Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

এই সুন্দর ফুল সুন্দর ফল মিঠা নদীর পানি

বাণী

এই সুন্দর ফুল সুন্দর ফল মিঠা নদীর পানি
		খোদা তোমার মেহেরবানী।
শস্য-শ্যামল ফসল-ভরা মাঠের ডালিখানি
		খোদা তোমার মেহেরবানী।।
	তুমি কতই দিলে রতন
	ভাই বেরাদর পুত্র স্বজন
ক্ষুধা পেলেই অন্ন জোগাও মানি চাই না মানি।।
খোদা তোমার হুকুম তরক করি আমি প্রতি পায়
তবু আলো দিয়ে বাতাস দিয়ে বাঁচাও এ বান্দায়।
	শ্রেষ্ঠ নবী দিলে মোরে
	তরিয়ে নিতে রোজ-হাশরে
পথ না ভুলি তাইতো দিলে পাক কোরানের বাণী।।

পথ-ভোলা কোন্‌ রাখাল ছেলে

বাণী

	পথ-ভোলা কোন্‌ রাখাল ছেলে।
সে	এক্‌লা বাটে শূন্য মাঠে
		খেলে বেড়ায় বাঁশি ফেলে’।।
কভু	সাঁঝ-গগনে উদাস মনে
		চাহিয়া হেরে গো কারে,
হেরে	তারার উদয়, কভু চেয়ে রয়,
		সুদূর বন-কিনারে।
হেরে	সাঁঝের পাখি ফিরে গো যখন
		নীড়ের পানে পাখা মেলে’।।
তা’র	ধেনু ফিরে যায় গ্রামের পানে,
		আনমনে সে বসিয়া থাকে,
ঐ	সন্ধ্যাতারার দীপ যে জ্বালায়
		সে যেন কোথায় দেখেছে তাকে।
তার	নূপুর লুটায় পথের ধূলায়
		সে ফিরে নাহি চায়, কাহারে খোঁজে,
দূর	চাঁদের ভেলায় মেঘ-পরী যায়
		সে যেন তার ইশারা বোঝে।
সে	চির-উদাসী পথে ফেরে হায়
		সকল সুখে আগুন জ্বেলে।।

মরণ ডাকে আয় রে চ’লে

বাণী

মরণ ডাকে — ‘আয় রে চ’লে!’ জীবন বলে — ‘যাই গো যাই।’
জীবনে হায় পায়নি ব’লে (আমার) মরণে তাই চাই গো চাই।।
	জীবন শুধু কাঁটায় ভরা
	তাই বুঝি সে দেয়নি ধরা,
ফুল-বিছানো কবরে তার মধুর পরশ পাই গো পাই।
মরণ-বঁধূর ডাক শুনে আর জীবনে সাধ নাই গো নাই।।

নাটকঃ ‘কাফন চোরা’

আমি চাঁদ নহি চাঁদ নহি অভিশাপ

বাণী

	আমি চাঁদ নহি, চাঁদ নহি অভিশাপ
	শূন্য হৃদয়ে আজো নিরাশায় আকাশে করি বিলাপ।।
		শত জনমের অপূর্ণ সাধ ল'য়ে
আমি	গগনে কাদিঁ গো ভুবনের চাঁদ হয়ে
	জোছনা হইয়া ঝরে গো আমার অশ্রু বিরহ-তাপ।।
	কলঙ্কহয়ে বুকে দোলে মোর তোমার স্মৃতির ছায়া
	এত জোছনায় ঢাকিতে পারিনি তোমার মধুর মায়া।
		কোন সে সাগর মন্থন শেষে মোরে
		জড়াইয়া যেন উঠেছিলে প্রেমভরে
হায়	তুমি গেছ চলে বুকে তবু দোলে তব অঙ্গের ছাপ।।

চম্পক-বরণী চলমল তরণী

বাণী

চম্পক-বরণী
চলমল তরণী,
চলে শ্যামা তরুণী
		যৌবন-গরবী।।
ডাকে দূর পারাবার
ডাকে তা’রে বন-’পার,
লালসে ঝরে তার —
		পায়ে রাঙা করবী।।
চলে বালা দুলে দুলে
এলো-খোঁপা পড়ে খুলে,
চাহে ভ্রমর কুসুম ভুলে’ —
		তনুর তার সুরভি।।
নাচের ছন্দে দোদুল
টলে তা’র চরণ চটুল,
হরিণী চায় পথ-বেভুল —
মায়া-লোক-বিহারিণী রচি’
		চলে ছায়া-ছবি।।

সখি সেই ত পুষ্প-শোভিতা হ’ল

বাণী

সখি, সেই ত পুষ্প-শোভিতা হ’ল আবার মাধবীলতা।
মাধবী চাঁদ উঠেছে আকাশে, আমার মাধব কোথা।
রাধা আজ নিরাধারা সখি রাধামাধব কোথা।
মধুপ গুঞ্জরে মালতী-বিতানে, নূপুর-গুঞ্জরণ নাহি শুনি কানে।
মোর মনো-মধুবনে মধুপ কানু কই –
আনন্দ-রাস নাই – রাসবিহারী নাই, আমি আর রাধা নই।
সখি পূর্ণ রাসে আমি জনম লভিয়া পুষ্প আহরণ তরে,
কৃষ্ণ-পূজার লাগি পুষ্প আহরণ তরে ধেয়েছিনু বনে অনুরাগ ভরে,
বৃন্দাবনচারী কৃষ্ণে না পেয়ে, রাধা কাঁদে ব্রজ-পথে ধেয়ে ধেয়ে –
‘প্রাণবল্লভ আমার কই গো, সখি আমায় বলে দে গো।’
রাধা হ’ল আজি অশ্রুর ধারা
কৃষ্ঞ-আনন্দিনী রাধা বিনোদিনী কবে হবে শ্রীকৃষ্ণ-হারা।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan