


বাজো বাঁশরি বাজো বাঁশরি বাজো বাঁশরি সেই চির-চেনা সুরে। যে সুরে বিরহী প্রাণ আজও ঝুরে।। যে সুরে হৃদয়ে হোরির রং লাগে ভুলে যাওয়া যৌবন-স্মৃতি মনে জাগে, আকাশ কাঁদে যে সকরুণ রাগে — যে সুর ঘুমায়ে আছে প্রিয়ার নূপুরে।। যে সুর শুনি আজো পল্লীর প্রান্তে মল্লিকা-কুঞ্জে শ্রান্ত দিনান্তে, বিরহ বিধূর দূর হারানো দিনের — ছায়া ফেলে যে-সুর মনের মুকুরে।।
রাগঃ কাফি
তালঃ ত্রিতাল
মা-মা-মা-মা-মা-মাগো এবারের পূজা মাগো দশভূজা বড় দুর্গতিময়। পড়েছিস এ.বি.সি.ডি? বুঝিস ব্ল্যাক আউট কারে কয়? ব্ল্যাক আউট মানে যত কালো ছিল বাহির হয়েছে মাগো যত আলো ছিল যত ভালো ছিল, সকলেরে বলে ভাগো। ডাইনে বাঁ ধারে ভীষণ আঁধারে হাঁটু কাঁপে আর হাঁটি আমড়ার মত হয়ে আছি মাগো চামড়া এবং আঁটি। নন্দী ভৃঙ্গী সিঙ্গি যাইলে তাহারাও ভয় পাবে তাদের দিব্য দৃষ্টি লয়েও মাগো আঁধারে হোঁচট খাবে। বলি বিগ্রহ তোর কে দেখিতে যাবে মা কুগ্রহের ফেরে বিড়ি খেয়ে ফেরে গুন্ডারা যদি দেয় মাগো ভুঁড়ি ফেড়ে। মা তুই বর দেওয়ার আগেই বর্বরেরা এসে ঠেসে ধরে নিয়ে যাবে চিত্রগুপ্তের দেশে। চোঁয়া ঢেকুর ওঠে মা মেকুর ডাকিলে কেঁদে উঠি ওঙা ওঙা; ঢেঁকির আওয়াজ শুনলে মাগো ভয়ে খাড়া হয়ে ওঠে রোঁয়া। সত্য পথে মা চলিতে পারি না পথে কাদা রাখে ফেলে উচিত কথা মাগো বলিতে পারি না চিৎ করে দেয় ফেলে। এ চিতে শক্তি দে মা চিৎ করবো ভয়কে বলবো এবার তোরে খাব দে মা মাগো মা।।
নাট্য-গ্রন্থঃ ‘ব্লাক আউট’
ব্ল্যাক আউট নাট্যগ্রন্থের এই পাঠকে, আদি রেকর্ডের (এন. ২৭২০৬) পাঠের তুলনায়, স্বতন্ত্র গান হিসাবে বিবেচনা করা যায়।
[অগ্রন্থিত নজরুল, সংকলন ও সম্পাদনাঃ ব্রহ্মমোহন ঠাকুর, ডি.এম. লাইব্রেরি, কলকাতা, ২০০৩]
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
ভালোবাসি কলঙ্কী চাঁদ মেঘের পাশে। মোর ফুল আরো ভালো লাগে ভ্রমর সে ফুলে যদি আসে।। ভালোবাসি নিঝুম রাতি যদি রহে সুন্দর সাথী, সেই সুন্দর সাথী প্রিয়তম হয়, যবে চঞ্চল হয়ে ওঠে প্রণয় পিয়াসে।।
নাটক: দেবী দূর্গা
রাগঃ
তালঃ
খোদার প্রেমের শরাব পিয়ে বেহুঁশ হয়ে রই প’ড়ে ছেড়ে’ মস্জিদ আমার মুর্শিদ এল যে এই পথ ধ’রে।। দুনিয়াদারির শেষে আমার নামাজ রোজার বদ্লাতে চাইনে বেহেশ্ত্ খোদার কাছে নিত্য মোনাজাত ক’রে।। কায়েস যেমন লাইলী লাগি’ লভিল মজনু খেতাব যেমন ফরহাদ শিঁরির প্রেমে হ’ল দিওয়ানা বেতাব। বে–খুদীতে মশ্গুল্ আমি তেমনি মোর খোদার তরে।।
রাগঃ মাঢ় মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

মাগো আমি মন্দমতি তবু যে সন্তান তোরই (হায়) পুত্র বেড়ায় কাঙাল বেশে মা যার ভূবনেশ্বরী।। তুই যে এত হানিস হেলা (তবু) তোকেই ডাকি সারা বেলা মার খেলে মা’র শিশুর মত মাগো তোকেই জড়িয়ে ধরি।। মা হয়ে তুই কেমন করে কোল থেকে তোর দিলি ফেলে (মাগো) কেন দিলি ধুলায় ফেলে? (আমি) মন্দ এত হতাম না মা মায়ের স্নেহ-সুধা পেলে। (মা) তোর উপরে অভিমানে দু’চোখ যায় যেদিক পানে সেই দিকে তাই ধাই মা এখন মরণ-বাঁচন ভয় না করি।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

হে গোবিন্দ, ও অরবিন্দ চরণে শরণ দাও হে। বিফল জনম কাটিল কাঁদিয়া, শান্তি নাহি কোথাও হে।। জীবন-প্রভাত কাটিল খেলায়, দুপুর ফুরাল মোহের মেলায়। ডাকিব যে নাথ সন্ধ্যা-বেলায়, ডাকিতে পারিনি তাও হে।। এসেছি দুঃখ-জীর্ণ পথিক মৃত্যু-গহন রাতে। কিছু নাহি প্রভু সম্বল, শুধু জল আছে আঁখি-পাতে।। সন্তান তব বিপথগামী, ফিরিয়া এসেছে হে জীবন-স্বামী। পাপী তাপী তবু সন্তান আমি ধূলা মুছে-কোলে নাও হে।।
রাগঃ বেহাগ
তালঃ একতাল

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan