বাণী
আমি ছন্দ ভুল চির-সুন্দরের নট-নৃত্যে গো। আমি অপ্সরা-মায়া ধ্যানভঙ্গের যোগী মহেন্দ্রের চিত্তে গো।। আমি পঞ্চশর-তৃণে রক্তমাখা শর, অমৃত-পাত্রে গো স্মর-গরল খর আমি উর্বশীর খল-চরণ-নূপুর উদাসিনী দেব-চিত্তে গো।।
রাগ ও তাল
রাগঃ টোড়ি
তালঃ তেওড়া
আমি ছন্দ ভুল চির-সুন্দরের নট-নৃত্যে গো। আমি অপ্সরা-মায়া ধ্যানভঙ্গের যোগী মহেন্দ্রের চিত্তে গো।। আমি পঞ্চশর-তৃণে রক্তমাখা শর, অমৃত-পাত্রে গো স্মর-গরল খর আমি উর্বশীর খল-চরণ-নূপুর উদাসিনী দেব-চিত্তে গো।।
রাগঃ টোড়ি
তালঃ তেওড়া
আঁখি-পাতা ঘুমে জড়ায়ে আসে ওগো চাঁদ জাগিয়া থেকো সুদূর আকাশে।। জাগিয়া থেকো কবরীর মালা পথ যেন পায় সে তোমার সুবাসে।।
রাগঃ কাফি-কানাড়া
তালঃ আড়া চৌতাল

ঝরাফুল-বিছানো পথে এসো বিজন-বাসিনী। জোছনায় ছড়ায়ে হাসি এসো সুচারু-হাসিনী।। এসো জড়ায়ে তব তনুতে গোধূলী রামধনুতে, পাপিয়া-পিক-কূজনে গাহিয়া মধু-ভাষিণী।। ছন্দ-দোদুল্ গতি এসো নোটন্ কপোতী, বহায়ে মনের মরুতে আনন্দ-মন্দাকিনী।।
রাগঃ পিলু
তালঃ লাউনি
কে তুমি এলে হেলে দুলে। প্রাণের গাঙে লহর তুলে।। তোমার চটুল চরণ ছন্দে মন-ময়ূর নাচে আনন্দে, ঝরে ফুলদল বেণীর বন্ধে — মেঘের মাধুরী এলোচুলে।। আমার গানে আমার সুরে প্রাণে আনে তব নূপুরে, রূপ-তরঙ্গ খেলিছে রঙ্গে — ব্যাকুল তনুর কূলে কূলে।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা
কবে সে মদিনার পথে, গিয়াছে সুজন। বহায়ে নয়ন বারি, ভিজিল বসন।। রমজানের ঐ চাঁদ নবী, পাঠাইলেন নূরের খুবী, পাগল করে আমার হিয়া করেছে হরণ।। পশুপাখি তরুলতা, তারা শুধায় পারের কথা, আমি একলা বসে ভাবছি হেথা নবীজীর কারণ।। বেড়াই আমি পথে পথে, খুঁজে না পাই মদিনাতে, কোথায় গেলেন পাক মোস্তফা অমূল্য রতন।। [দুখুমিয়ার লেটোগান, সংগ্রহ ও সম্পাদনা : মুহম্মদ আয়ুব হোসেন, বিশ্বকোষ পরিষদ, কলকাতা, ২০০৩]
রেকর্ড
কবে সে মদিনা পথে গিয়াছে সুজন। বহায়ে নয়ন-বারি (আমার) ভিজায়ে বদন।। রমজানের চাঁদে নবী, পাঠায় সদা নূরের ছবি, পাগল করে আমার মন করেছে হরণ।। পশুপাখি তরুলতা, তাদের শুধাই পথের কথা, কেমনে পাবো সে চাঁদে জীবন-শরণ।। খুঁজে সে মদিনা-নাথে, কেঁদে ফিরি পথে পথে, কোথা গেলে পাবো আমি ও রাঙা চরণ।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

রাই বিনোদিনী দোলো ঝুলন দোলায়॥ একা লাগে না ভালো সাথে এসে দোলো শ্যামরায়॥ রাঙা চরণ দেখিতে পাব বলে ওগো দাঁড়াইয়া এই তরুতলে শ্যাম বাঁধিয়া বাহু ডোরে আশ্রয় দাও মোরে একা বড় ভয় পায়॥
চলচ্চিত্রঃ ‘বিদ্যাপতি’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা (দ্রুত ও মধ্য)
