
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

আমার আছে অসীম আকাশ, তোমার আছে ঘর। তোমার আছে পারের তরী, আমার বালুচর।। তোমার আছে কূলের আশা আমার অকূল স্রোতে ভাসা, আমায় ডাকে (গো) দূর আলেয়া, তোমার প্রদীপ-কর।। থাকুক তোমার দখিন হাওয়া, আমার থাকুক ঝড়, তোমার তরে তরুর ছায়া, আমার তেপান্তর। তুমি ঘুমাও সুখের কোলে আমি ভুলে’ যাওয়ার দলে, হারিয়ে তোমায় মোর ধরণী হলো বিপুলতর।।
রাগঃ
তালঃ ঝাঁপতাল
আসে বসন্ত ফুল বনে সাজে বনভূমি সুন্দরী চরণে পায়েলা রুমুঝুমু মধুপ উঠিছে গুঞ্জরি (আহা)।। দুলে আলোছায়া বন-দুকূল ওড়ে প্রজাপতি কলকা ফুল কর্ণে অতসী স্বর্ণ-দুল আলোক-লতার সাতনরি।। সোনার গোধূলি নামিয়া আয় আমার রূপালি ফুল-শোভায় আমার সজল আঁখি-পাতায় আয় রামধনু রঙ ধরি'। কবি, তোর ফুলমালী কেমন ফাগুনে শুষ্ক পুষ্প-বন বরিবি বঁধুরে এলে চ্যমন (আহা) রিক্ত হাতে কি ফুল ভরি'।।
রাগঃ ভীমপলশ্রী
তালঃ দাদ্রা

কুহু কুহু কুহু ব’লে মহুয়া-বনে। মাধবী চাঁদ এলে পূব-গগনে।। দুলে ওঠে বনান্ত আসিলে কে পান্থ, তব পদধ্বনি অশান্ত — হে শুনি মম মনে।। বাতায়নে প্রদীপ জ্বালি’ আসা-পথ চাহি’, প্রহর গণি, গান গাহি’। এলে আজি নিশীথে দেখা দিতে তৃষিতে, শুনি দশ-দিশিতে — বাঁশি তব ক্ষণে ক্ষণে।।
রাগঃ
তালঃ
এসো শারদ প্রাতের পথিক এসো শিউলি বিছানো পথে। এসো ধুইয়া চরণ শিশিরে এসো অরুণ-কিরণ-রথে।। দলি, শাপলা শালুক শতদল এসো রাঙায়ে তোমার পদতল নীল লাবনি ঝরায়ে চলচল এসো অরণ্য পর্বতে।। এসো ভাদরের ভরা নদীতে ভাসায়েকেতকী পাতার তরণী এসো বলাকার রঙ পালক কুড়ায়ে বাহি’ ছায়াপথ-সরণি। শ্যাম শস্যে কুসুমে হাসিয়া এসো হিমেল হাওয়ায় ভাসিয়া এসো ধরনীরে ভালোবাসিয়া দুর নন্দন-তীর হতে।।
রাগঃ সিন্ধু-কাফি
তালঃ দাদ্রা

