হায় ভিখারি কাহার কাছে হাত পাতিলে হায়

বাণী

হায় ভিখারি কাহার কাছে হাত পাতিলে হায়।
তোমার চেয়েও আমি যে দীন কাঙাল অসহায়।।
	আমার হয়ত কিছু ছিল কভু
	সব নিয়েছেন কেড়ে প্রভু
আমায় তিনি নেননি তবু তাঁহার রাঙা পায়।।
তোমায় তিনি পথ দেখালেন ভাবনা কিসের ভাই
তোমার আছে ভিক্ষা ঝুলি আমার তাহাও নাই।
	চাইনে তবু আছি পড়ে
	সংসারে জড়িয়ে ধরে
কবে তোমার মতন পথের ধূলি মাখব সারা গায়।।

নবীর মাঝে রবির সম আমার মোহাম্মদ রসুল

বাণী

নবীর মাঝে রবির সম আমার মোহাম্মদ রসুল।
খোদার হবিব দীনের নকিব বিশ্বে নাই যার সমতুল।।
	পাক আরশের পাশে খোদার
	গৌরবময় আসন যাঁহার,
খোশ-নসীব উম্মত আমি তাঁর (আমি) পেয়েছি অকূলে কূল।।
	আনিলেন যিনি খোদার সালাম;
	তাঁর কদমে হাজার সালাম;
ফকির দরবেশ জপি' সেই নাম (সবে) ঘর ছেড়ে হলো বাউল।।
	জানি, উম্মত আমি গুনাহগার
	হবো তবু পুলসরাত পার;
আমার নবী হযরত আমার করো মোনাজাত কবুল।।

কেন ঝুলনাতে একেলা দোলে

বাণী

	কেন ঝুলনাতে একেলা দোলে রাইকিশোরী।
	বুঝি মেঘের মাঝে হারিয়ে গেল মেঘ-বরণ হরি।।
	সই	দধির মাঝে ননী থাকে
	মোরা	মথন করে আনি তাকে,
মোরা	নিঙ্‌ড়ে মেঘের সাগর, শ্যামে আনব বাহির করি’।।
ঐ	কালাকে সই ভালো জানি, জানি তাহার ঢং,
তার	কৃষ্ণ রূপের আঁধার খরা শুধু রাধার রং।
	যে	না থাকিলে রাধার মাঝে
		দোলনাতে রাই দুলত না যে
সই	মেঘ যদি না থাকে সই কেন চমকায় বিজরী।।

গীতি-আলেখ্য : ‌‘হিন্দোলা’

রুমঝুম্ রুমঝুম্ রুমঝুম্ ঝুম্‌ঝুম্‌

বাণী

রুমঝুম্ রুমঝুম্ রুমঝুম্ ঝুম্‌ঝুম্‌
নূপুর বাজে আসিল রে প্রিয় আসিল রে।।
	কদম্ব-কলি শিহরে আবেশে
	বেণীর তৃষ্ণা জাগে এলোকেশে
হৃদি ব্রজধাম রস-তরঙ্গে প্রেম-আনন্দে ভাসিল রে।।
	ধরিল রূপ অরূপ শ্রী হরি
	ধরণী হলো নবীনা কিশোরী
চন্দ্রার কুঞ্জ ছেড়ে যেন কৃষ্ণ চন্দ্রমা-গগনে হাসিল রে।।
	আবার মল্লিকা-মালতী ফোটে
	বিরহ-যমুনা উথলি’ ওঠে
রোদন ভুলে রাধা গাহিয়া ওঠে সুন্দর মোর ভালোবাসিল রে।।

কোন্ মরমীর মরম-ব্যথা

বাণী

কোন্ মরমীর মরম-ব্যথা আমার বুকে বেদ্না হানে
			জানি গো, সেও জানেই জানে।
আমি কাঁদি তাইতে যে তার ডাগর চোখে অশ্রু আনে,
			বুঝেছি তা প্রাণের টানে।।
বাইরে বাঁধি মনকে যত
ততই বাড়ে মর্ম-ক্ষত,
মোর সে ক্ষত ব্যথার মতো
			বাজে গিয়ে তারও প্রাণে,
			কে কয়ে যায় কানে কানে।।
উদাস বায়ু ধানের ক্ষেতে ঘনায় যখন সাঁঝের মায়া,
দুই জনারই নয়ন-পাতায় অম্‌নি নামে কাজল ছায়া।।
দুইটি হিয়াই কেমন কেমন —
বদ্ধ ভ্রমর পদ্মে যেমন,
হায়,অসহায় মূকের বেদন,
			বাজ্‌লো শুধু সাঁঝের গানে,
			পূবের বায়ুর হুতাশ তানে।।

মোহাম্মদের নাম জপেছিলি বুলবুলি তুই আগে

বাণী

মোহাম্মদের নাম জপেছিলি বুলবুলি তুই আগে।
তাই কিরে তোর কণ্ঠেরি গান, (ওরে) এমন মধুর লাগে।।
	ওরে গোলাপ নিরিবিলি
	নবীর কদম ছুঁয়েছিলি —
তাঁর কদমের খোশবু আজো তোর আতরে জাগে।।
	মোর নবীরে লুকিয়ে দেখে
	তাঁর পেশানির জ্যোতি মেখে,
ওরে ও চাঁদ রাঙলি কি তুই গভীর অনুরাগে।।
	ওরে ভ্রমর তুই কি প্রথম
	চুমেছিলি তাঁহার কদম,
গুন্‌গুনিয়ে সেই খুশি কি জানাস্‌ রে গুল্‌বাগে।।