বাণী
আয় আয় মোর ময়ূর-বিমান আকাশ-নদী বেয়ে। ফুল ফোটানো হাওয়ায় ভেসে চাঁদের আলোয় নেয়ে।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (স্বপনপরীর গান)
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
আয় আয় মোর ময়ূর-বিমান আকাশ-নদী বেয়ে। ফুল ফোটানো হাওয়ায় ভেসে চাঁদের আলোয় নেয়ে।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (স্বপনপরীর গান)
রাগঃ
তালঃ
খেলা শেষ হল, শেষ হয় নাই বেলা। কাঁদিও না, কাঁদিও না — তব তরে রেখে গেনু প্রেম-আনন্দ মেলা।। খেলো খেলো তুমি আজো বেলা আছে খেলা শেষ হলে এসো মোর কাছে, প্রেম-যমুনার তীরে ব’সে রব লইয়া শূন্য ভেলা।। যাহারা আমার বিচার করেছে — ভুল করিয়াছে জানি, তাহাদের তরে রেখে গেনু মোর বিদায়ের গানখানি। হই কলঙ্কী, হোক মোর ভুল বালুকার বুকে ফুটায়েছি ফুল, তুমিও ভুলিতে নারিবে সে-কথা — হানো যত অবহেলা।।
পাঠান্তর
খেলা শেষ হল, শেষ হয় নাই বেলা। কাঁদিও না, কাঁদিও না — তব তরে রেখে গেনু প্রেম-আনন্দ মেলা।। খেলো খেলো তুমি আজো বেলা আছে খেলা শেষ হলে এসো মোর কাছে, প্রেম-যমুনার তীরে ব’সে রব লইয়া শূন্য ভেলা।। যাহারা আমার বিচার করেছে আর তাহাদের কেহ, দেখিতে পাবে না কলঙ্ক কালিমাখা মোর এই দেহ। হই কলঙ্কী, হোক মোর ভুল পৃথিবীতে আমি এনেছি গোকুল, তুমিও ভুলিতে নারিবে সে-কথা — হানো যত অবহেলা।।
[গানটি ১৯৬৫ সালে জগন্ময় মিত্রের কণ্ঠে রেকর্ডের সময় প্রশিক্ষক কমল দাশগুপ্ত বাণীর কিছু পরিবর্তন করেছিলেন।
যথা: ১. খেলা শেষ হলে যেয়ো, যেয়ো মোর কাছে, ২. হোক অপরাধ হোক মোর ভুল]
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
ভাল লাগার স্মৃতি ভোলা নাহি যায়। তাই বারে বারে আসি ফিরে তব আঙিনায়।। আজো ওঠে বাঁকা চাঁদ নীল গগনে আজো ফোটে রাঙা ফুল মম কাননে, ‘পিয়া পিয়া’ গাহে পাখি পিয়াল শাখায়।। যে আলো বাজালে বেণু রঙীন ঊষায়, তাহারি পুলকে আজি পরান মাতায়। মরুর কামনা আজো দীপ-শিখা সম পরানে লাগে জাগিয়া আছে ওগো প্রিয়তম, অনুরাগে লাগে দোল, দোল দেহ-যমুনায়।।
রাগঃ খাম্বাজ মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
ত্রিংশ কোটি তব সন্তান ডাকে তোরে ভুলে আছিস দেশ জননী কেমন ক’রে॥ ব্যথিত বুকে মাগো তোমার মন্দির গড়ি করি পূজা আরতি মাগো যুগ যুগ ধরি’ ধূপ পুড়িয়া মাগো চন্দন শুকায়ে যায় এসো মা এসো পুন রানীর মুকুট প’রে॥ দুঃখের পসরা মা আর যে বহিতে নারি কাঁদিয়া কাঁদিয়া শুকায়েছে আঁখি-বারি এ গ্লানি লাজ মাগো সহিতে নাহি পারি বিশ্ব বন্দিতা এসো দুখ-নিশি-ভোরে॥ অতীত মহিমা ল’য়ে এসো মহিমাময়ী হীনবল সন্তানে কর মা ভুবনজয়ী দুখ তপস্যা মা কবে তব হবে শেষ আয় মা নব আশা রবির প্রদীপ ধ’রে॥
রাগঃ
তালঃ ত্রিতাল

মদির আবেশে কে চলে ঢুলুঢুলু আঁখি। মদির কার আঁখি হেরিয়া পাপিয়া উঠিছে পিউ পিউ ডাকি’।। আল্তা-রাঙা পায়ে আল্পনা আঁকে, পথের যত ধূলি তাই বুক পেতে থাকে, দু’ধারে তরুলতা দেয় চরণ ফুলে ফুলে ঢাকি’।। তা’রি চোখের চাওয়ায় গো দেলা লাগে হাওয়ায়, তালীবন তাল দিয়ে যায় তাল-ফের্তায় দোলা লাগে হাওয়ায়। আকুল তানে গাহে বকুল-বনের পাখি।। তারি মুখ-মদের ছিটে যোগায় ফুলে মধু মিঠে চাঁদের জৌলুসে তাহারি রওশন্ মাখি’।।
রাগঃ পিলু মিশ্র
তালঃ ফের্তা (কাহার্বা ও দ্রুত-দাদ্রা)
শিল্পীঃ মনি চক্রবর্তী

ডেকে ডেকে কেন তারে ভাঙালি ঘুমের ঘোর কেন ভাঙালি স্বপনে মোর এসেছিল, সখি, স্বপন কুমার মনচোর কেন ভাঙালি ঘুমের ঘোর।। সে যেন লো পাশে ব'সে কহিল হেসে হেসে ‘যাব না আর পরদেশে’, সখি, মোছ মোছ আঁখিলোর’।। দেখালো তার হৃদয় খুলি’, কহিল : ‘হের প্রিয়ে তোমার অধিক ব্যথা হেথায় তোমারে ব্যথা দিয়ে।’ জানি না মোর হিয়ার চেয়েও অধিক ক্ষত তার হৃদয় সে হৃদয়ে আমার ছবি, সকল হিয়া আমি-ময়। তাহার জীবন-মালারি মাঝে, সখি, আমি যেন সোনার ডোর।। আমি কহিনু, বুঝেছি সখা তোমার এ দুখ দেওয়ার ছল, ভালোবাসার ফুল না শুকায় তুমি তাই চাহ মোর চোখেরই জল’। জেগে দেখি কেঁদে কেঁদে, সখি, ভিজেছে বুকের আঁচল।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা
