বাণী
ভোলো ভোলো গো লায়লী মজনুর ভালোবাসা। সেই তো প্রেমিক প্রেম কয় তারে, প্রিয়া যদি কয় ভোলো সে-প্রিয়ারে। আজি হতে তাই ছাড়িলাম আমি তোমারে পাবার আশা ভোলো মজনুর ভালোবাসা।।
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ বৈতালিক
স্বরলিপি

ভোলো ভোলো গো লায়লী মজনুর ভালোবাসা। সেই তো প্রেমিক প্রেম কয় তারে, প্রিয়া যদি কয় ভোলো সে-প্রিয়ারে। আজি হতে তাই ছাড়িলাম আমি তোমারে পাবার আশা ভোলো মজনুর ভালোবাসা।।
রাগঃ
তালঃ বৈতালিক

ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ। তুই আপনাকে আজ বিলিয়ে দে শোন্ আসমানি তাগিদ।। তোর সোনা–দানা বালাখানা সব রাহেলিল্লাহ্। দে জাকাত মুর্দা মুসলিমের আজ ভাঙাইতে নিদ্।। আজ পড়বি ঈদের নামাজ রে মন সেই সে ঈদগাহে। যে ময়দানে সব গাজী মুসলিম হয়েছে শহীদ।। আজ ভুলে যা তোর দোস্ত ও দুশমন হাত মিলাও হাতে। তোর প্রেম দিয়ে কর বিশ্ব নিখিল ইসলামে মুরিদ।। ঢাল হৃদয়ের তোর তশ্তরিতে শির্নি তৌহিদের। তোর দাওয়াত কবুল করবে হজরত হয় মনে উম্মীদ।।
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা

সজল-কাজল-শ্যামল এসো তমাল-কানন-ঘেরি, কদম-তমাল-কানন ঘেরি। মনের ময়ূর কলাপ মেলিয়া নাচুক তোমারে হেরি’।। ফোটাও নীরস চিত্তে সরস মেঘমায়া, আনো তৃষিত নয়নে মেঘল ছায়া, বাজাও কিশোর বাঁশের বাঁশরি ব্যাকুল বিরহেরই।। দাও পদরজঃ হে ব্রজবিহারী, মনের ব্রজধামে — রুমু-ঝুমু ঝুমু বাজুক নূপুর চরণ ঘেরি, কদম-তমাল-কানন ঘেরি।।
রাগঃ দেশ
তালঃ দাদ্রা

(মা) খড়গ নিয়ে মাতিস রণে নয়ন দিয়ে বহে ধারা (মা) (এমন) একাধারে নিষ্ঠুরতা কৃপা তোরই সাজে তারা।। তোর করে অসুর-মুন্ডরাশি অধরে না ধরে হাসি জানিস্ মরলে তোর আঘাতে তোরই কোলে যাবে তারা।। মা দুই হাতে তোর বর ও অভয় আর দু’হাতে মুন্ড অসি, ললাটে তোর পূর্ণিমা-চাঁদ, কেশে কৃষ্ণা চতুর্দ্দশী। জননী-প্রায় আঘাত করে দিস্ মা দোলা বক্ষে ধ’রে পাপ-মুক্ত করার ছলে অসুর বধিস ভব-তারা।।
রাগঃ বাগেশ্রী
তালঃ তেওড়া

বাজে মৃদঙ্গ বরষার ওই দিকে দিকে দিগন্তরে নীরস ধরা সরস হলো কাহার যাদু-মন্তরে।। বন-ময়ুর আনন্দে নাচে ধারা-প্রপাত ছন্দে ঝরঝর গিরি-নির্ঝর স্রোতে অন্তর সুখে সন্তরে।। শ্যামল প্রিয়-দরশা হলো ধূসর পথ-প্রান্তর বন্ধু-মিলন হরষা গাহে দাদুরি অবান্তর। শ্রাবন প্লাবন বন্যাতে আজি পুষ্পে পল্লবে বন মাতে এলো শ্যাম শোভন সুন্দর প্রাণ-চঞ্চল ক'রে মন্থরে।।
রাগঃ
তালঃ তেওড়া

সন্ধ্যা নেমেছে আমার বিজন ঘরে, তব গৃহে জ্বলে বাতি। ফুরায় তোমারি উৎসব নিশি সুখে, পোহায় না মোর রাতি।। আমার আশার ঝরা ফুলদল দিয়া, তোমার বাসর শয্যা রচিছ প্রিয়া তোমার ভবনে আলোর দীপালি জ্বলে, আঁধার আমার সাথী। পোহায় না মোর রাতি।। ঘুমায়ে পড়েছে আমার কাননে কুহু, নীরব হয়েছে গান; তোমার কুঞ্জে গানের পাখিরা তুলিয়াছে কলতান। পৃথিবীর আলো মোর চোখে নিভে আসে, বাজিছে বাঁশরি তোমার মিলন-রাসে; ওপারের বাঁশি আমায় ডাকিবে কবে, আছি তাই কান পাতি। পোহায় না মোর রাতি।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
