কেঁদে কেঁদে নিশি হল ভোর

বাণী

কেঁদে কেঁদে নিশি হল ভোর।
মিটিল না সাধ উঠিল না চাঁদ ফিরিল কেঁদে চকোর।।
	শিয়রে দীপ নিভিয়া আসে
	ভোরের বাতাস কাঁদে হতাশে,
মালার ফুল ঝরে নিরাশে — যেন মোর আঁখি লোর।।
	আমার নয়নে নয়ন রাখি’
	চাহে শুকতারা ছলছল আঁখি,
পাপিয়ার সনে পিয়া পিয়া ডাকি — এসো এসো চিতচোর।।

কেন রঙীন নেশায় মোরে রাঙালে

বাণী

কেন রঙীন নেশায় মোরে রাঙালে
কেন সহজ ছন্দে যতি ভাঙালে।।
শীর্ণা তনুর মোর তটিনীতে কেন
আনিলে ফেনিল জল-উচ্ছ্বাস হেন,
পাতাল-তলের ক্ষুধা মাতাল এ যৌবন —
		মদির-পরশে কেন জাগালে।।

নাটক : ‘আলেয়া’ (মাদালসার গান)

বেদনার পারাবার করে হাহাকার

বাণী

বেদনার পারাবার করে হাহাকার
তোমার আমার মাঝে হে প্রিয়তম।
অনন্ত এই বিরহের নাহি পার,
হবে না মিলন আর এ জনম।।
এই বুঝি হায়, বিধির লিখন
দু’কূলে থাকি’ কাঁদিব দু’জন
রাতের চখা-চখীর সম।।
বাতায়নে জ্বালি’ আশা-দীপ
চাহিব তোমার আসার পথে
বিফল মালার মলিন কুসুম
ভাসাব নদীর ভাটীর স্রোতে।
নিশুতি রাতের তারার চোখে,
দলিত ফুলে ঝরা-কোরকে
খুঁজিও আমায় ফিরিয়া যদি
আসি এ-ঘরে প্রিয় মম।।

১. আস হে কভু হে বন্ধু মম

তুমি কেন এলে পথে

বাণী

তুমি কেন এলে পথে
ঝরা মল্লিকা ভাসাইতেছিনু
	একাকিনী নদী-স্রোতে।।
কলসি আমার অলস খেলায়
ধীর তরঙ্গে যদি ভেসে' যায়
তীরে সে কলসি তুলে' আনো তুমি
	কেন নদী' জল হ'তে।।
আমার নিরালা বনে
আমি গাঁথি হার, তুমি গান গাহি'
	ধ্যান ভাঙো অকারণে।
আমি মুখ হেরি' আরশিতে একা
তুমি সে মুকুরে কেন দাও দেখা
	বাতায়নে চাহি' তুমি কেন হাসো
	আসিয়া চাঁদের রথে।।

আসিবে তুমি জানি প্রিয়

বাণী

আসিবে তুমি, জানি প্রিয়!
আনন্দে বনে বসন্ত এলো —
ভুবন হ’ল সরসা প্রিয়–দরশা, মনোহর।।
বনান্তে পবন অশান্ত হ’ল তাই, কোকিল কুহরে,
ঝরে গিরি–নির্ঝরিণী ঝর ঝর।।
ফুল্ল–যামিনী আজি ফুল–সুবাসে
চন্দ্র অতন্দ্র সুনীল আকাশে,
আনন্দিত দীপান্বিত অম্বর।।
অধীর সমীরে দিগঞ্চল দোলে
মালতী বিতানে পাখি পিউ পিউ বোলে,
অঙ্গে অপরূপ ছন্দ আনন্দ–লহর তোলে;
দিকে দিকে শুনি আজ আসিবে রাজাধিরাজ প্রিয়তম সুন্দর।।

ঐ ঐ ঐ আসে কর্ণ কৌরব সেনানী

বাণী

ঐ, ঐ, ঐ আসে কর্ণ কৌরব সেনানী।
মহাবীর ভীষ্ম গেছে, দ্রোণ গেছে জানি।
কর্ণে বধিতে হবে, কুরুক্ষেত্র রণে।
তারপর বধিব মোরা নীচ দুযোর্ধনে।।

লেটো গান: ‘কর্ণ বধ’