আমার দেওয়া ব্যথা ভোলো

বাণী

আমার দেওয়া ব্যথা ভোলো।
আজ যে যাবার সময় হলো।।
নিব্‌বে যখন আমার বাতি 
আসবে তোমার নূতন সাথি, 
আমার কথা তা'রে বলো।।
ব্যথা দেওয়ার কী যে ব্যথা 
জানি আমি, জানে দেবতা।
জানিলে না কী অভিমান 
করেছে হায় আমায় পাষাণ, 
দাও যেতে দাও, দুয়ার খোলো।।

সঙ্ঘ শরণ তীর্থযাত্রা পথে এসো

বাণী

সঙ্ঘ শরণ তীর্থযাত্রা-পথে এসো মোরা যাই।
সঙ্ঘ বাঁধিয়া চলিলে অভয় সে পথে মৃত্যু নাই।।
সঙ্ঘবদ্ধ হইলে তাদের সাথে,
ঐশী শক্তি সহায় হইয়া চলে হাত রেখে হাতে
সঙ্ঘবদ্ধ হইলে সারথি ভগবানে মোরা পাই।।
সঙ্ঘ শক্তি আসিলে সর্ব ক্লৈব্য হইবে লীন,
চল্লিশ কোটি মানুষ এই ভারতে
ভিন্ন হইয়া ডাকি ঠাঁই ঠাঁই, তাই মোরা পরাধীন।
মোরা সঙ্ঘবদ্ধ হই যদি একবার
জাতি ও ধর্ম ভেদ রবে নাকো আর
পাব সাম্য, শান্তি, অন্ন, বস্ত্র পুনঃ সবাই।।

হে অশান্তি মোর এসো এসো

বাণী

	হে অশান্তি মোর এসো এসো —
(তব)	প্রবল প্রেমের লাগি ভবন হ’তে।
	বৈরাগিনী বেশে এসেছি বাহির পথে।।
	কুণ্ঠা ভুলায়ে দাও, খোলো গুণ্ঠন,
	দস্যু-সম মোরে কর লুণ্ঠন,
	তৃণ সম মোরে ভাসাইয়া ল’য়ে যাও —
		কুল-ভাঙা বিপুল বন্যা-স্রোতে।।
	নদীরে যেমন ক’রে টানে পারাবার,
	তেমনি মরণ-টানে আমারে টানো, হে বন্ধু আমার।
	প্রলয়-মেঘের বুকে বিজলি সম
	তোমারে জড়ায়ে রব, হে প্রিয়তম,
	হবে শুভদৃষ্টি তোমায় আমায় —
		মরণ-হানা অশনির আলোতে।।

আল্লা নামের শিরনি তোরা কে নিবি কে আয়

বাণী

		আল্লা নামের শিরনি তোরা কে নিবি কে আয়।
মোরা 	শিরনি নিয়ে পথে হাঁকি (নিতে) কেহ নাহি চায়।।
			এই শিরনির গুণে ওরে শোন
			শিরিণ্ হবে তোর তিক্ত মন রে
		রাঙা হবে ভাঙা হৃদয় এই শিরনির মহিমায়।।
		ধররে প্রাণের তশ্‌তরি তোর আরশ পানে মেলে,
		খোদার খিদে মিটবে রে ভাই এই শিরনি খেলে।
			তোদের পেট পুরিলি ধূলামাটি খেয়ে
			করলি হেলা আল্লার নাম পেয়ে
তোরা 	কাবা পাবার দরজা পাবি আয় আল্লা নামের দরজায়।।

সকল জাতির সব মানুষের বন্ধু হে মোহসীন

বাণী

সকল জাতির সব মানুষের বন্ধু, হে মোহসীন।
এ যুগে তুমিই শোধ করিয়াছ এক আল্লার ঋণ।।
ভোগ করনি ক’ বিপুল বিত্ত পেয়ে
ভিখারি হইলে শুধু আল্লারে চেয়ে,
মহাধনী হ’লে আল্লার কৃপা পেয়ে —
দুনিয়ায় তাই রহিলে কাঙাল দীন।।
মানুষের ভালোবাসায় দেখিলে আল্লার ভালোবাসা,
সৃষ্টির তরে কাঁদিয়া পুরালে তব স্রষ্টার আশা।
তব দান তাই ফুরায়ে নাহি ফুরায়
বিত্ত হইলে নিত্য এ দুনিয়ায়,
শিখাইয়া গেলে, মুসলিম তারে কয় —
অর্থ যাহারে কিনিতে পারে না যে নহে লোভ-মলিন।।

ঈদজ্জোহার চাঁদ হাসে ঐ

বাণী

ঈদজ্জোহার চাঁদ হাসে ঐ এলো আবার দুস্‌রা ঈদ
কোর্‌বানি দে কোর্‌বানি দে শোন্‌ খোদার ফর্‌মান তাকিদ।।
এমনি দিনে কোর্‌বানি দেন পুত্রে হজরত ইব্‌রাহীম,
তেমনি তোরা খোদার রাহে আয় রে হবি কে শহীদ্।।
মনের মাঝে পশু যে তোর আজকে তা’রে কর্ জবেহ,
পুল্‌সেরাতের পুল হ’তে পার নিয়ে রাখ্ আগাম রসিদ্।।
গলায় গলায় মিল্ রে সবে ভুলে যা ঘরোয়া বিবাদ,
মিলনের ঈদগাহ্‌ গড়ে তোল্‌ প্রাণ দিয়ে তার তোল্‌ বুনিয়াদ।।
মিলনের আর্‌ফাত ময়দান হোক আজি গ্রামে গ্রামে,
হজের অধিক পাবি সওয়াব এক হ’লে সব মুসলিমে।
বাজবে আবার নূতন ক’রে দ্বীনি ডঙ্কা, হয় উমীদ্।।
ইসমাইলের মতন যদি কোর্‌বানি পারিস হতে
দেখব আবার তোদের মাঝে দিশারি মুসা, খালিদ।।