বাণী
গুঞ্জা-মঞ্জরি-মালা। অঞ্চলে শুকায় অভিমানে কালা।। সহিতে পারি না আর তোমার বিরহ ধর গিরিধারী মোর বেদনা অসহ, ভোলাও নীরদ-ঘন-শ্যাম-কৃষ্ণ! তৃষ্ণার জ্বালা।।
রাগ ও তাল
রাগঃ মালগুঞ্জ
তালঃ
গুঞ্জা-মঞ্জরি-মালা। অঞ্চলে শুকায় অভিমানে কালা।। সহিতে পারি না আর তোমার বিরহ ধর গিরিধারী মোর বেদনা অসহ, ভোলাও নীরদ-ঘন-শ্যাম-কৃষ্ণ! তৃষ্ণার জ্বালা।।
রাগঃ মালগুঞ্জ
তালঃ
পিয়া গেছে কবে পরদেশ পিউ কাঁহা ডাকে পাপিয়া, দোয়েল শ্যামার শিসে তারি হুতাশ উঠিছে ছাপিয়া।। পাতারি আড়ালে মুখ ঢাকি' মুহুমুহু কুহু ওঠে ডাকি, বাজে ধ্বনি তারি উহু উহু বিরহী পরাণ ব্যাপিয়া।। 'বউ কথা কও' পাখি ডাকে — কেন মনে প'ড়ে যায় তাকে, কথা কও বউ — ডাকিত সে মোরে, নিশীথ উঠিত কাঁপিয়া।।
রাগঃ পাহাড়ি মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

দ্বৈত : ঝুমুর নাচে ডুমুর গাছে ঘুঙুর বেঁধে গায় (লো)। নাচন দুজন মাদল, বাঁশি, নূপুর নিয়ে আয় (লো)।। স্ত্রী : আর জনমে চোরকাঁটা তুই ছিলি (রে) এই জনমে আঁচল ছিঁড়ে হৃদয়ে বিঁধিলি। পুরুষ : চোরকাঁটা নয় ছিলাম পানের খিলি লো গয়না ছিলাম গায় (লো)।। স্ত্রী : ঝিলমিলয়ে ঝিলের জল নাচায় শালুক ফুল — পুরুষ : শালুক যেন মুখাখানি তোর লো ঝিলের ঢেউ যেন এলোচুল। স্ত্রী : কুহু কুহু ডেকে কোকিল কাহার কথা কহে পুরুষ : সেই কথা কয় কোয়েলা আর জনমে করেছি যা তোরই বিরহে। দ্বৈত : সে জনমের দু’টি হৃদয় এ জনমে হায় এক হতে যে চায় লো এক হতে যে চায়।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

রুমু রুমু রুমু ঝুমু ঝুমু বাজে নূপুর তালে তালে দোদুল দোলে নাচের নেশায় চুর।। চঞ্চল বায়ে আঁচল উড়ায়ে চপল পায়ে ও কে যায় নাটনী কল তটিনীর প্রায় চিনি বিদেশিনী চিনি গো তায় শুনি’ ছন্দ তারি এ হিয়া ভরপুর।। নাচন শিখালে ময়ুর মরালে মরিচী-মায়া মরুতে ছড়ালে বন-মৃগের মন হেসে ভুলালে ডাগর আঁখির নাচে সাগর দুলালে। গিরিদরি বনে গো দোল লাগে নাচনের শুনে তারি সুর।।
রাগঃ বেহাগ-খাম্বাজ
তালঃ ফের্তা (কাহার্বা ও দাদ্রা)

দিকে দিকে পুনঃ জ্বলিয়া উঠেছে দীন-ই-ইসলামী লাল মশাল। ওরে বে-খবর, তুইও ওঠ্ জেগে, তুইও তোর প্রাণ-প্রদীপ জ্বাল।। গাজী মুস্তফা কামালের সাথে জেগেছে তুর্কী সুর্খ-তাজ, রেজা পহ্লবী-সাথে জাগিয়াছে বিরান মুলুক ইরানও আজ গোলামী বিসরি’ জেগেছে মিসরী, জগলুল-সাথে প্রাণ-মাতাল।। ভুলি’ গ্লানি লাজ জেগেছে হেজাজ নেজদ্ আরবে ইবনে সউদ্ আমানুল্লার পরশে জেগেছে কাবুলে নবীন আল-মামুদ, মরা মরক্কো বাঁচাইয়া আজি বন্দী করিম রীফ্-কামাল।। জাগে ফয়সল্ ইরাক আজমে, জাগে নব হারুন-আল্-রশীদ, জাগে বয়তুল মোকাদ্দস্ রে; জাগে শাম দেখ্ টুটিয়া নিদ জাগে না কো শুধু হিন্দের দশ কোটি মুসলিম বে-খেয়াল।। মোরা আস্হাব কাহাফের মত হাজারো বছর শুধু ঘুমাই, আমাদেরি কেহ ছিল বাদশাহ্ কোন কালে; তার করি বড়াই, জাগি যদি মোরা, দুনিয়া আবার কাঁপিবে চরণে টাল্মাটাল।।
মার্চের সুর
তালঃ দাদ্রা

মোর প্রথম মনের মুকুল ঝরে গেল হায় মনে মিলনের ক্ষণে। কপোতীর মিনতি কপোত শুনিল না, উড়ে গেল গহন-বনে।। দক্ষিণ সমীরণ কুসুম ফোটায় গো আমারি কাননে ফুল কেন ঝরে যায় গো জ্বলিল প্রদীপ সকলেরি ঘরে হায় নিভে গেল মোর দীপ গোধূলি লগনে।। বিফল অভিমানে কাঁদে ফুলমালা কণ্ঠ জড়ায়ে কাঁদি ধূলি-পথে একা ছিন্ন-লতার প্রায় লুটায়ে লুটায়ে। দারুণ তিয়াসে এসে সাগর-মুখে ঢলিয়া পড়িনু হায় বালুকারি বুকে ধোঁয়ারে মেঘ ভাবি’ ভুলিনু চাতকী জ্বলিয়া মরি গো বিরহ-দহনে।।
রাগঃ বনকুন্তলা (নজরুল-সৃষ্ট)
তালঃ ত্রিতাল
শিল্পীঃ কাশফিয়া বিল্লাহ
