বাণী
স্বাগতা কনক-চম্পক বর্ণা। ছন্দিতা চপল নৃত্যের ঝর্না।। মঞ্জুলা বিধুর যৌবন-কুঞ্জে যেন ও-চরণ-নূপুর গুঞ্জে, মন্দিরা মুরলী-শোভিত হাতে এসো গো বিরহ-নীরস-রাতে, হে প্রিয়া করিব প্রাণ অপর্ণা।।
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ স্বাগতা (১৬ মাত্রা)
স্বাগতা কনক-চম্পক বর্ণা। ছন্দিতা চপল নৃত্যের ঝর্না।। মঞ্জুলা বিধুর যৌবন-কুঞ্জে যেন ও-চরণ-নূপুর গুঞ্জে, মন্দিরা মুরলী-শোভিত হাতে এসো গো বিরহ-নীরস-রাতে, হে প্রিয়া করিব প্রাণ অপর্ণা।।
রাগঃ
তালঃ স্বাগতা (১৬ মাত্রা)
ও কে উদাসী আমায় হায় ডাকে আয় আয় গোধূলি-বেলায় বাজায়ে বাঁশরি। তা’র পাহাড়ি সুরে মোর নয়ন ঝুরে মম কুল-লাজ গৃহ-কাজ যাই পাশরি’।। তা’র সুরের মায়ায় আকাশ ঝিমায়, চাঁদের চোখে তিমির ঘনায় — তা’র বিরহে মধুর মোহে জীবন মরণ পলকে বিসরি।।
রাগঃ পাহাড়ি
তালঃ কাহার্বা

বর্ণচোরা ঠাকুর এলো রসের নদীয়ায় তোরা দেখবি যদি আয় তারে কেউ বলে শ্রীমতি রাধা কেউ বলে সে শ্যামরায়।। কেউ বলে তার সোনার অঙ্গে রাধা-কৃষ্ণ খেলেন রঙ্গে; ওগো কেউ বলে তায় গৌর-হরি কেউ অবতার বলে তায়।। তার ভক্ত তারে ষড়ভুজ শ্রী নারায়ণ বলে, কেউ দেখেছে শ্রীবাসের ঘরে কেউ বা নীলাচলে। দুই হাতে তার ধনুর্বাণ ঠিক যেন শ্রীরাম, দুই হাতে তার মোহন বাঁশি যেন রাধা-শ্যাম, আর দু'হাতে দণ্ড ঝুলি নবীন সন্ন্যাসীরই প্রায়।।
রাগঃ
তালঃ দাদরা
১.

২.

আল্লা নামের বীজ বুনেছি এবার মনের মাঠে। ফলবে ফসল বেচব তারে কেয়ামতের হাটে।। পত্তনীদার যে এ জমির খাজনা দিয়ে সেই নবীজীর বেহেশতেরই তালুক কিনে বসব সোনার খাটে।। মসজিদে মোর মরাই বাঁধা হবে নাকো চুরি, মনকির নকির দুই ফেরেশতা হিসাব রাখে জুড়ি' রে; রাখবো হেফাজতের তরে ঈমানকে মোর সাথী করে, রদ হবে না কিস্তি (মোর), জমি উঠবে না আর লাটে।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

আয় বনফুল ডাকিছে মলয় এলোমেলো হাওয়ায় নূপুর বাজায় , কচি কিশলয়।। তোমরা এলে না ব'লে - ভোমরা কাদেঁ অভিমানে মেঘ ঢাকিল চাদেঁ 'ভুল বঁধু ভুল' টুলটুলে মৌটুসি বুলবুলে কয়।। কুহু যামিনীর তিমির টুটে মুহু মুহু কুহু কুহরি ওঠে। হে বন-কলি, গুণ্ঠন খোলো হে মৃদুলজি্জিতা, লজ্জা ভোলো, কোথা তার দুল দোলে নটিনী তটিনী খুজেঁ বনময়।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

কারার ঐ লৌহ-কপাট ভেঙ্গে ফেল্ কর্ রে লোপাট রক্ত-জমাট শিকল-পূজার পাষাণ-বেদী! ওরে ও তরুণ ঈশান! বাজা তোর প্রলয়-বিষাণ! ধ্বংস-নিশান উঠুক প্রাচী-র প্রাচীর ভেদি’॥ গাজনের বাজনা বাজা! কে মালিক? কে সে রাজা? কে দেয় সাজা মুক্ত-স্বাধীন সত্য কে রে? হা হা হা পায় যে হাসি, ভগবান প’রবে ফাঁসি? সর্বনাশী — শিখায় এ হীন্ তথ্য কে রে? ওরে ও পাগ্লা ভোলা, দেরে দে প্রলয়-দোলা গারদগুলা জোরসে ধ’রে হ্যাঁচকা টানে। মার্ হাঁক হায়দরী হাঁক্ কাঁধে নে দুন্দুভি ঢাক ডাক ওরে ডাক মৃত্যুকে ডাক জীবন-পানে॥ নাচে ঐ কাল-বোশেখী, কাটাবি কাল ব’সে কি? দে রে দেখি ভীম কারার ঐ ভিত্তি নাড়ি’। লাথি মার, ভাঙ্রে তালা! যত সব বন্দী-শালায় — আগুন জ্বালা, আগুন জ্বালা, ফেল্ উপাড়ি॥
সিনেমাঃ ‘চট্রগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠন’
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা
