বাণী
তোমার বীণার মূর্ছনাতে বাজাও আমার বাণী। তোমার সুরে শোনাও আমার গানের আধেকখানি।। শুনব শুধু তোমার কথা এবার আমার নীরবতা, আমার সুরের ছবি আঁকুক তোমার পদ্মপাণি।।
রাগ ও তাল
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ ত্রিতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

তোমার বীণার মূর্ছনাতে বাজাও আমার বাণী। তোমার সুরে শোনাও আমার গানের আধেকখানি।। শুনব শুধু তোমার কথা এবার আমার নীরবতা, আমার সুরের ছবি আঁকুক তোমার পদ্মপাণি।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ ত্রিতাল

আল্লাতে যার পূর্ণ ঈমান কোথা সে মুসলমান কোথা সে আরিফ অভেদ যাহার জীবন মৃত্যু জ্ঞান।। (যাঁর) মুখে শুনি তৌহিদের কালাম — ভয়ে মৃত্যুও করিত সালাম। যাঁর দীন দীন রবে কাঁপিত দুনিয়া জীন পরি ইনসান্।। স্ত্রী পুত্রে আল্লারে সঁপি জেহাদে যে নির্ভীক। হেসে কোরবানি দিত প্রাণ হায় আজ তারা মাগে ভিখ্। কোথা সে শিক্ষা আল্লাহ্ ছাড়া, ত্রিভুবনে ভয় করিত না যাঁরা। আজাদ করিতে এসেছিল যাঁরা সাথে লয়ে কোর্আন্।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ঝর ঝর বারি ঝরে অম্বর ব্যাপিয়া এসো এসো মেঘমালা প্রিয়া প্রিয়া।। দূরে থেকো না এই শ্রাবণ নিশীথে কাঁদে তব তরে পিয়াসি হিয়া।। বিজলি খুঁজে ফেরে সুদূর আকাশে হৃদয়ে কাঁদে প্রেম পাপিয়া পিয়া।।
রাগঃ শুদ্ধ সারং
তালঃ ত্রিতাল

আর কত দুখ্ দেবে, বল মাধব বল বল মাধব বল। দুখ্ দিয়ে যদি সুখ পাও তুমি কেন আঁখি ছলছল॥ তব শ্রীচরণ তলে আমি চাহি ঠাঁই, তুমি কেন ঠেল বাহিরে সদাই; আমি কি এতই ভার এ জগতে যে, পাষাণ তুমিও টল॥ ক্ষুদ্র মানুষ অপরাধ ভোলে তুমি নাকি ভগবান, তোমার চেয়ে কি পাপ বেশি হ’ল (মোরে) দিলে না চরণে স্থান। হে নারায়ণ! আমি নারায়ণী সেনা, মোরে কুরুকুল দিতে ব্যথা কি বাজে না, (যদি) চার হাতে মেরে সাধ নাহি মেটে দু’চরণ দিয়ে দ’ল॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
১.

২.

আমি অগ্নি-শিখা, মোরে বাসিয়া ভালো। যদি চাও, তব অন্তরে প্রদীপ জ্বালো।। মোর দহন-জ্বালা র’বে আমারি বুকে, তব তিমির রাতে হ’ব রঙিন আলো।। হ’ব তোমার প্রেমে নব উদয়-রবি, আমি মুছাব প্রাণের তব বিষাদ-কালো।। ল’য়ে বহ্নি-দাহ, প্রিয়! করো না খেলা, কবে লাগিবে আগুন, হায়! ভাঙিবে মেলা। শেষে আমার মতো কেন মরিবে জ্ব’লে, তুমি মেঘের মায়া, শুধু সলিল ঢালো।। মোরে আঁচলে ঢেকে’ তুমি বাঁচালে ঝড়ে, আজ তুমিই আবার তা’রে নিভায়ো না লো।।
রাগঃ
তালঃ
তোমাদের দান, তোমাদের বাণী পূর্ণ করিল অন্তর। তোমাদের রস-ধারায় সিনানি’ হ’ল তনু শুচি-সুন্দর।। শান্ত উদার আকাশের ভাষা মলিন মর্তে অমৃত পিপাসা, দিলে আনি’, দিলে অভিনব আশা — গগন-পবন-সঞ্চর।। বুলায়ে মায়ার অঞ্জন চোখে ল’য়ে গেলে দূর কল্পনা-লোকে, রাঙাল কানন পলাশে অশোকে — তোমাদের-মায়া-মন্তর।। ফিরদৌসের পথ-ভোলা পাখি আনন্দ-লোকে গেলে সবে ডাকি’, ধূলি-ম্লান মন গেলে রঙে মাখি’ — ছানিয়া সুনীল অম্বর।।
রাগঃ দেশ
তালঃ একতাল