বাণী
বনে বনে দোলা লাগে। মনে মনে দোলা লাগে দখিনা-সমীর জাগে।। একি এ বেদনা লয়ে ফুটিল কুসুম হৃদয়ে আবেশে পুলকে ভয়ে না-জানা পরশ মাগে।। কিশোর হৃদয় পুটে অশোক রঙিন ফোটে কপোল রাঙিয়া ওঠে অতনুর অনুরাগে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ ছায়ানট
তালঃ দাদ্রা
ভিডিও
স্বরলিপি

বনে বনে দোলা লাগে। মনে মনে দোলা লাগে দখিনা-সমীর জাগে।। একি এ বেদনা লয়ে ফুটিল কুসুম হৃদয়ে আবেশে পুলকে ভয়ে না-জানা পরশ মাগে।। কিশোর হৃদয় পুটে অশোক রঙিন ফোটে কপোল রাঙিয়া ওঠে অতনুর অনুরাগে।।
রাগঃ ছায়ানট
তালঃ দাদ্রা

মেঘ মেদুর বরষায় কোথা তুমি ফুল ছাড়ায়ে কাঁদে বনভূমি।। ঝুরে বারিধারা ফিরে এসো পথহারা কাঁদে নদী তট চুমি’।।
রাগঃ জয়জয়ন্তী
তালঃ ত্রিতাল

আনো আনো অমৃত বারি। পিপাসিত চিত্তের তৃষ্ণা নিবারি।। আনো নন্দন হতে পারিজাত-কেশর তীর্থ-সলিল আনো ভরি’ মঙ্গল-হেম-ঝারি।। প্রখর সূর্যকরে দহিছে দিগন্তর, মন্দাকিনী-ধারা সঞ্জীবনী আনো নারী।।
রাগঃ বৃন্দাবনী সারং
তালঃ ত্রিতাল

চাঁদিনী রাতে কানন-সভাতে আপন হাতে গাঁথিলে মালা। সয়েছি বুকে নিবিড় সুখে তোমারি হাতের সূচিব জ্বালা।। আজিও জাগে লোহিত রাগে রঙিন গোলাবে তাহারি ব্যথা তব ও গলে দুলিব ব’লে দিয়েছি কুলে কলঙ্ক-কালা ।। যদি ও গলে নেবে না তুলে কেন বধিলে ফুলের পরান অভিমানে হায় মালা যে শুকায় ঝ’রে ঝ’রে যায় লাজে নিরালা।।
নাটকঃ‘আলেয়া’
রাগঃ সিন্ধু-ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা

কেমনে কহি প্রিয় কি ব্যথা প্রাণে বাজে কহিতে গিয়ে কেন ফিরিয়া আসি লাজে।। শরমে মরমে ম'রে গেল বনফুল ঝ'রে ভীরু মোর ভালোবাসা শুকালো মনের মাঝে।। আজিকে ঝরার আগে, নিলাজ অনুরাগে ধরিতে যে সাধ জাগে হৃদয়ে হৃদয় রাজে।।
রাগঃ পিলু-খাম্বাজ
তালঃ কাহারবা

এ জনমে মোদের মিলন হবে না আর, জানি জানি। মাঝে সাগর, এপার ওপার করি মোরা কানাকানি।। দুজনে দুকূলে থাকি’ কাঁদি মোরা চখা-চখি, বিরহের রাত পোহায় না আর বুকে শুকায় বুকের বাণী।। মোদের পূজা আরতি হায় চোখের জলে, গহন ব্যথায়, মোদের বুকে বাজায় বীণা বেদনারি বীণাপাণি।। হেথায় মিলন-রাতের মালা ম্লান হয়ে যায় প্রভাত বেলা, সকালে যার তরে কাঁদি, বিকালে তায় হেলাফেলা। মোদের এ প্রেম-ফুল না শুকায় নিঠুর হাতে কঠোর ছোঁওয়ায়, ব্যথার মাঝে চির-অমর মোদের মিলন-কুসুমদানি।।
রাগঃ পিলু মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
