বাণী
অবুঝ মোর আঁখি বারি, আমি রোধিতে নারি।। গ'লেছে যে-নদী জল, কে তারে রোধিবে বল, পাষাণের সে নারায়ণ তবু সে আমারি।।
রাগ ও তাল
রাগঃ তিলক কামোদ
তালঃ
অবুঝ মোর আঁখি বারি, আমি রোধিতে নারি।। গ'লেছে যে-নদী জল, কে তারে রোধিবে বল, পাষাণের সে নারায়ণ তবু সে আমারি।।
রাগঃ তিলক কামোদ
তালঃ
কত খুঁজিলাম নীল কুমুদ তোরে। আছে নীল জল শূন্যে সরসী ভ’রে।। উঠেছে আকাশে চাঁদ, ফুটেছে তারা আছে সব একা মোর কুমুদ হারা, অভিমানে সে কি গিয়াছে ঝ’রে।।
নাটক : ‘মহুয়া’
রাগঃ
তালঃ
লুকোচুরি খেলতে হরি হার মেনেছ আমার সনে লুকাতে চাও বৃথা হে শ্যাম, ধরা পড় ক্ষণে ক্ষণে।। গহন মেঘে লুকাতে চাও অম্নি রাঙা, চরণ লেগে যে পথে ধাও সে পথ ওঠে ইন্দ্রধনুর রঙে রেঙে, চপল হাসি চম্কে বেড়ায় বিজলিতে নীল গগনে।। রবি-শশী-গ্রহ-তারা তোমার কথা দেয় প্রকাশি’ ঐ আলোতে হেরি তোমার তনুর জ্যোতি মুখের হাসি। হাজার কুসুম ফুটে’ ওঠে লুকাও যখন শ্যামল বনে। মনের মাঝে যেম্নি লুকাও, মন হয়ে যায় অম্নি মুনি, ব্যথায় তোমার পরশ যে পাই, ঝড়ের রাতে বংশী শুনি দুষ্টু তুমি দৃষ্টি হয়ে লুকাও আমার এই নয়নে দুষ্টু তুমি দৃষ্টি হয়ে থাক আমার এই নয়নে।।
রাগঃ ধানি মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

সাবিত্রী সমান হও, লহ লহ এই আশিষ। শ্বশুর শাশুড়ির মা বাপের, কুলের তারা হয়ে হাসিস।। রামের মত স্বামী পাস, সতী হ’স সীতার সম দশরথ কৌশল্যার মত শ্বশুর শাশুড়ি অনুপম। লক্ষ্মণ সম দেবর পেয়ে সুখের সায়রে ভাসিস।। গোয়ালে গরু, মরায়ে ধান সিঁথেয় সিঁদুর, মুখে পান আল্তা পায়ে চির-এয়োতি যায় সুখে দিন এক সমান অন্নপূর্ণা জগৎ জীবের মা হয়ে ফিরে আসিস।। সভা-উজ্জ্বল জামাই পাস ভুবন-উজ্জ্বল দুঃখ পাস ধরার মত সহ্য পাস জন্মায়স্তে কাল কাটাস। পাকা চুলে পরিস্ সিঁদুর হয়ে থাকিস্ স্বামীর গো। বেঁচে থাকিস্ যতকাল অক্ষয় থাক তোর হাতের নো। পুত্র দিয়ে স্বামীর কোলে গঙ্গাজলে দেহ রাখিস।।
নাটিকাঃ ‘পুতুলের বিয়ে’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

তুমি অনেক দিলে খোদা, দিলে অশেষ নিয়ামত — আমি লোভী, তাইতো আমার মেটে না হসরত।। কেবলই পাপ করি আমি — মাফ করিতে তাই, হে স্বামী, দয়া করে শ্রেষ্ঠ নবীর করিলে উম্মত। তুমি নানান ছলে করছ পূরণ ক্ষতির খেসারত।। মায়ের বুকে স্তন্য দিলে, পিতার বুকে স্মেহ; মাঠে শস্য ফসল দিলে আরাম লাগি' গেহ। ঈদের চাঁদের রং মশালে রঙীন বেহেশ্ত পথ দেখালে আখেরেরই সহায় দিলে আখেরী হজরত। তুমি আজান দিলে না ভুলিতে মসজিদেরই পথ।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আমারে চোখ ইশারায় ডাক দিলে হায় কে গো দরদি। খুলে দাও রং মহলার তিমির-দুয়ার ডাকিলে যদি।। গোপনে চৈতী হাওয়ায় গুল্-বাগিচায় পাঠালে লিপি, দেখে তাই ডাক্ছে ডালে কু কু ব’লে কোয়েলা ননদী।। পাঠালে ঘূর্ণি-দূতী ঝড়-কপোতী বৈশাখে সখি বরষায় সেই ভরসায় মোর পানে চায় জল-ভরা নদী।। তোমারি অশ্রু ঝলে শিউলি তলে সিক্ত শরতে, হিমানীর পরশ বুলাও ঘুম ভেঙে দাও দ্বার যদি রোধি।। পউষের শূন্য মাঠে একলা বাটে চাও বিরহিণী, দুঁহু হায় চাই বিষাদে, মধ্যে কাঁদে তৃষ্ণা-জলধি।। ভিড়ে যা ভোর-বাতাসে ফুল-সুবাসে রে ভোমর কবি ঊষসীর শিশ্-মহলে আস্তে যদি চাস্ নিরবধি।।
রাগঃ জৌনপুরী-আশাবরি
তালঃ কাহার্বা
