চোখের জলে মন ভিজিয়ে যায় চলে

বাণী

চোখের জলে মন ভিজিয়ে যায় চলে ঐ কোন্ উদাসী।
বুকে কেন নীরব বীণা মুখে কেন নেইকো হাসি।।
	আকাশে চাঁদ তারার মেলা
	বনের পথে রঙের ডালা
তবু কেন আঁখিতে ওর উথলে পড়ে অশ্রুরাশি।।
	বনের হাওয়ায় বাজিয়ে বেণু,
	ছড়িয়ে চলে ফুলের রেণু
বিদেশিকে আন্‌না ডেকে সাধ হয়েছে ভালবাসি।।

১. ফুলেল হাওয়া

ভক্ত নরের কাছে হে নারায়ণ

বাণী

ভক্ত নরের কাছে হে নারায়ণ চিরদিন আজ হারি
তাই তো তোমায় নামায়েছি ব্রজে গোলক হইতে কাড়ি।।
চতুর্ভুজের দ্বিভুজ হরিয়া বেঁধেছি যশোদা দুলাল করিয়া
বনমালা পীত বসন পরিয়া হয়েছ ময়ূর মুকুটধারী।।
রাঙা পায়ে তব নূপুর পরায়ে নাচায়েছি পথ মাঝে
হাতে দিয়ে বেণু সাথে দিয়ে ধেণু সাজানু গোপাল সাজে।
ভগবান বলে মোরা না ধেয়াই চোর কপট নিঠুর বলি তাই
সুমধুর গালি দিয়েছি কানাই বামে দিয়ে রাধা প্যারী।।

একেলা গোরী জল্‌কে চলে গঙ্গাতীর

বাণী

একেলা গোরী জল্‌কে চলে গঙ্গাতীর
অঙ্গে ঢুলিয়া পড়ে লালসে অলস সমীর।।
কাঁকনে কলসে বাজে
কত কথা পথ মাঝে
		আঁচল চুমিছে শিশির।।
তটিনীতে চলে কি গো
সোনার বরণ মায়া-মৃগ
		নয়নে আবেশ মদির।।

ফিরিয়া যদি সে আসে

বাণী

ফিরিয়া যদি সে আসে আমার খোঁজে ঝরা গোলাবে।
আনিয়া সমাধি পাশে আমার বিদায় বাণী শোনাবে।।
	বলিও তারে এখানে এসে
	ডাকে যেন মোর নাম ধ’রে সে,
রবাব যবে কাঁদিবে রমলা সুরের কোমল রেখাবে।।
	তৃষিত মরুর ধুসর গগন
	যেমন হেরে মেঘের স্বপন,
তেমনি দারুণ তিয়াসা লয়ে কাটিল আমার বিফল জীবন —
একটি ফোঁটা আঁখি–জল ঝরে যেন তার হাতের শরাবে।।

শঙ্কর অঙ্গলীনা যোগ মায়া

বাণী

শঙ্কর অঙ্গলীনা যোগ মায়া শঙ্করী শিবানী।
বালিকা-সম লীলাময়ী নীল-উৎপল-পাণি।।
	সজল-কাজল-ঝর্না
	মুকত বেণী অপর্ণা,
তিমির বিভাবরী স্নিগ্ধা শ্যামা কালিকা ভবানী।।
প্রলয় ছন্দময়ী চন্ডী শব্দ-নূপুর-চরণা,
শাম্ভবী শিব-সীমন্তিনী শঙ্করাভরণা।
	অম্বিকা দুঃখহারিণী
	শরণাগত-তারিণী,
জগদ্ধাত্রী শান্তিদাত্রী প্রসীদ মা ঈশানী।।

কী দশা হয়েছে মোদের দেখ্ মা উমা আনন্দিনী

বাণী

কী দশা হয়েছে মোদের দেখ্ মা উমা আনন্দিনী।
তোর বাপ হয়েছে পাষাণ গিরি, মা হয়েছে পাগলিনী।।
	(মা)	এ দেশে আর ফুল ফোটে না
		গঙ্গাতে আর ঢেউ ওঠে না
তোর হাসি-মুখ দেখলে যে মা পোহায় না মোর নিশীথিনী।।
আর যাবি না ছেড়ে মোদের বল্ মা আমায় কন্ঠ ধরি
সুর যেন তার না থামে আর বাজালি তুই যে বাঁশরি।।
	(মা)	না পেলে তুই শিবের দেখা
		রইতে যদি নারিস্ একা,
আমি শিবকে বেঁধে রাখব মা গো হয়ে শিব-পূজারিণী।।