বাণী
পুব সাগরে ডুব দিয়ে ঐ সোনার রবি উঠ্ল রে। রাতের চোখের অশ্রু ঝ’রে কুসুম হয়ে ফুট্ল রে।। যাত্রী ওরে যেতে হবে গভীর ব্যথা পেতে হবে, তাই মিলন রাতের বালুর মালা জাগরণে টট্ল রে।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরীর গান)
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
পুব সাগরে ডুব দিয়ে ঐ সোনার রবি উঠ্ল রে। রাতের চোখের অশ্রু ঝ’রে কুসুম হয়ে ফুট্ল রে।। যাত্রী ওরে যেতে হবে গভীর ব্যথা পেতে হবে, তাই মিলন রাতের বালুর মালা জাগরণে টট্ল রে।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরীর গান)
রাগঃ
তালঃ
এলো ফুলের মরশুম শরাব ঢালো সাকি বকুল শাখে কোকিল ওঠে ডাকি’।। গেয়ে ওঠে বুলবুল আঙ্গুর-বাগে নীল আঁখি লাল হলো রাঙ্-অনুরাগে আজি ফুল-বাসরে শিরাজির জল্সা বরবাদ্ হবে না-কি।। চাঁপার গেলাস ভরি’ ভোমরা মধু পিয়ে মহুয়া ফুলের বাসে আঁখি আসে ঝিমিয়ে। পাপিয়া পিয়া পিয়া ডাকে বন-মাঝে গোলাপ-কপোল রাঙে গোলাপী লাজে হৃদয়-ব্যথার সুধা আছে তব কাছে রেখো না তারে ঢাকি’।।
রাগঃ পাহাড়ি
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

নতুন চাঁদের তক্বীর শোন্ কয় ডেকে ঐ মুয়াজ্জিন — আসমানে ফের ঈদুজ্জোহার চাঁদ উঠেছে মুসলেমিন।। এলো স্মরণ করিয়ে দিতে ঈদুজ্জোহার এই সে চাঁদ, তোরা ভোগের পাত্র ফেল্ রে ছুঁড়ে ত্যাগের তরে হৃদয় বাঁধ। কোরবানি দে তোরা, কোরবানি দে।। প্রাণের যা তোর প্রিয়তম আজকে সে সব আন্, খোদারই রাহে আজ তাহাদের কর রে কোরবান্। কি হবে ঐ বনের পশু খোদারে দিয়ে, তোর কাম-ক্রোধাদি মনের পশু জবেহ্ কর্ নিয়ে। কোরবানি দে তোরা, কোরবানি দে।। বিলিয়ে দেওয়ার খুশির শিরনি তশ্তরিতে আন, পর্ রে তোরা সবাই ত্যাগের রঙিন পিরহান্। মোদের যা কিছু প্রিয় বিলাব সবে নবীর উম্মত তবে সকলে কবে। কোরবানি দে তোরা, কোরবানি দে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

সুনয়না চোখে কথা ক’য়ে যায় বনের রানী, দুটি ফুলে শুনি নয়ন ফাঁকে প্রাণ লুকিয়ে চায়॥ দেহ দেউলে, দুটি দীপ দুলে হেরি সারা অন্তর তায়॥
রাগঃ খাম্বাজ মিশ্র
তালঃ আদ্ধা
আমি বুকের ভিতর থাকি তবু ওরা ডাকে দেখা দাও ব’লে। ওরা চিনিতে পারে না কত রূপে আমি দেখা দিই কত ছলে।। চোর চোর খেলি মনে বসে, ওরা বনে যায় খুঁজিতে; কোলে থাকি আমি খোকা হয়ে, ওরা মন্দিরে যায় পূজিতে। মোরে পাষাণ করিয়া ফেলে রাখে, ওরা আঁধার দেউল তলে।। (ওরা ডাকিয়া লয় না কোলে গো আমি কোল্ যে বড় ভালবাসি।) কেশবে ডাকিয়া লয় না কোলে।। ওরা দেবতা ভাবিয়া পূজা দেয় যাহা, আমি তাহা নাহি খাই; লুকায়ে ভিখারি সাজিয়া ওদের পাতের অন্ন চাই। ওরা প্রভু ব’লে মোরে দূরে রাখে, তাই কেঁদে দূরে যাই চ’লে। (ওরা গোপাল বলিয়া ডাকে না মোরে, কেন বুকে বেঁধে রাখে না।) আমি তাই দূরে যাই চ’লে, কেশবে ডাকিয়া লয় না কোলে।।
নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’
রাগঃ
তালঃ
যুগ যুগ ধরি লোকে-লোকে মোর প্রভুরে খুঁজিয়া বেড়াই; সংসারে গেহে , প্রীতি ও স্নেহে আমার স্বামী বিনে নাই সুখ নাই।। তার চরণ পাবার আশা ল'য়ে মনে ফুটিলাম ফুল হয়ে কত বার বনে, পাখি হয়ে তার নাম শত বার গাহিলাম তবু হায় কভু তার দেখা নাহি পাই।। গ্রহ তারা হয়ে খুঁজেছি আকাশে, দিকে দিকে ছুটেছি মিশিয়া বাতাসে, পর্বত হয়ে নাম কোটি যুগ ধিয়ালাম, নদী হয়ে কাঁদিলাম খুঁজিয়া বৃথাই।।
রাগঃ মাঢ়
তালঃ কাহার্বা
