
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

এস প্রিয় আরো কাছে পাইতে হৃদয়ে এ বিরহী মন যাচে।। দেখাও প্রিয় ঘন ও রূপ মোহন যে রূপে প্রেমাবেশে পরান নাচে।।
রাগঃ দেশী
তালঃ ত্রিতাল

না মিটিতে মনোসাধ যেয়ো না হে শ্যামচাঁদ আঁধার করিয়া ব্রজধাম, সখা হে —। সোনার বরনী রাই অঙ্গে মাখিয়া ছাই দিশা নাই কাঁদে অবিরাম, সখা হে —।। অবিরাম কাঁদে রাই তারে কাঁদায় যে তারি তরে অবিরাম কাঁদে সখা হে। এখনো মাধবী-লতা কহেনি কুসুম-কথা জড়াইয়া তরুর গলে, এখনো ফোটেনি ভাষা আধ-ফুট ভালোবাসা ঢাকা লাজ পল্লব-তলে। বলা হলো না,হলো না, বুকের ভাষা মুখে বলা যে হলো না। সখা আমরা নারী, বলতে নারি! দুঃখের কথা মুখে বলতে নারি নয়ন জলে গলতে পারি তবু মুখে বলতে নারি মরণ-কোলে ঢলতে পারি সখা মুখ ফুটে তবু বলতে নারি, সখা হে — নবীন নীরদ-বরণ শ্যাম জানিতাম মোরা তখনি, ঐ করুণ সজল কাজল মেঘে থাকে গো ভীষণ অশনি। তুমি আগুন জ্বালিলে, ওহে নিরদয়! বুকে কেন আগুন জ্বালিলে। বুকে আগুন জ্বালায়ে চোখে সলিল ঢালিলে। তাহে আগুন নেভে কি? চোখেরি জলে ডুবে আগুন নেভে কি সথা হে- আগুন নেভে কি।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
১.

২.

দরিয়ায় ঘোর তুফান, পার কর নাইয়া। রজনী আঁধার ঘোর, মেঘ আসে ছাইয়া।। যাত্রী গুনাহ্গার, জীর্ণ তরুণী, অসীম পাথারে কাঁদি পথ হারাইয়া।। হে-চির কাণ্ডারী, পাপে তাপে বোঝাই তরী তুমি না করিলে পার, পার হব কেমন করি’, সুখ-দিনে ভুলে’ থাকি, বিপদে তোমারে স্মরি – ডুবাবে কি তব নাম আমারে ডুবাইয়া।। মা’র কাছে মার খেয়ে শিশু যেমন মাকে ডাকে যত দাও দুখ শোক, ডাকি ততই তোমাকে, জানি শুধু তুমি আছ, আসিবে আমার ডাকে – তোমারি এ তরী প্রভু, তুমি চল বাহিয়া।।
রাগঃ জংলা
তালঃ দাদ্রা

ইয়া মোহাম্মদ, বেহেশেত্ হতে খোদায় পাওয়ার পথ দেখাও এই দুনিয়ার দুঃখ থেকে এবার আমায় নাজাত দাও।। পীর মুর্শীদ পাইনি আমি, তাই তোমায় ডাকি দিবস-যামী, তোমারই নাম হউক হজরত আমার পরপারের নাও।। অর্থ-বিভব-যশ-সম্মান চেয়ে চেয়ে নিশিদিন দুঃখে শোকে জ্ব’লে মরি পরান কাঁদে শ্রান্তিহীন। আল্লা ছাড়া ত্রিভুবনে, শান্তি পাওয়া যায় না মনে কোথায় পাব সে আবহায়াত ইয়া নবীজী রাহ্ বাতাও।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

তুমি কে গো (কে কে কে) তুমি মোদের বন-দেবতা। আমরা বনশ্রী, তোমার পূজারিণী ধ্যান-রতা — হে বন-দেবতা।। ১মা : আমি মালতী মুকুল ২য় : আমি ব্যাকুলা বকুল ৩য়া, ৪র্থা, ৫মা : মোরা গণহীনা অশোক-পলাশ-শিমুল। ৬ষ্ঠা : আমি (আঁখি) জলের কমল ৭মা : আমি মাধবীলতা।। ৮মা : আমি গিরি-মল্লিকা ৯মা : আমি হাস্নুহানা ১০মা : আমি ছোট ডুমো ফুল, রই চির-অজানা ১১শী : আমি ঝর্নাধারা, কেঁদে কেঁদে ব’য়ে যাই। ১২শী : আমি দিনের ভাদ্র-বৌ, চাঁদের কুমুদ ১৩শী : আমি পাখির গান, বনভূমির কথা।।
নাটক : ‘মধুমালা’
রাগঃ
তালঃ
তব চলার পথে আমার গানের ফুল ছড়িয়ে যাই গো। তারা ধুলায় প’ড়ে কেঁদে বলে ‘তোমার পরশ (আল্তা) হ’তে চাই গো।। ওরা রাঙা হ’য়ে অনুরাগের রসে তোমার চরণ-তলে পড়ে খ’সে, ওদের দ’লে যেও, নাই যদি হয় বক্ষে তেমার ঠাঁই গো।। ওরা বুক পেতে দেয় পায়ের কাছে, অশ্রু-টলমল, বলে ‘ধূলির পথে চলো না গো, ফুলেরপেথে চল।’ (তুমি) চরণ ফেল কেন ভয়ে ভয়ে বিরহ মোর ফুটেছে ফুল হ’য়ে, কাঁটা আছে আমার বুকে, ফুলে কাঁটা নাই গো।।
রাগঃ
তালঃ
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan