সখি লো তায় আন ডেকে

বাণী

সখি লো তায় আন ডেকে যে গান গেয়ে যায় পথ দিয়ে।
সই দিব তারে কণ্ঠহার, তার কণ্ঠেরি ঐ সুর নিয়ে॥
		কারুর পানে নাহি চায়
	সে 	আপন মনে গেয়ে যায়
প্রাণ কাঁপে সুরের নেশায় নয়ন আসে ঝিমিয়ে॥
		সখি লো শুধিয়ে আয়
		সে শিখিল এ গান কোথায়
এত মধু তার গলায় কার অধর-সুধা পিয়ে॥
		যার গানে এত প্রাণ মাতায়
		না জানি কি হয় দেখ্‌লে তায়
তার সুর শুনে কেউ প্রাণ পায় কেউ ফেলে প্রাণ হারিয়ে॥

নন্দ দুলাল নাচে নাচে রে

বাণী

নন্দ দুলাল নাচে নাচে রে হাতে সরের নাড়ু নিয়ে নাচে
ব্রজের গোপাল নাচে নাচে রে হাতে সরের নাড়ু নিয়ে নাচে
ওসে হাতের নাড়ু মুখে ফেলে, আড় চোখে চায় হেলে দুলে
যথায় গোপীর ক্ষীর নবনী দইয়ের হাঁড়ি আছে॥
শূন্য দু হাত শূন্যে তুলে দেয় সে করতালি বলে তাই তাই তাই
নন্দ পিতায় কয় ইশারায় নাই ননী নাই
নন্দ ধরতে গেলে যায় পিছিয়ে
মুচকি হেসে যায় এগিয়ে যশোমতীর কাছে রে॥
কহে শিউরে উঠে শিমুল ফুল নাচ রে গোপাল নাচ নাচ রে
	নাচ রে গোপাল নাচ
সারা গায়ে ঘুঙুর বেঁধে নাচে ডুমুর গাছ রে
	নাচ রে গোপাল নাচ
শিমুল গায়ে নাচে সুখে কাঁটা দিয়ে ওঠে ফুল ফোটে মরা গাছে॥
	নাচ ভুলে সে থমকে দাঁড়ায়
	মার চোখে জল দেখতে সে পায় রে
ননী মাখা দু হাত দিয়ে চোখ মুছিয়ে লুকায় বুকের কাছে॥

দোলে নিতি নব রূপের টেউ-পাথার

বাণী

দোলে নিতি নব রূপের টেউ-পাথার ঘনশ্যাম তোমারি নয়নে।
আমি হেরি যে নিখিল বিশ্বরূপ-সম্ভার তোমারি নয়নে॥
		তুমি পলকে ধর নাথ সংহার-বেশ
		হও পলকে করুণা-নিধান পরমেশ।
নাথ ভরা যেন বিষ অমৃতের ভান্ডার তোমার দুই নয়নে॥
		ওগো মহা-শিশু, তব খেলা-ঘরে
		একি বিরাট সৃষ্টি বিহার করে,
সংসার চক্ষে তুমিই হে নাথ, সংসার তোমারি নয়নে॥
		তুমি নিমেষে রচি নব বিশ্বছবি
		ফেল নিমেষে মুছিয়া হে মহাকবি,
করে কোটি কোটি ব্রহ্মান্ড ভুবন-সঞ্চার তোমারি নয়নে॥
		তুমি ব্যাপক ব্রহ্ম চরাচরে
		জড় জীবজন্তু নারী-নরে,
কর কমল-লোচন, তোমার রূপ বিস্তার হে আমারি নয়নে॥

শাদী মোবারকবাদী শাদী মোবারক

বাণী

শাদী মোবারকবাদী শাদী মোবারক।
দেয় মোবারক-বাদ আলম রসুলে-পাক আল্লা হক।।
	আজ এ খুশির মাহফিলে
	দুলহা ও দুলহিনে মিলে
	মিলন হল প্রাণে প্রাণে
		মাশুক আর আশক।।
	আউলিয়া আম্বিয়া সবে
	এসো এ মিলন-উৎসবে,
	দোয়া কর আজ এ খুশির
		গুলিস্তান গুলজার হোক।।

নাটিকাঃ‘পুতুলের বিয়ে’

আমি মৃতের দেশে এনেছি রে

বাণী

আমি মৃতের দেশে এনেছি রে মাতৃ নামের গঙ্গা ধারা।
আয় রে নেয়ে শুদ্ধ হবি অনুতাপে মলিন যারা।।
	আয় আশাহীন ভাগ্য হত
	শক্তি-বিহীন পদানত,
	(আয় রে সবাই আয়),
এই অমৃতে, আয়, উঠ্‌বি বেঁচে জীবন্মৃত সর্বহারা।।
	ওরে এই শক্তির গঙ্গা-স্রোতে
	অনেক আগে এই সে-দেশে,
মৃত সগর-বংশ বেঁচে উঠেছিল এক নিমেষে।
	এই গঙ্গোত্রীর পরশ লেগে
	নবীন ভারত উঠ্ল জেগে,
এই পুণ্য স্রোত ভেঙেছিল ভেদবিভেদের লক্ষ কারা।।

নিতি নিতি মোরে ডাকে সে

বাণী

নিতি নিতি মোরে ডাকে সে স্বপনে,
নিরাশার আলো জ্বলিয়া গোপনে।
জানি না মায়াবিনী কী মায়া জানে
কেবলি বাহিরে পরান টানে,
ঘুরে ঘুরে মরি আঁধার-গহনে।।
শত পথিকে ও-রূপে ছল হানে,
অপরূপ শতরূপে শত গানে।
পথে পথে বাজে তাহারি বাঁশি,
সে-সুরে নিখিল-মন উদাসী;
দহে যাদুকরী বিধুর দহনে।।