মেঘ-বরণ কন্যা থাকে মেঘলামতীর দেশে

বাণী

মেঘ-বরণ কন্যা থাকে মেঘলামতীর দেশে (রে)
সেই দেশে মেঘ জল ঢালিও তাহার আকুল কেশে।।
	তাহার কালো চোখের কাজল
	শাওন মেঘের চেয়ে শ্যামল
চাউনিতে তার বিজলি ছড়ায় চমক বেড়ায় ভেসে (রে)।।
সে ব’সে থাকে পা ডুবিয়ে ঘুমতী নদীর জলে
কভু দাঁড়িয়ে থাকে ছবির মত একলা তরু-তলে (রে)।
	কদম ফুলের মালা গেঁথে
	ছড়িয়ে সে দেয় ধানের ক্ষেতে
তারে দেখতে পেলে আমার কথা (তারে) কইও ভালোবেসে।।

আমি গত জনমে হে প্রিয়

বাণী

আমি গত জনমে, হে প্রিয়, যত কথা বলেছিনু তব কাছে।
ফুল হয়ে সেই কথা আজ পৃথিবীতে ফুটিয়াছে।।
	কাঁদিয়া কাঁদিয়া যত আঁখি মম
	নিভিয়া গিয়াছে ওগো প্রিয়তম
তারা হয়ে সেই আঁখিগুলি মোর তব পথ চেয়ে আছে।।
যত দীপ জ্বেলে নিশি জেগেছিনু একা বাতায়ন তলে,
কমল কুমুদ হয়ে সেই দীপ ফুটেছে সায়র জলে।
	চকোরিনী হয়ে অপূর্ণ সাধ
	আজো কেঁদে যায় ওগো মোর চাঁদ,
চাতকিনী হয়ে আজো মোর প্রাণ তৃষ্ণার জল যাচে।।

মদিনার শাহানশাহ্ কোহ্-ই-তূর-বিহারী

বাণী

মদিনার শাহানশাহ্ কোহ্-ই-তূর-বিহারী
মোহাম্মদ মোস্তফা নবুয়তধারী॥
আল্লার প্রিয় সখা, দুলাল মা আমেনার
খাদিজার স্বামী, প্রিয়তম আয়েশার
আস্‌হাবের হাম্‌দম্‌, ওয়ালেদ ফাতেমার,
বেলালের আজান, খালেদের তলোয়ার,
কেয়ামতে উম্মত শাফায়ত-কারী॥
তৌহিদ-বাণী মুখে, আল-কোরআন হাতে
খোদার নূর দেখি যাঁর হাসির ইশারাতে
যাঁর কদমের নীচে দুলে কত জিন্নাত,
যে দু’হাতে বিলালো দুনিয়ায় খোদার মোহাব্বত
হো মেরাজের দুলহা আল্লার আর্শচারী॥
নয়নে যাঁর সদা খোদার রহমত ঝরে
সংসার মরুবাসী পিয়াসার তরে
আনিল যে কওসর সাহারা নিঙাড়ি’॥

পরমাত্মা নহ তুমি মোর

বাণী

পরমাত্মা নহ তুমি মোর (তুমি) পরমাত্মীয় মোর।
হে বিপুল বিরাট! মোর কাছে তুমি, প্রিয়তম চিতচোর॥
তোমারে যে ভয় করে হে বিশ্বত্রাতা
তার কাছে তুমি রুদ্র দন্ডদাতা,
প্রেমময় বলে তোমারে যে বাসে ভালো
তার কাছে তুমি মধুর লীলা কিশোর॥
দ্যাখে ভীরু চোখ আষাঢ়ের মেঘে বজ্র তব বিপুল,
মোর মালঞ্চে সেই মেঘে হেরি, ফোটায় নবমুকুল।
আকাশের নীল অসীম পদ্ম পরে
চরণ রেখেছ, হে মহান লীলা ভরে
সেই অনন্ত জানি না কেমন ক’রে
আমার হৃদয়ে খেল দিবানিশি ভোর॥

ও শাপ্‌লা ফুল নেবো না

বাণী

মেয়েঃ	ও শাপ্‌লা ফুল নেবো না বাবলা ফুল এনে দে
		নইলে দেবো না বাঁশি ফিরিয়ে।
ছেলেঃ	খুলে বেণীর বিনুনী, খোঁপার চিরুনি
		হাতে দে, যাব খানিক জিরিয়ে।
মেয়েঃ	বন-পায়রার পালক দে কুড়িয়ে,
ছেলেঃ	তোর চোখের চাওয়া পায়রা দিল উড়িয়ে,
দুজনেঃ	মোদের ঝগড়া দেখে হালকা হাওয়া বহে ঝিরঝিরিয়ে।
ছেলেঃ	তোর জোড়া ভুরু-ধনুক মোর নাসিকা বাঁশি লো
মেয়েঃ	চাঁদের চেয়ে ভালো লাগে
		কালো রূপের হাসি রে তোর কালো রূপের হাসি
ছেলেঃ	ওই কালো চোখের হাসি।
মেয়েঃ	তুই যাদু করে মন দিলি দুলিয়ে
দুজনেঃ	মোদের কথা শুনে শিরিষ পাতা ওঠে শিরশিরিয়ে॥

সিনেমাঃ ‘অভিনয় নয়’

চোখ গেল চোখ গেল

বাণী

‘চোখ গেল’ ‘চোখ গেল’ কেন ডাকিস রে
			চোখ গেল পাখি (রে)।
তোর ও চোখে কাহার চোখ পড়েছে নাকি রে
			চোখ গেল পাখি (রে)।।
চোখের বালির জ্বালা জানে সবাই রে
চোখে যার চোখ পড়ে তার অষুধ নাই রে
কেঁদে কেঁদে অন্ধ হয় তাহার আঁখি রে।।
তোর চোখের জ্বালা বুঝি নিশি রাতে বুকে লাগে
চোখ গেল ভুলে রে ‘পিউ কাঁহা’ ‘পিউ কাঁহা’ বলে
			তাই ডাকিস অনুরাগে রে।
ওরে বন পাপিয়া কাহার গোপন্-প্রিয়া
			ছিলি আর জনমে
আজো ভুলতে নারিস আজো ঝুরে হিয়া
ওরে পাপিয়া বল্ যে হারায় তাহারে কি
			পাওয়া যায় ডাকি’ রে।।