রাঙা পির্‌হান প'রে শিশু নবী খেলেন পথে

বাণী

রাঙা পির্‌হান প'রে শিশু নবী খেলেন পথে।
দেখে হুর-পরীরা সব লুকিয়ে বেহেশ্‌ত হ'তে।।
মোহনী সুরত বাঁকা চাঁদে চন্দন মাখা।
নূরানী রওশনী তাঁর চমকে দিনের আলোতে।।
নাচের তালে তালে সোনার তাবিজ দোলে,
চরণ তলে ধূলি কাঁদে মোহাম্মদ ব'লে।
নীল রেশমি রুমাল বাঁধা তাঁর চাঁচর কেশে
রাঙা সালোয়ার প'রে নাচে সে হেসে হেসে,
খোদার আরশ টলে সে রূপ-সুধা-স্রোতে।।

মুরলীধ্বনি শুনি ব্রজনারী

বাণী

	মুরলীধ্বনি শুনি ব্রজনারী
	যমুনা-তটে আসিল ছুটে
কুল মান যৌবন দিল চরণে ডারি।।
	পবন গতিহীন রয়ে
	যমুনা উজান বহে
বাঁশরি শুনি’ বিসরে গীত ময়ূর ময়ূরী শুক সারি।।
চকিত হয়ে ধেনুগণ তৃণ নাহি পরশে
গলিয়া পড়ে মেঘ সুর শুনি হরষে।
	বেভুল আহিরিণী
	চেয়ে থাকে উদাসিনী
বাঁশরি শুনি পাশরি গেল নিতে গাগরিতে বারি।।

আঁধার মনের মিনারে মোর

বাণী

আঁধার মনের মিনারে মোর হে মুয়াজ্জিন, দাও আজান
গাফেলতির ঘুম ভেঙে দাও হউক নিশি অবসান।।
	আল্লাহ নামের যে তক্‌বীরে
	ঝর্না বহে পাষাণ চিরে
শুনি’ সে তক্‌বিরের আওয়াজ জাগুক আমার পাষাণ প্রাণ।।
জামাত ভারি জমবে এবার এই দুনিয়ার ঈদগাহে,
মেহেদী হবেন ইমাম সেথায় রাহ্ দেখাবেন গুমরাহে।
	আমি যেন সেই জামাতে
	সামিল হতে পারি প্রাতে
ডাকে আমায় শহীদ হতে সেথায় যতো নওজোয়ান।।

নাচো বনমালী করতালি দিয়া

বাণী

নাচো বনমালী করতালি দিয়া হেলে দুলে ধিয়া তাধিয়া।
মধুর ছন্দে নাচো আনন্দে আমার প্রাণ নাচাইয়া।
একবার নাচো হে —
বাঁকা শিখী পাখা বামে হেলায়ে, বাঁকাশ্যাম একবার নাচো হে।
বাঁকা নয়ন পীত-বসন, বনমালা গলে নাচ হে।
এসো ত্রিভঙ্গ ঠামে শ্যামরায় —
‘দক্ষিণে বামে ছন্দ নামে’ রুমুঝুমু নূপুর-পায়।।
অলক-তিলক আঁকা, শিরে শিখী পাখা, এসো মন-বন-ছায়ায়।
ঐ শুনি তার বাজে বাঁশরি আসে ঐ আসে প্রাণের হরি।।
কোটি অমল কমল-গন্ধে,
আসে দশদিক আমোদিত করি’
		এলো ঐ এলো প্রাণের হরি।।

চলচ্চিত্র : ‘ধ্রুব’

কে সাজালো মাকে আমার

বাণী

	কে সাজালো মাকে আমার বিসর্জনের বিদায় সাজে
	আজ সারাদিন কেন এমন করুণ সুরে বাঁশি বাজে॥
	আনন্দেরি প্রতিমাকে হায়, বিদায় দিতে পরান নাহি চায়
	মা-কে ভাসিয়ে জলে কেমন করে রইব আঁধার ভবন মাঝে॥
মা’র	আগমনে বেজেছিল প্রাণে নূতন আশার বাঁশি
	দুঃখ শোক ভয় ভুলেছিলাম দেখে মা অভয়ার মুখের হাসি।
	মা দশ হাতে আনন্দ এনেছিল, বিশ হাতে আজ দুঃখ ব্যথা দিল
মা	মৃন্ময়ীকে ভাসিয়ে জলে, পাব চিন্ময়ীকে বুকের মাঝে॥

হরি নাচত নন্দদুলাল

বাণী

(হরি) নাচত নন্দদুলাল
শ্যামল সুন্দর মদন মনোহর
নওল কিশোর কানাইয়া গোপাল।
নাচত গিরিধারী ময়ূর মুকুট পরি
দিকে দিকে ছন্দ আনন্দ পড়িছে ঝরি
নাচে গোপী সখা বংশীওয়ালা হরি
রুনুঝুনু বাজওত ঘুঙ্গুর তাল।

নাটিকাঃ ‘মীরাবাঈ’