শ্যালিকা: জামাইবাবু, বলি ও জামাইবাবু । জামাইবাবু: কে? ও, আমার বিরহতুত শালী বুঝি? শ্যালিকা: আহা হা, দিদির বিরহে তোমার চাঁদ মুখ যে অমাবস্যার চাঁদের মত হয়ে উঠেছে । তা, তার বিরহের একটা গান শোনাও? জামাইবাবু: হ্যাঁ, তা মন্দ বলিস নি ভাই, তা মন্দ বলিস নি। তোর মারফতে যদি আমার দুষ্কের কথা তার কাছে গিয়ে পৌঁচয় । শোন্ ভাই, শোন্। আমার বিছানা আছে বালিস আছে বৌ নাই মোর খাটে (ওগো) তার বিরহে বারোটা মাস কেমন ক'রে কাটে ও দাদা গো।। আ, হাহাহা, বিরহে, বিরহে খাট আমার আধখানা হয়ে গেছে বৈশাখ মাস, বৈশাখে প্রাণ ভ'য়সা যেন ধুকে রোদের তাতে (বাবু গো) হাত-পাখা আর নড়ে না ভাই রাতে পিয়ার হাতে জৈষ্ঠি মাস, জৈষ্ঠি মাসের গরমে হিয়ার গুষ্ঠি শুদ্ধু ফাটে ও দাদা গো।। আষাঢ় মাস, আষাঢ় মাসে কট্কটে ব্যাঙ ছট্ফটিয়ে কাঁদে, উহুহুহুহুহু — বাবা রেএএএ ওগো চুলকানি যে উঠলো বেড়ে প্রেমের মইষা দাদে শ্রাবণ মাস, শ্রাবণ মাসে রাবুণে প্রেম জাগে জলের ছাটে, ও দাদা গো।। ভাদ্র মাস, ভাদ্র মাসে আপনার বৌ হলো ভাদ্র বধূ (বাবু গো) আশ্বিন মাসে চাখলাম না হায় পূজার মজার মধু আমার পরাণ লাফায় পাঁঠা যেমন দাপায় হাঁড়িকাঠে ও দাদা গো।। শ্যালিকা: তারপর কি? জামাইবাবু: তারপর? তারপর আর নেই! শ্যালিকা: বা-রে! এই তো মাত্র ভাদ্র-আশ্বিন হলো। আর ছ'মাস যে বাকি রইলো। জামাইবাবু: না-রে ভাই, আর বাকি নেই, আর বাকি নেই, আর বাকি নেই। শ্যালিকা: বলবে না? বলবে না তো? আহা ভাল লাগলো কিনা, তাই এতো খোসামুদি করছি। না গাইবে তো যাও, তোমার সঙ্গে আর আমি কখখনো ... জামাইবাবু : ওরে ওরে ওরে ওরে, শোন্ শোন্ শোন্ শোন্, ও ভাবে যাস্ নি, যাস্ নি। ওরে তুই রাগ করিস নে রে ভাই, তুই রাগ করিস নে। দ্যাখ, এই বার মাস বিরহে বিরহে আমার কাটছে। ওরে তুই আমার একমাত্র শান্ত্বনা। তুই যদি রাগ করে চলে যাস তাহলে আমার অবস্থাটা কি হবে একবার বোঝ্। আচ্ছা, গাইছি শোন্। কার্তিক মাস, হ্যাঁ? কার্তিকে মোর ময়ূরী এই কার্তিককে ফেলে (ওরে) ও তার দাদার ঘরের রাধা হয়ে বেড়ায় পেখম মেলে শ্যালিকা: যাঃ, ভারি দুষ্টু! জামাইবাবু: না, না, সত্যি, সত্যি, সত্যি, শোন্ না, শোন্ না। অঘ্রাণ, অঘ্রাণে ধান কাটে চাষা আমার কেঁদে কাটে ও দাদা গো।। পৌষ মাস, পৌষে আমার বৌ সে কোথায় গুড়ের পিঠা খায় (বাবু গো) আর হেথায় আমার জিহ্বা দিয়া নাল ঝরিয়া যায় মাঘ মাস, ওরে মাঘ মাসে যার মাগ নাই সে যাক না শ্মশান ঘাটে ও বাবু গো।। ফাল্গুন মাস, ফাল্গুনে ছাই ডাল-নুনে কি মেটে প্রেমের খিদে হাতের কাছে কাকে খুঁজি রাতের বেলায় নিদে (আমি) চৈত্র মাস, চৈত্র মাসে মধু খুঁজি হায়রে কদুর বাটে।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

দীন দরিদ্র কাঙালের তরে এই দুনিয়ায় আসি’, হে হজরত বাদশাহ হয়েছিলে উপবাসী। (তুমি) চাহ নাই কেহ হইবে আমীর, পথের ফকির কেহ (কেহ) মাথা গুঁজিবার পাইবে না ঠাঁই, কাহারো সোনার গেহ, ক্ষুধার অন্ন পাইবে না কেহ, কারো শত দাস-দাসী।। (আজ) মানুষের ব্যথা অভাবের কথা ভাবিবার কেহ নাই ধনী মুস্লিম ভোগ ও বিলাসে ডুবিয়া আছে সদাই, (তাই) তোমারেই ডাকে যত মুস্লিম গরীব শ্রমিক চাষী।। বঞ্চিত মোরা হইয়াছি আজ তব রহমত হ’তে সাহেবী গিয়াছে, মোসাহেবী করি ফিরি দুনিয়ার পথে, আবার মানুষ হব কবে মোরা মানুষেরে ভালবাসি’।।
রাগঃ
তালঃ
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan