বাণী
কেন প্রেম-যমুনা আজি হলো অধীর দোলে টলমল রহে না স্থির।। মানে না বারণ উথলে বারি ভাসালো কুললাজ রুধিতে নারি সখি ডাক শুনেছে সে কার মুরলীল।।
নাটকঃ ‘সিরাজদ্দৌলা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
ভিডিও
স্বরলিপি

কেন প্রেম-যমুনা আজি হলো অধীর দোলে টলমল রহে না স্থির।। মানে না বারণ উথলে বারি ভাসালো কুললাজ রুধিতে নারি সখি ডাক শুনেছে সে কার মুরলীল।।
নাটকঃ ‘সিরাজদ্দৌলা’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

কাঁদবো না আর শচীদুলাল তোমায় ডেকে ডেকে মোরা কাঁদবো না — (প্রিয়) তুমি গেছ চলে তোমার প্রেম গিয়েছ রেখে তাই কাঁদব না॥ ত্যাগ যেখানে প্রেম যেখানে তোমার মধু-রূপ সেখানে ওগো জগন্নাথের দেউল তোমায় রাখবে কোথায় ঢেকে॥ হল বৈরাগিনী ধরা তোমার চরণ ধূলি মেখে তোমার মন্ত্র নিল অসীম আকাশ চাঁদের তিলক এঁকে। সুন্দর যা কিছু হেরি ওগো রূপ সে শচী-নন্দনেরি তোমার ডাক শুনি যে আজো হৃদয়পুরীর সাগর থেকে। তোমার ডাক শুনি যে ওহে প্রিয় ডাক শুনি যে আজো হৃদয়পুরীর সাগর থেকে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

কৃষ্ণ কৃষ্ণ বল্ রসনা রাধা রাধা বল্, রাধাকৃষ্ণ রাধাকৃষ্ণ রাধাকৃষ্ণ বল্।। যোগে খোঁজেন শিব কৃষ্ণ-গোবিন্দে ব্রহ্মা পূজেন রাধা-চরণারবিন্দে, অধরা যুগল চাঁদে ধরিল প্রেমের ফাঁদে গোপ গোপীদল।। (মোর) শ্রীকৃষ্ণে থাকে যেন অটল মতি সেই মতি দেন্ মোর রাধা শ্রীমতী, মন-বৃন্দাবনে ফোটে কৃষ্ণ নামের ফুল — ঝরায়ে সে-ফুল রাই দেন সবে প্রেম-ফল।। রাধাকৃষ্ণ বল্ ওরে নর-নারী সংসার বনে তোরা যেন শুক-শারি, তার, পরানে নিত্য রাস-রসের উল্লাস — যাহার হৃদয়ে দোলে মূরতি যুগল।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

সুদূর সিন্ধুর ছন্দ উতল আমরা কলগীতি চঞ্চল॥ তুফান ঝঞ্ঝা কল্লোল ছলছল ঊর্ধ্বে আমি ঝড় বহি শন্শন্ মম বক্ষে তব মঞ্জির তোলে গো রণন্ আনন্দ চিত্তে মেতে উঠি নৃত্যে গুরু গুরু গুরু বাজে বাদল মাদল॥ তুমি গগন তলে উঠি মেঘের ছলে জল-বিম্বমালা বালা পরাও গলে। তুমি বাদল হাওয়ায় কর আদন যখন মোরে কান্না পাওয়ায়। ধুলি গৈরিক ঝড়ে সাগর নীলাম্বরী জড়াইয়া অপরূপ করে ঝলমল॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

গিরিধারী গোপাল ব্রজ গোপ দুলাল অপরূপ ঘনশ্যাম নব তরুণ তমাল॥ বিশাখার পটে আঁকা মধুর নিরুপম কান্ত ললিতার শ্রীরাধা প্রীতম রুক্মিণী-পতি হরি যাদব ভূপাল॥ যশোদার স্নেহডোরে বাঁধা ননীচোর নন্দের নয়ন-আনন্দ-কিশোর শ্রীদাম-সুদাম-সখা গোঠের রাখাল॥ কংস-নিসূদন কৃষ্ণ মথুরাপতি গীতা উদ্গাতা পার্থসারথি পূর্ণ ভগবান বিরাট বিশাল॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

নবীন আশা জাগ্ল যে রে আজ! নূতন রঙে রাঙা তোদের সাজ॥ কোন সে বাণী বাজ্ল প্রাণের মাঝ বাজরে বীনা বাজ, দীপক-তানে বাজ আপন কাজে পাস্ রে কেন লাজ? এগিয়ে গিয়ে ধর্ রে নিজের কাজ। শির্ উচিয়ে দাঁড়া জগৎ-মাঝ! তোদের কণ্ঠে হানে যেন প্রবল বাজ॥ ফেলে দে রে যা কিছু সব জীর্ণ রিক্ত যা, হবে তা দীর্ণ। থাকিস্ নে বসে কেউ শীর্ণ দুন্দুভি-ঢাক বাজুক না রে আজ॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ নিলুফার ইয়াসমিন