বাণী
আজি নন্দলাল মুখচন্দ নেহারি অধীর আনন্দে অন্তর কাঁপে ঝরে প্রেমবারি॥ বকুল-বন হরষে ফলদল বরষে গাহে রাধা শ্যাম নাম হরি-চরণ হেরি শুকসারি॥
রাগ ও তাল
রাগঃ খাম্বাবতী
তালঃ ঝাঁপতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

আজি নন্দলাল মুখচন্দ নেহারি অধীর আনন্দে অন্তর কাঁপে ঝরে প্রেমবারি॥ বকুল-বন হরষে ফলদল বরষে গাহে রাধা শ্যাম নাম হরি-চরণ হেরি শুকসারি॥
রাগঃ খাম্বাবতী
তালঃ ঝাঁপতাল

রসুল নামের ফুল এনেছি রে (আয়) গাঁথবি মালা কে এই মালা নিয়ে রাখবি বেঁধে আল্লা তালাকে॥ অতি অল্প ইহার দাম শুধু আল্লা রসুল নাম এই মালা প’রে দুঃখ শোকের ভুলবি জ্বালাকে॥ এই ফুল ফোটে ভাই দিনে রাতে (ভাইরে ভাই) হাতের কাছে তোর ও তুই কাঁটা নিয়ে দিন কাটালি রে তাই রাত হ’ল না ভোর। এর সুগন্ধ আর রূপ র’য়ে যায় নিত্য এসে তোর দরজায় রে পেয়ে ভাতের থালা ভুললি রে তুই চাঁদের থালাকে॥
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

আমি ভুলিতে পারি না সেই দূর অমরার স্মৃতি। যার আকাশে বিরাজে চির পূর্ণিমার তিথি।। আজও যেন শুনি ইন্দ্র সভায় দেবকুমারীরা ডাকে ‘আয় আয়’, কেঁদে যেন ডাকে অলকানন্দা নন্দন-বন-বীথি।।
নাটক : ‘সুভদ্রা’ (উর্বশীর গীত)
রাগঃ
তালঃ
আমারে চোখ ইশারায় ডাক দিলে হায় কে গো দরদি। খুলে দাও রং মহলার তিমির-দুয়ার ডাকিলে যদি।। গোপনে চৈতী হাওয়ায় গুল্-বাগিচায় পাঠালে লিপি, দেখে তাই ডাক্ছে ডালে কু কু ব’লে কোয়েলা ননদী।। পাঠালে ঘূর্ণি-দূতী ঝড়-কপোতী বৈশাখে সখি বরষায় সেই ভরসায় মোর পানে চায় জল-ভরা নদী।। তোমারি অশ্রু ঝলে শিউলি তলে সিক্ত শরতে, হিমানীর পরশ বুলাও ঘুম ভেঙে দাও দ্বার যদি রোধি।। পউষের শূন্য মাঠে একলা বাটে চাও বিরহিণী, দুঁহু হায় চাই বিষাদে, মধ্যে কাঁদে তৃষ্ণা-জলধি।। ভিড়ে যা ভোর-বাতাসে ফুল-সুবাসে রে ভোমর কবি ঊষসীর শিশ্-মহলে আস্তে যদি চাস্ নিরবধি।।
রাগঃ জৌনপুরী-আশাবরি
তালঃ কাহার্বা

এলো এলো রে বৈশাখী ঝড় এলো এলো রে, ঐ বৈশাখী ঝড় এলো এলো মহীয়ান সুন্দর। পাংশু মলিন ভীত কাঁপে অম্বর চরাচর থরথর।। ঘনবন–কুন্তলা বসুমতী সভয়ে করে প্রণতি, সভয়ে নত চরণে ভীতা বসুমতী। সাগর তরঙ্গ মাঝে তারি মঞ্জীর যেন বাজে বাজে রে পায়ে গিরি–নির্ঝর–ঝরঝর ঝরঝর।। ধূলি–গৈরিক নিশান দোলে ঈশান গগন চুম্বী, ডম্বরু ঝল্লরী ঝাঁঝর ঝনঝন বাজে এলো ছন্দ বন্ধন–হারা এলো রে এলো মরু–সঞ্চর বিজয়ী বীরবর।।
রাগঃ ইমন মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

করুণ কেন অরুণ আঁখি দাও গো সাকি দাও শারাব হায় সাকি এ আঙ্গুরী খুন নয় ও হিয়ার খুন–খারাব।। আর সহে না দিল্ নিয়ে এই দিল–দরদির দিল্লাগী, তাইতে চালাই নীল পিয়ালায় লাল শিরাজি বে–হিসাব।। হারাম কি এই রঙিন পানি আর হালাল এই জল চোখের? নরক আমার হউক মঞ্জুর বিদায় বন্ধু!লও আদাব।। দেখ্ রে কবি, প্রিয়ার ছবি এই শারাবের আর্শিতে, লাল গেলাসের কাঁচ্–মহলার পার হ’তে তার শোন্ জবাব্।।
রাগঃ সিন্ধু
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ কে মল্লিক
