Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

যুঁই-কুঞ্জে বন-ভোমরা কেন গুঞ্জে গুন্‌গুন্

বাণী

যুঁই-কুঞ্জে বন-ভোমরা কেন গুঞ্জে গুন্‌গুন্।
প্রেম-ঝর্নার মধু-মঞ্জরি বাজে বক্ষে রুনুঝুন্।।
মন-গোলাপের পাপড়ি কাঁপে কেন গো
স্বপন দেখে পালিয়ে যাওয়া বুল্‌বুলি যেন গো,
চুড়ি কঙ্কণে কোন্ আন্‌মনা সাকি পেয়ালা বাজায় রিনিঠিনি ঠুনঠুন।।
ছল ছল চোখে চাঁদ আসমানে জলসায়
সঙ্গিনী তারাদের ভুলে ধরার কুমুদীর পানে কেন চায়,
হৃদয়ের এই নির্দয় খেলা দেখে হাস্নুহানা হেসে খুন।।

মোর গানের কথা যেন আলোকলতা

বাণী

মোর গানের কথা যেন আলোকলতা, যেন স্বর্ণলতা।
মূল নাই ফুল নাই আছে শুধু বনের বিহ্বলতা।।
	আকাশ-বনস্পতি জড়ায়ে
	ধরণীর বুকে পড়ে গড়ায়ে,
কখন কি আবেশে কার কথা ভাবে সে — কে জানে কেন অযথা।।
রহে কারো বক্ষে, রহে কারো চক্ষে বিরহের অশ্রুজলে,
কণ্ঠলগ্না কারো রহে সে গীত-কলি মুঞ্জরে অধরতলে।
	রাখি হয়ে কারও হাতে বাঁধে সে
	কাহারও চরণতলে কাঁদে সে,
সুরে সুরে গুঞ্জিত ও-যেন পূঞ্জিত — অকারণ মৌন ব্যথা।।

নাচন লাগে ঐ তরুলতায় পাতায় ফুলে

বাণী

নাচন লাগে ঐ তরুলতায় পাতায় ফুলে।
ফুল-সৌখিন দখিন হাওয়া নাচে দু’লে দু’লে।।
নাচে অথির-মতি রঙিন-পাখা প্রজাপতি,
বন দুলায়ে মন ভুলায়ে, ঝিল্লি-নূপুর বাজায়ে
নাচে বনে নিশীথিনী এলোচুলে।।
মৃণাল-তনু কমল নাচে এলোখোঁপায় নীল জলে,
ঝুমুর ঝুমুর ঘুমুর বাজে নির্ঝর পাষাণ-তলে।
বাদ্ল হাওয়ায় তাল্‌বনা ঐ বাজায় চটুল্ দাদ্‌রা তাল,
নদীর ঢেউ-এ মৃদঙ বাজে, পান্‌সি নাচে টাল্‌মাটাল্।
নেচে চেনে গ্রহতারা দিশাহারা নটরাজের নাট-দেউলে।।

গুল–বাগিচার বুলবুলি আমি

বাণী

গুল–বাগিচার বুলবুলি আমি রঙিন প্রেমের গাই গজল।
অনুরাগের লাল শারাব মোর আঁখি ঝলে ঝলমল (হায়)।।
	আমার গানের মদির ছোঁয়ায়
	গোলাপ কুঁড়ির ঘুম টুটে যায়,
সে গান শুনে প্রেমে–দীওয়ানা কবির আঁখি ছলছল (হায়)।।
লাল শিরাজীর গেলাস হাতে তন্বী সাকি পড়ে ঢুলে,
আমার গানের মিঠা পানির লহর বহে নহর–কূলে।
ফুটে ওঠে আনারকলি নাচে ভ্রমর রং–পাগল (হায়)।।
	সে সুর শুনে দিশেহারা
	ঝিমায় গগন ঝিমায় তারা,
চন্দ্র জাগে তন্দ্রাহারা বনের চোখে১ শিশির জল (হায়)।।

১. বনের পাতায়

সাম্যের গান গাই (দ্বিতীয় খন্ড)

বাণী

সাম্যের গান গাই-
আমার চক্ষে পুরুষ-রমণী কোনো ভেদাভেদ নাই!
পুরুষ-হৃদয়হীন,
মানুষ করিতে নারী দিল তারে আধেক হৃদয় ঋণ।
ধরায় যাদের যশ ধরে না ক’ অমর মহামানব,
বরষে বরষে যাদের স্মরণে, করি মোরা উৎসব,
খেয়ালের বশে তাদের জম্ম দিয়াছে বিলাসী পিতা।
লব-কুশে বনে ত্যাজিয়াছে রাম, পালন করেছে সীতা!
নারী সে শিখাল শিশু-পুরুষেরে, স্নেহ প্রেম, দয়া মায়া,
দীপ্ত নয়নে পরল কাজল বেদনার ঘন ছায়া।
সে-যুগ হয়েছে বাসি,
যে যুগে পুরুষ দাস ছিল না ক’, নারীরা আছিল দাসী!
বেদনার যুগ, মানুষের যুগ, সাম্যর যুগ আজি,
কেহ রহিবেনা বন্দী কাহারও, উঠিছে ডঙ্কা বাজি’!
নর যদি রাখে নারীরে বন্দী, তবে এর পর যুগে
আপনারি রচা ঐ কারাগারে পুরুষ মরিবে ভুগে।
যুগের ধর্ম এই-
পীড়ন করিলে সে পীড়ন এসে পীড়া দেবে তোমাকেই!
স্বর্ণ-রৌপ্য অলঙ্কারের যক্ষপুরিতে নারী
করিল তোমায় বন্দিনী, বল, কোন্‌ সে অত্যাচারী?
যে ঘোম্‌টা তোমা করিয়াছে ভীরু, উড়াও সে আবরণ!
দূর ক’রে দাও দাসীর চিহ্ন যেথা যত আভরণ!
কখন আসিল “প্লুটো” যমরাজা নিশিথ পাখায় উড়ে,
ধরিয়া তোমায় পুড়িল তাহার আঁধার বিবর-পুরে!
ভেঙ্গে যম্পুরী নাগিনীর মত আয় মা পাতাল ফুঁড়ি’।
আধাঁরে তোমায় পথ দেখাবে মা তোমারি ভগ্ন চুড়ি!
পুরুষ যমের ক্ষুধার কুকুর মুক্ত ও-পদাঘাতে
লুটায়ে পড়িবে ও-চরণ-তলে দলিত যমের সাথে!
সেদিন সুদূর নয়-
যে দিন ধরণী পুরুষের সাথে গাহিবে নারীরও জয়।

কবিতাঃ নারী (দ্বিতীয় খন্ড)

শ্যামা নামের লাগলো আগুন

বাণী

শ্যামা নামের লাগলো আগুন আমার দেহ ধূপ–কাঠিতে।
যত জ্বলি সুবাস তত ছড়িয়ে পড়ে চারিভিতে।।
		ভক্তি আমার ধূমের মত
		উর্দ্ধে ওঠে অবিরত,
শিব–লোকের দেব–দেউলে মা’র শ্রীচরণ পরশিতে।।
ওগো অন্তর–লোক শুদ্ধ হল পবিত্র সেই ধূপ–সুবাসে,
মা’র হাসিমুখ চিত্তে ভাসে চন্দ্রসম নীল আকাশে।
		যা কিছু মোর পুড়ে কবে
		চিরতরে ভস্ম হবে
মা’র ললাটে আঁকব তিলক সেই ভস্ম–বিভূতিতে।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan