বাণী
আমি আলোর শিখা ফুটাই আঁধার ভবনে দীপ-কলিকা।। নিশ্চল পথে আমি আনন্দ-ছন্দ অন্ধ আকাশে আমি রবি-তারা-চন্দ আমি ম্লান মুখে আনি রূপ-কণিকা।।
নাটকঃ ‘সিরাজদ্দৌলা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
ভিডিও
স্বরলিপি

আমি আলোর শিখা ফুটাই আঁধার ভবনে দীপ-কলিকা।। নিশ্চল পথে আমি আনন্দ-ছন্দ অন্ধ আকাশে আমি রবি-তারা-চন্দ আমি ম্লান মুখে আনি রূপ-কণিকা।।
নাটকঃ ‘সিরাজদ্দৌলা’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আমার কালিবাঞ্ছা কল্পতরুর ছায়াতলে আয় রে, এই তরুতলে যে যাহা চায় তখনি তা পায় রে॥ তুই চতুর্বর্গ ফল কুড়াবি যোগ পাবি, ভোগ পাবি এমন কল্পতরু থাকতে - কেন মরিস্ নিরাশায় রে॥ দস্যু ছেলের আবদারে সে সাজে ডাকাত কালির বেশে, কত রামপ্রসাদের কন্যা হয়ে বেড়া বেঁধে যায় রে। ওরে পুত্র-কন্যা বিভব-রতন, চেয়ে নে যার ইচ্ছা যেমন, ওরে আমার এ মন থাকে যেন বাঞ্ছাময়ীর পায় রে॥ সে আর কিছু না চায় চেয়ে চেয়ে বাসনা তার শেষ হল না হায়! এবার খালি হাতে তালি দিয়ে (আমি) চাইব কালিকায় রে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

দিল দোলা ওগো দিল দোলা কোন দখিন হাওয়া গজল-গাওয়া কুসুম-ছাওয়া বনে। ওঠে চমকি চমকি পরান ক্ষণে ক্ষণে।। ফুল-বঁধুদের মধু যেচে' বেড়ায় হিয়া নেচে' নেচে' দেখেছিলাম স্বপনে যায় পেয়েছি তায় আজকে জাগরণে।। কুল ছাপিয়ে মন-তটিনী নটিনীর বেশে, দুলে' দুলে' যায় ভেসে'। বস-ভুষণ আজি শাসন নাহি মানে খুশির তুফানে। চাই কুঞ্জপথে ঝ'রে যেতে ঝরা ফুলের সনে।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

হায় ঝ’রে যায় মোর আশা-কুসুম বারে বারে। ফিরে যায় কেঁদে বসন্ত কুঞ্জ-দুয়ারে।। বহিল বৈশাখী ঝড়, ঝরিয়া গেল বনফুল, বিঁধিছে কণ্টক স্মৃতির, উড়িয়া গেল গো বুল্বুল্। যেন কার ব্যথিত নিশ্বাস শ্বসিয়া ফিরিছে হেথা, দলিত রাঙা গোলাপে জাগিছে তাহারি ব্যথা। মুরছায় দশ দিশি যেন ব্যথা-ভারে।। ছিল যথায় রাঙা ফুল-মেলা আজি পাতা ঝরার সেথা খেলা, অবেলায় বাজে বিদায়-বাঁশি বন-পারে।।
রাগঃ পাহাড়ি মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
আমার মালায় লাগুক তোমার মধুর হাতের ছোঁওয়া ঘিরুক তোমায় মোর আরতি পূজা-ধূপের ধোঁওয়া।। পূজায় ব'সে দেব-দেউলে তোমায় দেখি মনের ভুলে প্রিয় তুমি নিলে আমার পূজা হবে তারই লওয়া হবে দেবতারই লওয়া।। তুমি যেদিন প্রসন্ন হও ঠাকুর চাহেন হেসে কাঁদলে তুমি, বুকে আমার দেবতা কাদেঁন এসে। আমি অন্ধকারে ঠাকুর পুজে ঘরের মাঝে পেলাম খুজেঁ সে যে তুমি, আমার চির অবহেলা-সওয়া।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

একেলা গোরী জল্কে চলে গঙ্গাতীর অঙ্গে ঢুলিয়া পড়ে লালসে অলস সমীর।। কাঁকনে কলসে বাজে কত কথা পথ মাঝে আঁচল চুমিছে শিশির।। তটিনীতে চলে কি গো সোনার বরণ মায়া-মৃগ নয়নে আবেশ মদির।।
রাগঃ জৌনপুরী
তালঃ দাদ্রা
