শ্মশান-কালীর নাম শুনে রে

বাণী

শ্মশান-কালীর নাম শুনে রে ভয় কে পায়।
মা যে আমার শবের মাঝে শিব জাগায়।।
আনন্দেরই নন্দিনী সে শান্তি সুধা কণ্ঠ বিষে
মায়ের চরণ শোভে অরুণ আলোর লাল জবায়।।
চার হাতে মা'র চার যুগেরই খঞ্জনী,
নৃত্য-তালে নিত্য ওঠে রনঝণি'।
মা পায় না ধ্যানে যোগীন্দ্র সেই যোগমায়ায়।। 

নিশুতি রাতের শশী গো

বাণী

নিশুতি রাতের শশী গো।
ঘুমায় সকলে নিশীথ নিঝুম
হরিল কে নয়নেরই ঘুম,
কার অভিসারে জাগো গগন-পারে —
চাঁদ ভুলানো সে-কোন্ রূপসী।।
লুকায়ে হেরি আমি অভিসার তব
তারকারা হেরে লুকায়ে নীরব,
কপট ঘুম ভেঙে হের হাসিছে সব —
দূর অলকার বাতায়নে বসি’।।

নাটকঃ ‘সাবিত্রী’

বাজে মৃদঙ্গ বরষার ওই দিকে দিকে দিগন্তরে

বাণী

বাজে মৃদঙ্গ বরষার ওই দিকে দিকে দিগন্তরে
নীরস ধরা সরস হলো কাহার যাদু-মন্তরে।।
বন-ময়ুর আনন্দে নাচে ধারা-প্রপাত ছন্দে
ঝরঝর গিরি-নির্ঝর স্রোতে অন্তর সুখে সন্তরে।।
শ্যামল প্রিয়-দরশা হলো ধূসর পথ-প্রান্তর
বন্ধু-মিলন হরষা গাহে দাদুরি অবান্তর।
	শ্রাবন প্লাবন বন্যাতে
	আজি পুষ্পে পল্লবে বন মাতে
এলো শ্যাম শোভন সুন্দর প্রাণ-চঞ্চল ক'রে মন্থরে।।

সাজে অভিনব সাজে রাই

বাণী

সাজে অভিনব সাজে রাই, — শ্যাম পাগলিনী
নয়ন টিপিয়া হাসে চারিপাশে আহিরিণী
আনমনে মনের ভুলে বাঁধে চূড়া বেণী খুলে
সিঁথি-মৌর ফেলে পরে শিখী-পাখা বিনোদিনী রাই সাজে একি সাজে রে
তারে হেরিয়া কি বনে শ্যাম লুকাইল লাজে রে।
গাগরি বিসরি বাজায় সে বাঁশরি,
পায়েলা পরা-পায়ে নূপুর বাজে রে।
পরিহরি নীলশাড়ি এলো পীত ধরা পরি
হেরিয়া কিশোর হরি মুখে বলে ‘হরি হরি’
আয় রে শ্রীদাম যা রে দেখে, আয় রে সুবল যা রে দেখে,
আয় বিরজা যা রে দেখে, আয় বিশাখা যা রে দেখে,
কার-চাঁদে তোরা দেখেছিস্‌ এবার গোরাচাঁদে তোরা যা লো দেখে।
উছলে রূপের ছটা কোটি রবি-শশী জিনি।।

ও কে উদাসী আমায় হায়

বাণী

ও কে উদাসী আমায় হায়
ডাকে আয় আয়
	গোধূলি-বেলায় বাজায়ে বাঁশরি।
তা’র পাহাড়ি সুরে
মোর নয়ন ঝুরে
	মম কুল-লাজ গৃহ-কাজ যাই পাশরি’।।
তা’র সুরের মায়ায় আকাশ ঝিমায়,
	চাঁদের চোখে তিমির ঘনায় —
তা’র বিরহে মধুর মোহে জীবন মরণ পলকে বিসরি।।

ঈদ মোবারক হোক আজি

বাণী

ঈদ মোবারক হোক আজি ঈদ মোবারক হোক!
সব ঘরে পঁহুচুক এ ঈদের চাঁদের আলোক।।
যে আছে আজ প্রাণের কাছে, আছে আপন পুরে
যে আছে পরদেশে যার লাগি নয়ন ঝুরে
আজ সবারে বারে বারে খোশ খবরি কো’ক্।।
আজের মত দিলে দিলে থাকুক মহাব্বত
আজের মত খুশি থাকুক সবার তবিয়ত্,
কারো যেন থাকে না আর দুঃখ-ব্যথা-শোক।।
আজের মত এক জামাতে মিলন ঈদগাহে
দাঁড়াই যেন চলি যেন খোদারই রাহে,
দীন ইসলামের এ ক্যওমী যোশ জিন্দা হোক।।