বাণী
ভালোবাসি কলঙ্কী চাঁদ মেঘের পাশে। মোর ফুল আরো ভালো লাগে ভ্রমর সে ফুলে যদি আসে।। ভালোবাসি নিঝুম রাতি যদি রহে সুন্দর সাথী, সেই সুন্দর সাথী প্রিয়তম হয়, যবে চঞ্চল হয়ে ওঠে প্রণয় পিয়াসে।।
নাটক: দেবী দূর্গা
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
ভালোবাসি কলঙ্কী চাঁদ মেঘের পাশে। মোর ফুল আরো ভালো লাগে ভ্রমর সে ফুলে যদি আসে।। ভালোবাসি নিঝুম রাতি যদি রহে সুন্দর সাথী, সেই সুন্দর সাথী প্রিয়তম হয়, যবে চঞ্চল হয়ে ওঠে প্রণয় পিয়াসে।।
নাটক: দেবী দূর্গা
রাগঃ
তালঃ
যেদিন রোজ হাশরে করতে বিচার তুমি হবে কাজী সেদিন তোমার দিদার আমি পাব কি আল্লাজী।। সেদিন নাকি তোমার ভীষণ কাহ্হার রূপ দেখে পীর পয়গম্বর কাঁদবে ভয়ে ‘ইয়া নফসী’ ডেকে; সেই সুদিনের আশায় আমি নাচি এখন থেকে। আমি তোমায় দেখে হাজারো বার দোজখ যেতে রাজী। আল্লাহ তোমায় দেখে হাজারো বার দোজখ যেতে রাজি।। যেরূপে হোক বারেক যদি দেখে তোমায় কেহ দোজখ্ কি আর ছুঁতে পারে পবিত্র তাঁর দেহ। সে হোক না কেন হাজার পাপী হোক না বে-নামাজী।। ইয়া আল্লাহ, তোমার দয়া কত তাই দেখাবে ব’লে রোজ-হাশরে দেখা দেবে বিচার করার ছলে, — প্রেমিক বিনে কে বুঝিবে তোমার এ কারসাজি।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

প্রিয় এমন রাত যেন যায় না বৃথাই পরি চাঁপা ফুলের শাড়ি খয়েরিটিপ, জাগি বাতায়নে জ্বালি আঁখি প্রদীপ, মালা চন্দন দিয়ে মোর থালা সাজাই।। তুমি আসিবে বলে সুদূর অতিথি জাগে চাঁদের তৃষা লয়ে কৃষ্ণা তিথি, কভু ঘরে আসিকভু বাহিরে চাই।। আজি আকাশে বাতাসে কানাকানি, জাগে বনে বনে নবফুলের বাণী, আজি আমার কথা যেন বলিতে পাই।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ অনুরাধা পোড়ওয়াল

ওকি ঈদের চাঁদ গো! চলে মদিনারই পথে গো! যেন হাসিন্ য়ুসোফ্ ফিরে এলো ফিরদৌস হতে গো।। যাহারা তার রূপ দেখে তারা ঝুরিছে আস্মানে গুল্ ভুলে তাই বুল্বুলি চেয়ে আছে গুলিস্তানে। বুঝি বেহেশ্তেরই বাদশাজাদা এলো সোনার রথে গো।। সাদা কবুতরের মত চরণ দুটি ছুঁয়ে, গোলাপ চাঁপা উঠছে ফুটে ধূলিমাখা ভুঁয়ে গো। সেই চাঁদের মুখে জোছনা সম খোদার কালাম ঝরে তা’র রূপ দেখে, তা’র গুণ শুনে মোর মন রহে না ঘরে লো, আমি উন্মাদিনী সেই মাদানী নবীর মোহব্বতে গো।।
রাগঃ
তালঃ
মুকুর ল’য়ে কে গো বসি’। হেরিছে আপন ম্লান-মুখ-শশী।। সখিরা ডাকে বেলা ব’য়ে যায় দোপাটির ফুল ঝুরে আঙিনায়’ ধূলাতে লুটায় কাঁখের কলসি।। হেরিয়া তারি অলস ছবি, ডুবিতে নারে সাঁঝের রবি। কমল-কলি ল’য়ে আঁচলে ডাকিছে তারে গাঁয়ের সরসী।।
রাগঃ মূলতানী
তালঃ ত্রিতাল
বঁধু, তোমার আমার এই যে বিরহ এক জনমের নহে। তাই যত কাছে পাই তত এ হিয়ায় কি যেন অভাব রহে।। বারে বারে মোরা কত সে ভুবনে আসি দেখিয়া নিমেষে দুইজনে ভালোবাসি, দলিয়া সহসা মিলনের সেই মালা (কেন) চলিয়া গিয়াছি দোঁহে।। আমরা বুঝি গো বাঁধিব না ঘর, অভিশাপ বিধাতার। শুধু চেয়ে থাকি, কেঁদে কেঁদে ডাকি, চাঁদ আর পারাবার যেন চাঁদ আর পারাবার। মোদের জীবন-মঞ্জরি দুটি হায়! শতবার ফোটে শতবার ঝ'রে যায়; আমি কাদি ব্রজে (বঁধু), তুমি কাঁদ মথুরায়, মাঝে অপার যমুনা বহে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
