আজি মনে মনে লাগে হোরী

বাণী

আজি মনে মনে লাগে হোরি
আজি বনে বনে জাগে হোরি।।
ঝাঁঝর করতাল খরতালে বাজে
বাজে কঙ্কন চুড়ি মৃদুল আওয়াজে
লচকিয়া আসে মুচকিয়া হাসে
প্রেম-উল্লাসে শ্যামল গোরী।।
কদম্ব তমাল রঙে লালে লাল
লাল হলো কৃষ্ঞ ভ্রমর ভ্রমরী
রঙের উজান চলে কালো যমুনা-জলে
আবির রাঙা হলো ময়ূর-ময়ূরী।।
মোর হৃদি-বৃন্দাবন যেন রাঙে
রাধা শ্যাম-যুগল চরণ-রাগে
ও চরণ-ধূলি যেন ফাগ হ’য়ে নিশিদিন
অন্তরে পড়ে মোর ঝরি’।।

অনেক কথা বলার মাঝে লুকিয়ে আছে

বাণী

অনেক কথা বলার মাঝে লুকিয়ে আছে একটি কথা।
বলতে নারি সেই কথাটি তাই এ মুখর ব্যাকুলতা।।
	সেই কথাটি ঢাকার ছলে
	অনেক কথা যাই গো ব’লে
ভাসি আমি নয়ন-জলে বলতে গিয়ে সেই বারতা।।
অবকাশ দেবে কবে কবে সাহস পাবে প্রাণে
লজ্জা ভুলে সেই কথাটি বলব তোমায় কানে কানে।
	মনের বনে অনুরাগে
	কত কথার মুকুল লাগে
সেই মুকুলের বুকে জাগাও ফুটে ওঠার ব্যাকুলতা।।

চাঁদের পিয়ালাতে আজি

বাণী

চাঁদের পিয়ালাতে আজি জোছনা-শিরাজি ঝরে।
ঝিমায় নেশায় নিশীথিনী সে-শরাব পান ক’রে।।
	সবুজ বনের জল্‌সাতে
	তৃণের গালিচা পাতে,
উতল হাওয়া বিলায় আতর চাঁপার আতরদানি ভ’রে।।
সাদা মেঘের গোলাব-পাশে ঝরিছে গোলাব-পানি,
রজনীগন্ধার গেলাসে রজনী দেয় সুরা আনি’।
	কোয়েলিয়া কুহু কুহু
	গাহে গজল মুহু মুহু,
সুরের নেশা সুরার নেশা লাগে আজি চরাচরে।।

নয়ন মুদিল কুমুদিনী হায়

বাণী

		নয়ন মুদিল কুমুদিনী হায়!
		তাহার ধ্যানের চাঁদ ডুবে যায়।।
		ভরিল সরসী তা’রি আঁখি-জলে
		ঢলিয়া পড়িল পল্লব-তলে,
অকরুণ নিষাদের তীর সম অরুণ-কিরণ বেঁধে এসে গায়।।
		কপোলের শিশির অভিমানে শুকালো,
		পাপড়ির আড়ালে পরাগ লুকাল।
		সরসীর জলে পড়ে আকাশের ছায়া
		নাই সেথা তারা-দল, চাঁদের মায়া,
জলে ডুবে মেটে না প্রাণের তৃষা হৃদয়ের মধু তার হৃদয়ে শুকায়।।

মার্‌হাবা সৈয়দে মক্কী-মদনী

বাণী

মার্‌হাবা সৈয়দে মক্কী-মদনী আল্-আরবি।
বাদ্‌শারও বাদশাহ্ নবীদের রাজা নবী।।
ছিলে মিশে আহাদে, আসিলে আহমদ হয়ে
বাঁচাতে সৃষ্টি খোদার, এলে খোদার সনদ ল’য়ে,
মানুষে উদ্ধারিলে মানুষের আঘাত সয়ে —
মলিন দুনিয়ায় আনিলে তুমি যে বেহেশ্‌তী ছবি।।
পাপের জেহাদ-রণে দাঁড়াইলে তুমি একা
নিশান ছিল হাতে ‘লা-শরীক আল্লাহ্’ লেখা,
গেল দুনিয়া হতে ধুয়ে মুছে পাপের রেখা —
বহিল খুশির তুফান উদিল পুণ্যের রবি।।

টারালা টারালা টারালা টা টারালা

বাণী

	টারালা টারালা টারালা টা টারালা টারালোল্লা
নাচে	শুটকী শুকনো সাহেবকে ধ'রে মুটকি মিস আরসোল্লা।
		হা-হা- হা-হা- হা।।
	খুরওয়ালা জুতা পরে খটখট ঠেংরী নাড়ে
	চাবুক খেয়ে জোড়া ঘোড়ায় যেন পেছলি ঝাড়ে!
দেখে	পাদ্রি, পুরুত, মোল্লা বাবাজী কাছা খোল্লা।
		আর বাবাজী কাছা খোল্লা।।
দেখে	আণ্ডাওয়ালা ভাবে বুঝি খেল ডাণ্ডাগুলি
হা	গণ্ডার মার্কা ষণ্ডা বিবি খেল ডাণ্ডাগুলি
হা	ভাব-আবেশের নয়ন তাহার হলো নয়ান ঝুলি;
	নেকু বাবুর ঢেকুর ওঠে পেটে মেকুর আচড়ায়!
	কাল্লু ভাবে মেম পালোয়ান সাহেবকে বুঝি পাছড়ায়। ( হায় হায় হায়)
	যতো কাবলিওয়ালা মাউড়া সব হো গিয়া ভাই বাউড়া
	মোষের গাড়োয়ান প্রেম-রসে হলো রসগোল্লা।।