এসো প্রিয় মন রাঙায়ে

বাণী

এসো প্রিয়, মন রাঙায়ে ধীরে ধীরে ঘুম ভাঙায়ে
মন মাধবী বন দুলায়ে, দুলায়ে, দুলায়ে।।
শোন ‘পিউ পিউ’ ডাকে পাপিয়া
মোরে সেই সুরে ডাক ‘পিয়া, পিয়া’
তব আদর-পরশ বুলায়ে, বুলায়ে, বুলায়ে।।
	যদি আন কাজে ভুলে রহি
	চলে যেও না হে মোর বিরহী
দিও প্রিয়, কাজ ভুলায়ে, ভুলায়ে, ভুলায়ে।।

জাগো বনলক্ষ্মী জোছনা বিগলিত

বাণী

জাগো বনলক্ষ্মী! জোছনা বিগলিত চৈতালি নিশীথে।
রাঙাও দশদিশি লজ্জা-অরুণ রূপ-সজ্জায় বনশ্রীতে।।
	তব আলোছায়ার ডুরে শাড়ির আঁচল
	লুটাক বকুল তলে সুখ-বিহ্বল,
তব লতা কবরী হের পুষ্প ভারে হ’ল —
	অবনমিতা অগ্নি অসম্বৃতে।।
পর গিরি-ঝর্নার শতনরী হার হে বনলক্ষ্মী!
বিহর-শীর্ণা দেহে (নব যৌবনের) জাগুক জোয়ার হে বনলক্ষ্মী!
	ঝংকৃত হোক বনভূমি নিঝ্ঝুম
	পুষ্পিত মাধবীর পর কঙ্কণ,
আলতা পর কলি পলাশ রঙ্গন — ভ্রমর-গুঞ্জন-নূপুর-গীতে।।

১. বিহগিত

নাটক : ‘মধুমালা’ (বন-বালিকাদের গান)

সোনার মেয়ে! সোনার মেয়ে

বাণী

সোনার মেয়ে! সোনার মেয়ে!
তোমার রূপের মায়ায় আমার নয়ন- ভুবন গেল ছেয়ে'।।
	ঝরে তোমার রূপের ধারা—
	চন্দ্র জাগে তন্দ্রাহারা,
আকাশ-ভরা হাজার তারা তোমার মুখে আছে চেয়ে'।।
	কোন গ্রহ-লোক ব্যথায় ভ'রে
	কোন অমরা শূন্য ক'রে
(ওগো) রাখলে চরণ ধরার পরে রঙ-সায়রের রঙের নেয়ে।
	শিল্পী আকেঁ তোমার ছবি
	তোমারি গান গাহে কবি
নিশীথিনী হারিয়ে রবি চাঁদ হাতে পায় তোমায় পেয়ে।।

বরের বেশে আসবে জানি

বাণী

বরের বেশে আসবে জানি আজ মম সুন্দর।
পার হ’য়ে দূর বিরহ-লোক বহু যুগের পর।।
	আসে সে ঐ চুপে চুপে
	আমার মধুর মরণ রূপে
আর সে ছেড়ে যাবে না গো আমার-ঘর।।

নাটকঃ ‘লায়লী-মজনু’

মিলন-গোধূলি রাঙা হয়ে এলো

বাণী

মিলন-গোধূলি রাঙা হয়ে এলো ঐ সোনার গগনময়।
দাও আশিস অভয়, হে দেব জ্যোতির্ময়।।
	মিলিল আবার দুইটি প্রাণ
	কত যুগ পরে, হে ভগবান
সার্থক কর, হে মনোহর, এ মিলন অক্ষয়
যেন চির-সুখী হয়, হে দেব জ্যেতির্ময়।।

নাটিকাঃ ‌‘পুতুলের বিয়ে’

আমার হৃদয় মন্দিরে ঘুমায় গিরিধারী

বাণী

আমার হৃদয় মন্দিরে ঘুমায় গিরিধারী।
জাগে আমার জাগ্রত প্রেম দুয়ারে তার দ্বারী ॥
	কানু আমার বুকে ঘুমায় -
	ভক্তি জেগে চামর ঝুলায়,
শিয়রে দীপ আমার আঁখি, প্রীতি দাসী তারি ॥
চোরের মত মোর গুরুজন ঘুরুক কাছে কাছে -
আমি তাদের ভয় করিনে, (আমার) প্রেম যে জেগে আছে।
	আধেক রাতে নিরালাতে
	জাগবে হরি, ধরবে হাতে,
ওগো ধ্যান করে গো সেই আশাতে এ প্রাণ রাধা-প্যারী ॥