তুম প্রেমকে হো ঘনশ্যাম

বাণী

তুম প্রেমকে হো ঘনশ্যাম ম্যায় প্রেম কি শ্যাম-প্যায়ারী।
প্রেমকা গান তুমহারে দান ম্যায় হুঁ প্রেম-ভিখারি।।
	হৃদয় বিচমে যমুনা তীর
	তুমহারি মুরলী বাজে ধীর,
নয়ন নীর কি বহত যমুনা প্রেম সে মাতোয়ারী।।
যুগ যুগ হোয়ে তুমহারি লীলা মেরে হৃদয় বনমে,
তুমহারে সুন্দর-মন্দির মোহন সোহত মেরে মনমে।
	প্রেম-নদী নীর নিত বহি যায়
	তুমহারে চরণ কো কবহুঁ না পায়,
রোয়ে শ্যাম-প্যায়ারী সাথ ব্রিজনারী আও মুরলীধারী।।

কুসুম-সুকুমার শ্যামল তনু

বাণী

কুসুম-সুকুমার শ্যামল তনু হে ফুল-দেবতা লহ প্রণাম।
বিটপী লতায় চিকন পাতায় ছিটাও হাসি কিশোর শ্যাম।।
পূজার থালা এ অর্ঘ্য-ডালা এনেছি দিতে তোমার পায়
দেহ শুভ বর কুসুম-সুন্দর হোক নিখিল নয়নাভিরাম
এ বিশ্ব বিপুল কুসুম-দেউল হোক তোমার ফুল কিশোর
মুরলী করে এসো গোলক-বিহারী হোক ভূ-লোক আনন্দ-ধাম।।

নাটকঃ‘সাবিত্রী’

ওগো প্রিয়তম তুমি চ’লে গেছ আজ

বাণী

ওগো	প্রিয়তম তুমি চ’লে গেছ আজ আমার পাওয়ার বহু দূরে।
তবু	মনের মাঝে বেণু বাজে সেই পুরানো সুরে সুরে॥
	বাজে মনের মাঝে বেণু বাজে
	প্রিয় বাজাতে যে বেণু বনের মাঝে আজো তার রেশ মনে বাজে॥
	তব কদম-মালার কেশরগুলি
	আজি ছেয়ে আছে ওগো পথের ধূলি,
	ওগো আজিকে করুণ রোদন তুলি’ বয় যমুনা ভাটি সুরে॥
	(আর উজান বয় না,)
	ওগো আজিকে আঁধার তমাল বনে, বসে আছি উদাস মনে
	ওগো তোমার দেশে চাঁদ উঠেছে আমার দেশে বাদল ঝুরে॥
	সেথা চাঁদ উঠেছে —
	ওগো শুল্কা তিথির চতুর্দশীর চাঁদ উঠেছে
	সেথা শুল্কা তিথির চতুর্দশীর চাঁদ উঠেছে
	সখি তাদের দেশে আকাশে আজ আমার দেশের চাঁদ উঠেছে।
	ওগো মোর গগনে কৃষ্ণা তিথি আমার দেশে বাদল ঝুরে॥

আমি দেখন-হাসি

বাণী

আমি দেখন-হাসি
আমায়দেখ্‌লে পরে হাসতে হাসতে পেয়ে যাবে কাশী।।
আমিহাসির হাঁসলী ফিরি করি এলে আমার হাসির দেশে
বুড়োরা সব ছোঁড়া হয়, আর ছোঁড়ারা যায় টেসে।
আমারহাস-খালিতে বাড়ি, আমি হাস্নু হানার মাসি।।
এলেআমার হাসির হেঁসেলে তার হাঁসফাঁসানি লেগে
অন্তে শুধু দন্ত থাকে শরীরটা যায় ভেগে।
(আমি)পাতি হাঁসির আন্ডা বেচি আর হাসির ময়দা খাঁসি।।
সেদিন পথে যাচ্ছিল সব রাজার হাতি ঘোড়া উট
তারা না আমায় দেখি হাসতে হাসতে
‘চোঁ চোঁ চোঁ’ এই না বলি’ অমনি দিলে ছুট
হেসে পালিয়ে গেল দড়ি ছিঁড়ে মটরু মিঞার খাসি।।

খোদার প্রেমের শরাব পিয়ে

বাণী

খোদার প্রেমের শরাব পিয়ে বেহুঁশ হয়ে রই প’ড়ে
ছেড়ে’ মস্‌জিদ আমার মুর্শিদ এল যে এই পথ ধ’রে।।
দুনিয়াদারির শেষে আমার নামাজ রোজার বদ্‌লাতে
চাইনে বেহেশ্‌ত্‌ খোদার কাছে নিত্য মোনাজাত ক’রে।।
কায়েস যেমন লাইলী লাগি’ লভিল মজনু খেতাব
যেমন ফরহাদ শিঁরির প্রেমে হ’ল দিওয়ানা বেতাব।
বে–খুদীতে মশ্‌গুল্‌ আমি তেমনি মোর খোদার তরে।।

পরান হরিয়া ছিলে পাশরিয়া

বাণী

পুরুষ 	: 	পরান হরিয়া ছিলে পাশরিয়া
		কেমনে প্রিয়া আনন্দে (হায়)।
স্ত্রী 	: 	হায় ছিনু কি যেন স্বপনে মগ্না,
পুরুষ 	: 	হায় আজি হবে কি এ কণ্ঠলগ্না,
স্ত্রী 	: 	না — না — 
পুরুষ	 : 	হায় ফুল ফুটবে নাকি এ বসন্তে,
স্ত্রী 	: 	না — না — 
উভয়ে 	: 	হায় বাঁশরি বাজে ব্যাকুল ছন্দে,
		ফুল জাগানো হাওয়ার সাথে।
পুরুষ 	: 	মালঞ্চে পাপিয়া উঠিছে ডাকয়িা
স্ত্রী 	: 	বিরহিণী হিয়া উঠিছে কাঁপিয়া,
পুরুষ 	: 	হৃদয় চাপিয়া থেকো না আর
		খোল গো মনের দ্বার
স্ত্রী 	: 	মুখে আসে না বুকের ভাষা,
		ওগো কেমনে জানাই ভালোবাসা 
পুরুষ 	: 	প্রেমের দরিয়া ওঠে উছলিয়া
স্ত্রী 	: 	কে করে সে-প্রেমের আশা
পুরুষ 	: 	চাও — চাও — 
স্ত্রী 	: 	যাও — যাও — 
উভয়ে 	: 	খেলিব দুজনে মানে অভিমানে
			এমনি মধুর দ্বন্দ্বে (হায়)।।