মদিনা মদিনা মদিনা

বাণী

মদিনা! মদিনা! মদিনা!
তোমায় ছাড়া আর কারেও ভালোবাসি না।।
মদিনা! তব আর একটা নাম কি
কেউ বলে ‘হাস্‌নাহেনা’ আমি তোমায় মদিনা ব’লে ডাকি।
মদিনা! আমি তোমায় ছাড়া আর কারেও জানি না।।
মদিনা! তুমি রইবে চিরদিন মোর ঘরে এসে
তোমায় আমায় মিলন হবে ভালোবেসে,
মদিনা! আমার ছেলে দু’টির ডাক নাম সানি ও নিনি, ওরা দুই ভাই
‘সানি’ ও ‘নিনি’রে যেন আপন ছেলের মত ভালোবেসো, এই আমি চাই।
আজি নওজোয়ান, আমি কবি সুন্দর, সুন্দরের পূজারি,
আমায় ভালোবাসে বাঙলার সব নরনারী।
আমার কথার ফুলে মদিনা তোমার গানের ডালা সাজাই।
মদিনা! মদিনা! মদিনা!
তোমায় ছাড়া আর কারেও ভালোবাসি না।।

নাটক : ‘মদিনা’

কেন চাঁদিনী রাতে মেঘ আসে ছায়া ক’রে

বাণী

কেন চাঁদিনী রাতে মেঘ আসে ছায়া ক’রে।
সুখের বাসরে কেন, প্রাণ ওঠে বিষাদে ভ’রে।।
কেন মিলন রাতে, সলিল আঁখি পাতে,
কেন ফাগুন প্রাতে, সহসা বারি ঝরে।।
ডাকিয়া ফুলবনে, থাকে সে আনমনে,
কাঁদায় নিরজনে, কাঁদে কে কিসের তরে।।

ডাকতে তোমায় পারি যদি

বাণী

ডাকতে তোমায় পারি যদি আড়াল থাকতে পারবে না
এখন আমি ডাকি তোমায় তখন তুমি ছাড়বে না।।
	যদি দেখা না পাই কভু —
	সে দোষ তোমার নহে প্রভু
সে সাধনায় আমারি হার জানি তুমি ছাড়বে না।।
বহু লোকের চিন্তাতে মোর বহু দিকে মন যে ধায়,
জানি জানি, অভিমানী পাইনে আজ তাই তোমায়।
	বিশ্ব, ভুবন ভুলে যেদিন
	তোমার ধ্যানে হব বিলীন,
সেদিন আমার বক্ষ হতে চরণ তোমার কাড়বে না।।

কেমনে রাখি আঁখি–বারি চাপিয়া

বাণী

কেমনে রাখি আঁখি–বারি চাপিয়া
প্রাতে কোকিল কাঁদে নিশীথে পাপিয়া।।
এ ভরা ভাদরে আমার মরা নদী
উথলি’ উথলি’ উঠিছে নিরবধি
আমার এ ভাঙা ঘটে, আমার এ হৃদিতটে
চাপিতে গেলে ওঠে দু’কূল ছাপিয়া।।
নিষেধ নাহি মানে আমার এ পোড়া আঁখি
জল লুকাবো কত কাজল মাখি’ মাখি’
ছলনা ক’রে হাসি, অমনি জলে ভাসি
ছলিতে গিয়া আসি ভয়েতে কাঁপিয়া।।

আসিলে কে গো বিদেশি

বাণী

আসিলে কে গো বিদেশি দাঁড়ালে মোর আঙিনাতে।
আঁখিতে ল’য়ে আঁখি-জল লইয়া ফুল-মালা হাতে।।
জানি না চিনি না তোমায় কেমনে ঘরে দিব ঠাঁই
অমনি আসে তো সবাই হাতে ফুল, জল নয়ন-পাতে।।
কত সে প্রেম-পিয়াসি প্রাণ চাহিছে তোমার হাতের দান
কাঁদায়ে কত গুলিস্তান আমারে এলে কাঁদাতে।।
ফুলে আর ভোলে না মোর মন, গলে না নয়ন-জলে,
ভুলিয়া জীবনে একদিন আজিও জ্বলি জ্বালাতে।।

কবি সবার কথা কইলে এবার

বাণী

কবি,		সবার কথা কইলে, এবার নিজের কথা কহ।
(কেন)	নিখিল ভুবন অভিমানের আগুন দিয়ে দহ।।
		কে তোমারে হান্‌ল হেলা, কবি!
(হায়!)	সুরে সুরে আঁক কি গো সেই বেদনার ছবি?
		কা’র বিরহ রক্ত ঝরায় বক্ষে অহরহ।।
		কোন্‌ ছন্দময়ীর ছন্দ দোলে আমার গানে গানে,
		তোমার সুরের স্রোত ব’য়ে যায় কাহার প্রেমের টানে গো —
		কাহার চরণ পানে?
		কাহার গলায় ঠাঁই পেল না ব’লে
(তব)		কথার মালা ব্যথার মত প্রতি হিয়ায় দোলে,
(তোমার)	হাসিতে যে বাঁশি বাজে, সে ত’ তুমি নহ।।

১. সবার কথা কইলে কবি নিজের কথা কহ।