বাণী
ঝর ঝর বারি ঝরে অম্বর ব্যাপিয়া এসো এসো মেঘমালা প্রিয়া প্রিয়া।। দূরে থেকো না এই শ্রাবণ নিশীথে কাঁদে তব তরে পিয়াসি হিয়া।। বিজলি খুঁজে ফেরে সুদূর আকাশে হৃদয়ে কাঁদে প্রেম পাপিয়া পিয়া।।
রাগ ও তাল
রাগঃ শুদ্ধ সারং
তালঃ ত্রিতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

ঝর ঝর বারি ঝরে অম্বর ব্যাপিয়া এসো এসো মেঘমালা প্রিয়া প্রিয়া।। দূরে থেকো না এই শ্রাবণ নিশীথে কাঁদে তব তরে পিয়াসি হিয়া।। বিজলি খুঁজে ফেরে সুদূর আকাশে হৃদয়ে কাঁদে প্রেম পাপিয়া পিয়া।।
রাগঃ শুদ্ধ সারং
তালঃ ত্রিতাল

নাচে নন্দ-দুলাল। নদী-তরঙ্গে অধীর রঙ্গে — বাজে মঞ্জির চঞ্চল তাল।। চরণের নূপুর খুলে ফুল হয়ে ঝরে তরুমূলে, পূবালী পবনে বন-ভবনে দোলে সে-ছন্দে পিয়াল তমাল।। মধুকর কল-গুঞ্জনে কাজরি গাহে নীপবনে, ময়ূর পাপিয়া উঠিল মাতিয়া বাজে বৃষ্টির বীণা করতাল।।
রাগঃ নটমল্লার
তালঃ ত্রিতাল
মাগো তোরি পায়ের নূপুর বাজে এই বিশ্বের সকল ধ্বনির মাঝে।। জীবের ভাষায় পাখির মধুর গানে, সাগর রোলে নদীর কলতানে সমীরণের মরমরে শুনি সকাল সাঁঝে।। আমার প্রতি নিঃশ্বাসে মা রক্তধরার মাঝে প্রাণের অনুরণনে তোর চরণধ্বনি বাজে। গভীর প্রণব ওঙ্কারে তোর কালি (মা গো মহাকালী) সেই নৃত্যলীলার স্তবগাথা গান চরণতলে নটরাজে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

(মা) আমার ভবের অভাব লয় হয়েছে শ্যামা-ভাব-সমাধিতে। শ্যামা রসে যে-মন আছে ডুবে কাজ কিরে তার যশ-খ্যাতিতে।। মধু যে পায় শ্যামা-পদে, কাজ কিরে তার বিষয়-মদে; যুক্ত যে মন যোগামায়াতে; ভাবনা কি তার রোগ ব্যাধিতে।। কাজ কি’রে তার লক্ষ টাকায়, মোক্ষ লক্ষ্মী যাহার ঘরে, কত রাজার রাজা প্রসাদ মাগে সেই ভিখারীর পায়ে ধরে। ও মা শান্তিময়ী অন্তরে যার, দুঃখ শোকে ভয় কি রে তার সে সদানন্দ সদাশিব জীবন্মুক্ত ধরণীতে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ওগো মাগো আজো, বেঁচে আছি, তোরই প্রসাদ পেয়ে। তোর দয়াময়ী অন্নপূর্ণা, তোরই অন্ন খেয়ে॥ কবে কখন খেলার ছলে, ডেকেছিলাম শ্যামা ব’লে; সেই পুণ্যে ধন্য আমি, আজ তোরই নাম গেয়ে॥ পাপী হয়েও পাই আমি তাই, যখন যাহা চাই। দুঃখে শোকে বিপদ ঝড়ে, বাঁচাস্ মা তুই বক্ষে ধ’রে; দয়াময়ী নাই কেহ মা, ভবানী তোর চেয়ে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ওমা একলা ঘরে ডাকব না আর দুয়ার বন্ধ ক’রে। তুই সকল ছেলের মা যেখানে ডাকব মা সেই ঘরে।। রুদ্ধ আমার একলা এ মন্দিরে, পথ না পেয়ে যাস্ বুঝি মা ফিরে, মোরে জ্যোতির্লোকে ঘুম্ পাড়িয়ে তাপিত সন্তানে নিয়ে মাগো কাঁদিস্ বুকে ধ’রে।। আমি একলা মানুষ হ’তে গিয়ে হারাই মা তোর স্নেহ, আমি যে ঘর যেতে ঘৃণা করি মা,-সেবি তোর গেহ। দুর্বল মোর ভাই বোনদের তুলে, আমি দাঁড়াব মা যেদিন, চরণ মূলে। সেদিন মা তুই আপনি এসে কোলেতুলে নিবি হেসে, আর হারাব না তোরে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
