানা করলে প্রেম নগরকা ঠিকানা।
ছোড় করিয়ে দোদিন কা ঘর ওহি রাহপে জানা।।
	দুনিয়া দওলত হ্যায় সব মায়া
	সুখ দুখ দো হ্যায় জগ কা কায়া
দুখকো তু প্রেম সে গলে লাগালে আগে না পছতানা।।
	আতি হ্যায় যব রাত আঁধেরি
	ছোড় তু মায়া বন্ধন-ভারি
প্রেম নগর কি কর তৈয়ারি, আয়া হ্যায় পরোয়ানা।।

বিদায়-সন্ধা আসিল ঐ ঘনায় নয়নে অন্ধকার

বাণী

বিদায়-সন্ধা আসিল ঐ ঘনায় নয়নে অন্ধকার।
হে প্রিয়, আমার, যাত্রা-পথ অশ্রু-পিছল ক’রো না আর॥
	এসেছিনু ভেসে স্রোতের, ফুল
	তুমি কেন প্রিয় করিলে ভুল
তুলিয়া খোঁপায় পরিয়া তা’য় ফেলে দিলে হায় স্রোতে আবার॥
	হেথা কেহ কারো বোঝে না মন
	যারে চাই হেলা হানে সে’ জন
যারে পাই সে না হয় আপন হেথা নাহি হৃদি ভালোবাসার।
	তুমি বুঝিবে না কি অভিমান
	মিলনের মালা করিল ম্লান
উড়ে যাই মোর, দূর বিমান সেথা গা’ব গান আশে তোমার॥

টুটি’ স্বপন-বিলাস ফুটিল

বাণী

টুটি’ স্বপন-বিলাস ফুটিল রৌদ্র-দগ্ধ মরুর কাতরতা,
ছিল লুকায়ে ব্যথা — প্রাণে গোপন অন্তরালে।
তুমি পরশি’ সে-ব্যথা সহসা প্রকাশ-আলোকে জাগালে।।
একি বেদনা একি ভাষা!
আকাশের পাখি ব্যথার ধূলায় মানুষের দুখে বাঁধিল বাসা।
তুমি সৃজিলে বেদনা-গীতা
ভস্ম-বিভূতি হে শিব এ কোন্ সাধনা জ্বালিয়া চিতা?
তুমি ভৈরব যুগ-সম্ভব, তুমি সুন্দর,
আরো শোনও তোমার উদাত্ত সুর
বিপুল বেদনার মন্থর, ওহে সুন্দর।।

ভগবান শিব জাগো জাগো

বাণী

ভগবান শিব জাগো জাগো, ছাড়িয়া গেছেন দেবী শিবানী সতী।
শক্তিহীন আজি সৃষ্টি চন্দ্র-সূর্য তারা হীন-জ্যোতি।।
	হে শিব, সতীহারা হয়ে নিষ্প্রাণ
	ভূ-ভারত হইয়াছে শবের শ্মশান,
কোলে ল’য়ে প্রাণহীন জড়-সন্তান — শিবনাম জপে ধ’রা অশ্রুমতী।।

প্রিয়তম এত প্রেম দিও না গো সহিতে পারি না আর

বাণী

প্রিয়তম, এত প্রেম দিও না গো সহিতে পারি না আর
তটিনীর বুকে ঝাঁপায়ে পড়িলে কেন মহা- পারাবার।।
	তোমার প্রেমের বন্যায় বঁধু, হায়!
	দুই কুল মোর ভাঙিয়া ভাসিয়া যায়;
আমি নিজেরে হারাতে চাহিনি, বন্ধু; দিতে চেয়েছিনু হার।।
তুমি চাহ বুঝি তুমি ছাড়া আর রহিবে না মোর কেউ,
তাই কি পরানে তুফান তোলে গো এত রোদনের ঢেউ।
	দেহ ও মনের সীমা ছাড়াইয়া মোরে
	কোথায় নিয়ে যেতে চাও মোর হাত ধরে
বলো কোন মধু বনে শেষ হবে বঁধু আমাদের অভিসার।।

দূর বনান্তের পথ ভুলি কোন্ বুলবুলি

বাণী

দূর বনান্তের পথ ভুলি কোন্ বুলবুলি বুকে মোর আসিলি হেথায়।
হায় আনন্দের দূত যে তুই, তবু তোর চোখে কেন জল কি ব্যথায়।।
কোথা দিই ঠাঁই তোরে ওরে ভীরু পাখি, বেদনাময় আমার ও প্রাণ,
এ মরুতে নাই তরু, নাই তোর তৃষার তরে জল যে হেথায়।।
নিকুঞ্জে কার গাইতে গেলি গান, বিঁধিল বুক কণ্টকে;
হায় পুড়িয়া বৈশাখে এলি ভিজিতে অশ্রুর বরষায়।।