কারা-পাষাণ ভেদি’ জাগো নারায়ণ

বাণী

কারা-পাষাণ ভেদি’ জাগো নারায়ণ!
কাঁদিছে বেদীতলে আর্ত জনগণ,
বন্ধ-ছেদন জাগো নারায়ণ।।
হত্যা-যূপে আজি শিশুর বলিদান
অমৃত-পুত্রেরা মৃত্যু-ম্রিয়মাণ!
শোণিত-লেখা জাগে — নাহি কি ভগবান?
মৃত্যুক্ষুধা জাগে শিয়রে লেলিহান!
শঙ্কা-নাশন জাগো নারায়ণ।।

আজ ভারতের নব আগমনী

বাণী

আজ ভারতের নব আগমনী জাগিয়া উঠেছে মহাশ্মশান
জাগরণী গায় প্রভাতের পাখি ফুলে ফুলে হাসে গোরস্থান॥
	ট’লেছে অটল হিমালয় আজি
	সাগরে শঙ্খ উঠিয়াছে বাজি’
হলাহল শেষে উঠেছে অমৃত বাঁচাইতে মৃত মানব-প্রাণ॥
	আঁধারে ক’রেছে হানাহানি যারা
	আলোকে চিনেছে আত্মীয় তা’রা
এক হয়ে গেছে খ্রিস্টান, শিখ, হিন্দু, পারসি, মুসলমান।
	এই তাপসীর চরণের তলে
	লভিয়াছে জ্ঞান শিক্ষা সকলে 
আবার আসিবে তারা দলে দলে করিতে পুণ্য-তীর্থ-স্নান॥

কেমনে কহি প্রিয় কি ব্যথা প্রাণে বাজে

বাণী

কেমনে কহি প্রিয় কি ব্যথা প্রাণে বাজে
কহিতে গিয়ে কেন ফিরিয়া আসি লাজে।।
	শরমে মরমে ম'রে
	গেল বনফুল ঝ'রে
ভীরু মোর ভালোবাসা শুকালো মনের মাঝে।।
	আজিকে ঝরার আগে,
	নিলাজ অনুরাগে
ধরিতে যে সাধ জাগে হৃদয়ে হৃদয় রাজে।।

হে বিধাতা হে বিধাতা হে বিধাতা

বাণী

হে বিধাতা! হে বিধাতা! হে বিধাতা!
দুঃখ-শোক-মাঝে, তোমারি পরশ রাজে,
কাঁদায়ে জননী-প্রায়, কোলে কর পুনরায়, শান্তি-দাতা।।
ভুলিয়া যাই হে যবে সুখ-দিনে তোমারে
স্মরণ করায়ে দাও আঘাতের মাঝারে।
দুঃখের মাঝে তাই, হরি হে, তোমারে পাই দুঃখ-ত্রাতা।।
দারা-সুত-পরিজন-রূপে হরি, অনুখন
তোমার আমার মাঝে আড়াল করে সৃজন।
তুমি যবে চাহ মোরে, লও হে তোদের হ’রে
ছিঁড়ে দিয়ে মায়া-ডোর, ক্রোড়ে ধর আপন।
ভক্ত সে প্রহ্লাদ ডাকে যবে ‘নারায়ণ’,
নির্মম হয়ে তার পিতারও হর জীবন।
সব যবে ছেড়ে যায় দেখি তব বুকে হায় আসন পাতা।।

জপ্ লে রে মন মেরা

বাণী

জপ্ লে রে মন মেরা প্রভুকে নামকে মালা।
সবের শামমে হর এক কামমে জপ লে উও নাম নিরালা।।
	বসন ভূষণ উওহি নামসে সাজাও
	উওহি নামসে ভুখ তৃষ্ণা মিটাও,
উও নাম লেকে ফিরো রোতে রোতে নামসে কর হৃদয় উজিয়ালা।।
উওহি নাম কি নামাবলী গ্রহতারা রবিশশী ঝুলে গগনমণ্ডল মে
ছোড় লোভ মোহ ক্রোধ কামকো
জপত রহো নদা মধুর উও নামকো,
			নামমে রহো সদা মাতোয়ালা।।
আদর ভাব মন উনহিসে,
প্রেম পীতি কর উনহিকে চরণ সে।
উওহি নাম ধ্যনমে উওহি নাম জ্ঞানমে
উওহি নাম জপত রহো মন প্রাণমে,
			উওহি হায় সবকে পালনওয়ালা।।

নাচে তেওয়াড়ী চৌবেজী দৌবে পাঁড়ে

বাণী

নাচে তেওয়াড়ী চৌবেজী দৌবে পাঁড়ে
তালে তালে ভুঁড়ি নাড়ে (হাঁরে)।।
নাচে কাবলিওয়ালা আগা হেলায় দাড়ি
নাচে ইয়া গোঁফওয়ালা প’রে ঘাঘরি শাড়ি।
নাচে পান্ডাজী ধপাস্ ধপাস্
নাচে যুপী বুড়ি থপাস্  থপাস্
ফোঁপরা ঢেঁকিতে যেন চাল কাঁড়ে।।
নাচে তাড়তা হিড়িম্বে শূর্পণখা
নাচে উচ্চিংড়ে আরশোলা গুবরে পোকা
নাচে কিক্কড় কাল্লু গামা, নাচিছে ধুচুনি নাচিছে ধামা
নাচিছে ডুয়েট ঘটোৎকচ গোপাল ভাঁড়ে।।
নাচে নানা মিঞা হায় হায় ঘুরিয়ে লুঙ্গি
নাচে মাদ্রাজি উড়িয়া মগ বার্মিজ ফুঙ্গি
তাকিয়ার খোল পরে বল নাচে
সায়েবের সাথে মেম পাছে পাছে
ঘুরে ঘুরে যেন গরু ধান মাড়ে।।