
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

বিষ্ণুসহ ভৈরব অপরূপ মধুর মিলন শম্ভু মাধব। দক্ষিণে শঙ্কর শ্রীহরি বামে, মিলিয়াছে যেন রে কানু বলরামে দেখি এক সাথে যেন দেখি রে স্বয়ম্ভু কেশব।। বিমল চেতনা আনন্দ মদন শিব-নারায়ণের যুগল মিলন, এক সাথে ব্রজধাম শিবলোকে অরূপ স্বরূপ নেহারি চোখে — শোন্ রে একসাথে বেণূকার প্রণব।।
রাগঃ বিষ্ণু-ভৈরব
তালঃ
আজ যুগের পরে ঘরে১ ফিরে মায়ের কথা পড়লো মনে। শূন্য ঘরে মন বসে না গুমরে মরে হিয়ার বনে।। আজো সে ঘর সবাই আছে, মা কেবলই নেই গো কাছে, — ঐ দাওয়া আর ঐ কানাচে আজো মায়ের স্বরটি রনে।। যত্ন কারুর সইতে নারি, কণ্ঠ ছিঁড়ে কান্না আসে; ওষ্ঠ চেপে যায় না রাখা, রূপ যে তোমার চক্ষে ভাসে! পাইনি মাগো সাতটি বরষ একটুকু ক্ষীণ স্নেহের পরশ, — (ও মা) ‘বুনো’ তোমার হ’ল না বশ চল্লো ফিরে ফের বিজনে। হার্লো স্নেহ বাঁধন-হারার বাঁধ্তে নিয়ে ডোর-সৃজনে।।
১. ঘরকে
রাগঃ পূরবী
তালঃ মধ্যমান
তোমার বাণীরে করিনি গ্রহণ ক্ষমা কর হজরত। মোরা ভুলিয়া গিয়াছি তব আদর্শ, তোমারি দেখানো পথ ॥ বিলাস-বিভব দলিয়াছ পায় ধূলি সম তুমি, প্রভু, তুমি চাহ নাই আমরা হইব বাদশা-নবাব কভু। এই ধরণীর ধন-সম্ভার - সকলেরি তাহে সম অধিকার; তুমি বলেছিলে ধরণীতে সবে সমান পুত্র-বৎ ॥ প্রভু তোমার ধর্মে অবিশ্বাসীরে তুমি ঘৃণা নাহি ক’রে আপনি তাদের করিয়াছ সেবা ঠাঁই দিয়ে নিজ ঘরে। ভিন্ ধর্মীর পূজা-মন্দির, ভাঙিতে আদেশ দাওনি, হে বীর, প্রভু আমরা আজিকে সহ্য করিতে পারিনে’ক পর-মত ॥ তুমি চাহ নাই ধর্মের নামে গ্লানিকর হানাহানি, তলোয়ার তুমি দাও নাই হাতে, দিয়াছ অমর বাণী। মোরা ভুলে গিয়ে তব উদারতা সার করিয়াছি ধর্মন্ধতা, বেহেশ্ত্ হ’তে ঝরে নাকো আর তাই তব রহমত ॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

সর্ব প্রথমে বন্দনা গাই তোমারই ওগো বারিতালা। তারপরে দরুদ পড়ি মোহাম্মদ সাল্লে আলা।। সকল পীর আর দেবতা-কুলে সকল গুরুর চরণ-মূলে, জানাই সালাম হস্ত তুলে দোওয়া কর তোমরা সবে, হয় যেন গো মুখ উজালা। সর্ব প্রথমে বন্দনা গাই তোমারই ওগো খোদাতা’লা।।
রাগঃ
তালঃ
সখি, সেই ত পুষ্প-শোভিতা হ’ল আবার মাধবীলতা। মাধবী চাঁদ উঠেছে আকাশে, আমার মাধব কোথা। রাধা আজ নিরাধারা সখি রাধামাধব কোথা। মধুপ গুঞ্জরে মালতী-বিতানে, নূপুর-গুঞ্জরণ নাহি শুনি কানে। মোর মনো-মধুবনে মধুপ কানু কই – আনন্দ-রাস নাই – রাসবিহারী নাই, আমি আর রাধা নই। সখি পূর্ণ রাসে আমি জনম লভিয়া পুষ্প আহরণ তরে, কৃষ্ণ-পূজার লাগি পুষ্প আহরণ তরে ধেয়েছিনু বনে অনুরাগ ভরে, বৃন্দাবনচারী কৃষ্ণে না পেয়ে, রাধা কাঁদে ব্রজ-পথে ধেয়ে ধেয়ে – ‘প্রাণবল্লভ আমার কই গো, সখি আমায় বলে দে গো।’ রাধা হ’ল আজি অশ্রুর ধারা কৃষ্ঞ-আনন্দিনী রাধা বিনোদিনী কবে হবে শ্রীকৃষ্ণ-হারা।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

রূপের দীপালি-উৎসব আমি দেখেছি তোমার নয়ন অঙ্গে। শথ ফুলশর মুরছায় প্রিয়া, তোমার নয়ন-ভঙ্গে।। যে আঁখি পরম সুন্দরে দেখিয়াছে সেই আঁখি কাঁদে তোমার পায়ের কাছে, দেখেছে সে-আঁখি, বিশ্ব দুলিছে তোমার রূপ-তরঙ্গে।। তোমারে দেখিতে আমার আকাশ আনত হইয়া কাঁদে, (তব) মণিহার হ’তে বিবাদ করে গো কোটি গ্রহ তারা চাঁদে। তুমি দেখিতে যদি গো আপন রূপের আলো আমারে ভুলিয়া নিজেরে বাসিতে ভালো, তোমারে আড়াল করিয়া গো তাই ছায়া-সম ফিরি সঙ্গে।।
রাগঃ
তালঃ
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan