সো’জা সো’জা সো’জা জগ নরনারী

বাণী

সো’জা সো’জা সো’জা জগ নরনারী
বাদল গ্যর‍্যজো বিজলি চ্যম্যকে
র‍্যজ্যনী হো রহ্ আঁধিয়ারী।।

নাটিকাঃ ‘জন্মষ্টমী’

তোমার বীণার মূর্ছনাতে বাজাও

বাণী

তোমার বীণার মূর্ছনাতে বাজাও আমার বাণী।
তোমার সুরে শোনাও আমার গানের আধেকখানি।।
	শুনব শুধু তোমার কথা
	এবার আমার নীরবতা,
আমার সুরের ছবি আঁকুক তোমার পদ্মপাণি।।

সাঁঝের আঁচলে রহিল হে প্রিয় ঢাকা

বাণী

সাঁঝের আঁচলে রহিল হে প্রিয় ঢাকা।
ফুলগুলি মোর বেদনার রং মাখা।।
		আসিবে যখন ফিরে
		আবার এ মন্দিরে,
চরণে দলিও আলপনা মোর অশ্রুর জলে আঁকা।।
বিরহ-মলিন বন-তুলসীর শুকানো মালিকাখানি,
ফেলিবার আগে ধন্য করিও একটু পরশ দানি’।
		যেতে এই পথ ’পরে
		যদি মোরে মনে পড়ে,
যমুনার জলে ভাসাইয়া দিও একটি মাধবী শাখা।।

দৃষ্টিতে আর হয় না সৃষ্টি

বাণী

দৃষ্টিতে আর হয় না সৃষ্টি আগের মত গোলাপ ফুল।
কথায় সুরে ফুল ফুটাতাম, হয় না এখন আর সে-ভুল।।
	বাসি হাসির মালা নিয়ে
	কি হবে নওরোজে গিয়ে,
চাঁদ না দেখে আঁধার রাতি বাঁধে কি গো এলোচুল।।
	আজো দখিন হাওয়ায় ফাগুন আনে
	বুল্‌বুলি নাই গুলিস্তানে,
দোলে না আর চাঁদকে দেখে’ বনে দোলন-চাঁপার দুল্‌।।
	কী হারালো! নাই কি যেন
	মন হয়েছে এমন কেন,
কোন্ নিদয়ের পরশ লেগে’ হয় না হৃদয় আর ব্যাকুল।।

হেমন্তিকা এসো এসো হিমেল শীতল বন-তলে

বাণী

হেমন্তিকা এসো এসো হিমেল শীতল বন-তলে
শুভ্র পূজারিণী বেশে কুন্দ-করবী-মালা গলে।।
	প্রভাত শিশির নীরে নাহি'
	এসো বলাকার তরণী বাহি'
সারস মরাল সাথে গাহি' চরণ রাখি' শতদলে।।
ভরা নদীর কূলে কূলে চাহিছে সচকিতা চখি —
মানস-সরোবর হ'তে-অলক -লক্ষ্মী এলো কি?
	আমন ধানের ক্ষেতে জাগে
	হিল্লোল তব অনুরাগে,
তব চরণের রঙ লাগে কুমুদে রাঙা কমলে।।

পথ-ভোলা কোন্‌ রাখাল ছেলে

বাণী

	পথ-ভোলা কোন্‌ রাখাল ছেলে।
সে	এক্‌লা বাটে শূন্য মাঠে
		খেলে বেড়ায় বাঁশি ফেলে’।।
কভু	সাঁঝ-গগনে উদাস মনে
		চাহিয়া হেরে গো কারে,
হেরে	তারার উদয়, কভু চেয়ে রয়,
		সুদূর বন-কিনারে।
হেরে	সাঁঝের পাখি ফিরে গো যখন
		নীড়ের পানে পাখা মেলে’।।
তা’র	ধেনু ফিরে যায় গ্রামের পানে,
		আনমনে সে বসিয়া থাকে,
ঐ	সন্ধ্যাতারার দীপ যে জ্বালায়
		সে যেন কোথায় দেখেছে তাকে।
তার	নূপুর লুটায় পথের ধূলায়
		সে ফিরে নাহি চায়, কাহারে খোঁজে,
দূর	চাঁদের ভেলায় মেঘ-পরী যায়
		সে যেন তার ইশারা বোঝে।
সে	চির-উদাসী পথে ফেরে হায়
		সকল সুখে আগুন জ্বেলে।।