বাণী
কেন প্রেম-যমুনা আজি হলো অধীর দোলে টলমল রহে না স্থির।। মানে না বারণ উথলে বারি ভাসালো কুললাজ রুধিতে নারি সখি ডাক শুনেছে সে কার মুরলীল।।
নাটকঃ ‘সিরাজদ্দৌলা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
ভিডিও
স্বরলিপি

কেন প্রেম-যমুনা আজি হলো অধীর দোলে টলমল রহে না স্থির।। মানে না বারণ উথলে বারি ভাসালো কুললাজ রুধিতে নারি সখি ডাক শুনেছে সে কার মুরলীল।।
নাটকঃ ‘সিরাজদ্দৌলা’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আকাশে ভোরের তারা মুখ পানে চেয়ে আছে ঝরা-ফুল অঞ্জলি পড়ে আছে,পা'র কাছে। দেবতা গো,জাগো জাগো জাগো।। আঁধার-ঘোমটা খুলি শতদল আঁখি তুলি' পৃথিবী প্রসাদ যাচে দেবতা গো,জাগো।। কপোত-কণ্ঠে শোন তব বন্দনা বাজে তোমারে হেরিতে ঊষা দাঁড়ায় বধূর সাজে। দেবতা,তোমার লাগি'আজি আছি নিশি জাগি’' ভীরু এ মনের কলি হের,দল মেলিয়াছে। দেবতা গো,জাগো।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

এলো এলো রে ঐ সুদূর বন্ধু এলো। এলো পথ চাওয়া এলো হারিয়ে পাওয়া মনের আঁধার দূরে গেল, ঐ বন্ধু এলো।। এলো চঞ্চল বন্যার ঢল মন্থর স্রোত-নীড়ে, এলো শ্যামল মেঘ-মায়া তৃষিত গগন ঘিরে; তার পলাতকা মৃগে বন ফিরে পেল।। এলো পবনে বিহ্বল চঞ্চলতা যেন শান্ত ভবনে এলো সারা ভুবনের কল-কথা। অলি গুঞ্জরি’ কয় জাগো বনবীথি; ডাকে দখিনা মলয় — এলো এলো অতিথি; বাজে তোরণ দ্বারে বাঁশরি গীতি, দুখ নিশি পোহাল, আঁখি মেল।।
নাটিকা: ‘বাসন্তিকা’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
১.

২.

রাস-মঞ্চে দোল-দোল লাগে রে, জাগে ঘূর্ণি-নৃত্যের দোল। আজি রাস-নৃত্য নিরাশ চিত্ত জাগো রে, চল যুগলে যুগলে বন-ভবনে - আনো নিথর হেমন্ত হিম পবনে চঞ্চল হিল্লোল॥ শতরূপে প্রকাশ আজি শ্রী হরি, শত দিকে শত সুরে বাজে বাঁশরি - সকল গোপিনী আজি রাই কিশোরী, - যাবে তৃষ্ণা, পাবে কৃষ্ণের কোল॥ তরল তাল ছন্দ-দুলাল নন্দ-দুলাল নাচে রে, অপরূপ রঙ্গে নৃত্য-বিভঙ্গে অঙ্গের পরশ যাচে রে; মানস-গঙ্গা অধীর-তরঙ্গা প্রেমের-যমুনা হ’ল রে উতরোল॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ও কালো ডাগর চোখে বল জল আনিল কে। কে গো সেই নিঠুর হিয়া না জানি কিসের ঝোঁকে।। দু আঁখি ছাপিয়ে গেল তিতিল কপোলখানি উজল নীলাকাশে সহসা ঢাকিল কে।। পড়েছে ঘোমটা খসে খোঁপাটি গেছে খুলে ঢেকেছে মুখখানি তার পাগল এলো চুলে। না জানি কাহার কথা ব্যথিত ভাবছে মনে সে জনা দেখিল না এ ছবি এমন ক্ষণে স্বরগে হয়তো মেলে, মেলে না মর্তলোকে।।
রাগঃ
তালঃ
(মাগো) তোর কালো রূপ দেখতে মাগো, কাল্ হ’ল মোর আঁখি, চোখের ফাঁকে যাস পালিয়ে মা তুই কালো পাখি॥ আমার নয়ন দুয়ার বন্ধ ক’রে এই দেহ পিঞ্জরে, চঞ্চলা গো বুকের মাঝে রাখি তোরে ধ’রে; চোখ্ চেয়ে তাই খুঁজে বেড়াই পাই না ভুবন ভ’রে সাধ যায় মা জন্ম জন্ম অন্ধ হ’য়ে থাকি॥ কালো রূপের বিজলি চমক কোটি লোকের জ্যোতি, অনন্ত তোর কালোতে মা সকল আলোর গতি। তোর কালো রূপ কে বলে মা ‘তমঃ’, ঐ রূপে তুই মহাকালি মাগো নমঃ নমঃ তুই আলোর আড়াল টেনে মাগো দিস্ না মোরে ফাঁকি॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
