বাণী
ইন্দ্রজিৎ মোর নাম, জানে দেবকুল। নর ও বানর আজ করিব নিরমূল ॥ ঐ দেখি শ্রীরাম পাশেতে লক্ষ্মণ। খুরপার্শ্ব অর্ধচন্দ্র, মারিব এখন
লেটো গানঃ ‘মেঘনাদ বধ’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
ইন্দ্রজিৎ মোর নাম, জানে দেবকুল। নর ও বানর আজ করিব নিরমূল ॥ ঐ দেখি শ্রীরাম পাশেতে লক্ষ্মণ। খুরপার্শ্ব অর্ধচন্দ্র, মারিব এখন
লেটো গানঃ ‘মেঘনাদ বধ’
রাগঃ
তালঃ
বলেছিলে তুমি ভালোবাস মোরে, মোর হাতখানি ধ’রে। সেই দুটি কথা ভুলিতে পারি না, নিশিদিন মনে পড়ে।। সেই কথা যবে মনে জাগে সারা দেহে শিহরণ লাগে, মোর হৃদয়ের পুষ্পাঞ্জলি অশ্রু হইয়া ঝরে।। পথ চেয়ে থাকি’ মনে মনে ডাকি, তেমনি সন্ধ্যা হল, সেদিন যে কথা বলেছিলে বঁধু, আবার সে কথা বল। প্রিয় সেদিনের মত এসে মোর হাত ধর ভালোবেসে, হের ছিন্নলতার মত সেই হাত প’ড়ে আছে অনাদরে।।
রাগঃ
তালঃ
ভক্ত নরের কাছে হে নারায়ণ চিরদিন আজ হারি তাই তো তোমায় নামায়েছি ব্রজে গোলক হইতে কাড়ি।। চতুর্ভুজের দ্বিভুজ হরিয়া বেঁধেছি যশোদা দুলাল করিয়া বনমালা পীত বসন পরিয়া হয়েছ ময়ূর মুকুটধারী।। রাঙা পায়ে তব নূপুর পরায়ে নাচায়েছি পথ মাঝে হাতে দিয়ে বেণু সাথে দিয়ে ধেণু সাজানু গোপাল সাজে। ভগবান বলে মোরা না ধেয়াই চোর কপট নিঠুর বলি তাই সুমধুর গালি দিয়েছি কানাই বামে দিয়ে রাধা প্যারী।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ওরে আমার চটি আমার ঠনঠনিয়ার চটি যাত্রা শুনতে কাহার সাথে গেলি তুই পালটি।। মোর শ্রীচরণ ভরসা গেলি কাহার পায়ে গ'লে তুই দু'বছর পায়ে ছিলি তোরে জানতাম সতী ব'লে তুই কাহার গোদা চরণ দেখে গেলি শেষে পটি'। তোরে নিয়ে গেছেন যিনি তার চটিখানি ফেলে এ চটি তো নয় রামচটিতং আছেন বদন মেলে' সদা আছেন বদন মেলে', যেন অষ্টাবক্র বেঁকে হয়ে গিয়েছেন ঠিক আঁশবঁটি বেঁকে হয়েছেন আঁশবঁটি।। চটি কেন তোরে রাখিনিকো বগল-দাবা ক'রে বুঝি এতক্ষণ সে ফাটিয়ে তোরে ফেলেছে পা' ভ'রে শেষে আস্তাকুড়েঁ দেছে ফেলে সে যে হয়তো চটিমটি'।। আমি ভাবি, এ তার পায়ের জুতো না তার গায়ের নিমা আমারচটির পাশে ইনি ঠিক যেন দিদি মা ওরে চটি রে তোর দিদি হলেও চলতো মোটামুটি তুই চটপটিয়ে আয় চ'লে নয় সত্যি যা'ব চটি'।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

মম বন-ভবনে ঝুলন দোলনা দে দুলায়ে উতল পবনে মেঘ-দোলা দুলে বাদল গগনে।। আয় ব্রজের ঝিয়ারি পরি' সুনীল শাড়ি নীল কমল কুঁড়ি দুলায়ে শ্রবণে।। নবীন ধানের মঞ্জরি কর্ণে তপ্ত বক্ষ ঢাকি' শ্যামল পর্ণে ওড়না ছুপায়ে রাঙা রামধনু বর্ণে আয় প্রেম-কুমারীরা আয় লো, উদাসী বাঁশীর সুরে ডাকে শ্যামরায় লো। ঝরিবে আকাশে অবিরল বৃষ্টি শ্যাম-সখা সাথে হবে শুভ-দৃষ্টি এই ঝুলনের মধু-লগনে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

নমঃ নমঃ নমো বাঙলাদেশ মম চির মনোরম চির মধুর বুকে নিরবধি বহে শত নদী চরণে জলধির বাজে নূপুর।। গ্রীষ্মে নাচে বামা কালবোশেখি ঝড়ে সহসা বরষাতে কাঁদিয়া ভেঙ্গে পড়ে শরতে হেসে চলে শেফালিকা-তলে গাহিয়া আগমনী গীতি বিধুর।। হরিত অঞ্চল হেমন্তে দুলায়ে ফেরে সে মাঠে মাঠে শিশির ভেজা পায়ে শীতের অলস বেলা পাতা ঝরারি খেলা ফাগুনে পরে সাজ ফুল-বধূর।। এই দেশের মাটি জল ও ফুলে ফলে যে রস যে সুধা নাহি ভূমণ্ডলে এই মায়েরি বুকে হেসে খেলে সুখে ঘুমাবো এই বুকে স্বপ্নাতুর।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
