বাণী
কেন বারে বারে আমি এসে’ ফিরে যাই তাহারি দুয়ারে। পাষাণ ভাঙ্গিয়া বহিবে গো কবে নির্ঝর শত ধারে।। পাষাণে গঠিত দেবতা বলিয়া গলে না হিয়া হায়, বৃথা বেদীতলে কুসুম শুকায় দেউল আঁধারে।।
নাটক : ‘আলেয়া’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
কেন বারে বারে আমি এসে’ ফিরে যাই তাহারি দুয়ারে। পাষাণ ভাঙ্গিয়া বহিবে গো কবে নির্ঝর শত ধারে।। পাষাণে গঠিত দেবতা বলিয়া গলে না হিয়া হায়, বৃথা বেদীতলে কুসুম শুকায় দেউল আঁধারে।।
নাটক : ‘আলেয়া’
রাগঃ
তালঃ
ফিরে নাহি এলে প্রিয় ফিরে এলো বরষা। মুঞ্জরিল বনে বিরহিণী লতিকা — আমারি আশালতা হ'লো না গো সরসা।।
রাগঃ নটমল্লার
তালঃ ত্রিতাল

ছল্কে গাগরি গোরী ধীরে ধীরে যাও, পলকে পরান নিতে বারেক ফিরে চাও।। যৌবন-ভার-নত ক্ষীণ তনু সহে কত, পরানের বিনিময়ে তব ভার মোরে দাও।। ঝলকে বিজলি-জ্বালা মদির নয়ন তলে পতঙ্গ পোড়ে অনলে তবু সে পড়ে না জলে, নয়নে চাহিয়া দহি, নয়ন ফিরায়ে দাও।।
রাগঃ পিলু-বারোয়াঁ
তালঃ কাহার্বা

প্রাণে জাগে হিন্দোল গানে জাগে হিল্লোল, প্রেমের চামেলি বনে জাগিল মুকুল্। মনের গোপন রাগে রঙিন স্বপন জাগে, ফুল-ভরা গুল্বাগে বুলে বুল্বুল্।। রূপে ধরা ঝলমল্ রসে ভরা টলমল্, ঢলো ঢলো অনুরাগে আঁখি ঢুলুঢুল্। পাপিয়ার কলগানে কোকিলের কুহুতানে, যৌবনে মৌবনে দিল্ মস্গুল।।
রেকর্ড নাটিকাঃ কাফন-চোরা
রাগঃ হিন্দোল মিশ্র
তালঃ ত্রিতাল

কেন কাঁদে পরান কি বেদনায় কারে কহি। সদা কাঁপে ভীরু হিয়া রহি’ রহি’।। সে থাকে নীল নভে আমি নয়ন-জল-সায়রে সাতাশ তারার সতীন-সাথে সে যে ঘুরে মরে কেমনে ধরি সে চাঁদে রাহু নহি।। কাজল করি’ যারে রাখি গো আঁখি-পাতে স্বপনে যায় সে ধুয়ে গোপনে অশ্রু-সাথে। বুকে তায় মালা করি’ রাখিলে যায় সে চুরি বাঁধিলে বলয়-সাথে মলয়ায় যায় সে উড়ি’ কি দিয়ে সে উদাসীর মন মোহি’।।
রাগঃ মিশ্র বেহাগ-তিলককামোদ-খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা
১.

২.

মোহররমের চাঁদ এলো ঐ কাঁদাতে ফের দুনিয়ায়। ওয়া হোসেনা ওয়া হোসেনা তারি মাতম শোনা যায়।। কাঁদিয়া জয়নাল আবেদীন বেহোশ হল কারবালায় বেহেশ্তে লুটিয়ে কাঁদে আলী ও মা ফাতেমায়।। কাশেমের ঐ লাশ লয়ে কাঁদে বিবি সাকিনা। আস্গরের ঐ কচি বুকে তীর দেখে কাঁদে খোদায়।। কাঁদে বিশ্বের মুসলিম আজি গাহে তারি মর্সিয়া। ঝরে হাজার বছর ধরে অশ্রু তারি শোকে হায়।।
রাগঃ জয়জয়ন্তী মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
