কি মজার কড়াই ভাজা

বাণী

কি মজার কড়াই ভাজা কুড়ুর মুড়ুর খাই রে,
		যদি পয়সা একটি পাই রে।
মোদের জামাও আছে পকেটও আছে
		পয়সা কিন্তু নাই রে।।
	দাদা, পয়সা যদি পাই
	চল পেয়ারা তলায় যাই,
আমি আনি নুন লঙ্কা, তুমি লুকিয়ে চল বাইরে।।

রেকর্ড-নাটিকাঃ ‌‘খুকি ও কাঠবেরালি’

তোমার নামে একি নেশা হে প্রিয় হজরত

বাণী

তোমার নামে একি নেশা হে প্রিয় হজরত।
যত চাহি তত কাঁদি, আমার মেটে না হসরত।।
কোথায় আরব কোথায় এ হিন্দ্
নয়নে মোর নাই তবু নিন্দ
প্রাণে শুধু জাগে (তোমার) মদিনার ঐ পথ।।
কে বলে তুমি গেছ চলে হাজার বছর আগে
আছ লুকিয়ে তুমি প্রিয়তম আমার অনুরাগে।
মোর অন্তরের হেরা গুহায়
আজো তোমার ডাক শোনা যায়
জাগে আমার মনের কাবা ঘরে তোমারি সুরত —
	হজরত তোমারি সুরত।।
যারা দোজখ হতে ত্রাণের তরে তোমায় ভালোবাসে
আমার এ প্রেম দেখে তারা কেউ কাঁদে কেউ হাসে।
তুমি জান হে মোর স্বামী, শাফায়াৎ চাহি না আমি
আমি শুধু তোমায় চাহি তোমার মুহব্বত
	হজরত তোমার মুহব্বত।।

জাগো দুস্তর পথের নব যাত্রী

বাণী

জাগো	দুস্তর পথের নব যাত্রী
		জাগো জাগো!
ঐ	পোহাল তিমির রাত্রি।।
	দ্রীম দ্রীম দ্রীম রণ-ডঙ্কা
	শোন বোলে নাহি শঙ্কা!
	আমাদের সঙ্গে নাচে রণ-রঙ্গে
	দনুজ-দলনী বরাভয়-দাত্রী।।
	অসম্ভবের পথে আমাদের অভিযান
	যুগে যুগে করি মোরা মানুষেরে মহীয়ান।
	আমরা সৃজিয়া যাই নতুন যুগভাই
	মোরা নবতম ভারত-বিধাত্রী।।
	সাগরের শঙ্খ ঘন ঘন বাজে,
	রণ-অঙ্গনে চল কুচকাওয়াজে।
	বজ্রের আলোকে মৃত্যুর মুখে
	দাঁড়াব নির্ভীক উগ্র সুখে
	ভারত-রক্ষী মোরা নব শাস্ত্রী।।

মদিনা মদিনা মদিনা

বাণী

মদিনা! মদিনা! মদিনা!
তোমায় ছাড়া আর কারেও ভালোবাসি না।।
মদিনা! তব আর একটা নাম কি
কেউ বলে ‘হাস্‌নাহেনা’ আমি তোমায় মদিনা ব’লে ডাকি।
মদিনা! আমি তোমায় ছাড়া আর কারেও জানি না।।
মদিনা! তুমি রইবে চিরদিন মোর ঘরে এসে
তোমায় আমায় মিলন হবে ভালোবেসে,
মদিনা! আমার ছেলে দু’টির ডাক নাম সানি ও নিনি, ওরা দুই ভাই
‘সানি’ ও ‘নিনি’রে যেন আপন ছেলের মত ভালোবেসো, এই আমি চাই।
আজি নওজোয়ান, আমি কবি সুন্দর, সুন্দরের পূজারি,
আমায় ভালোবাসে বাঙলার সব নরনারী।
আমার কথার ফুলে মদিনা তোমার গানের ডালা সাজাই।
মদিনা! মদিনা! মদিনা!
তোমায় ছাড়া আর কারেও ভালোবাসি না।।

নাটক : ‘মদিনা’

তোমার গরবে গরব আমার আল্লা

বাণী

	তোমার গরবে গরব আমার আল্লা পরম স্বামী।
(মোর)	অন্তর বাহির জুড়িয়ে থেক যেন দিবাযামী।।
	আমি যদি পথ ভুলি, আল্লা, হাত ধ’রে ফিরাইও
	মোর নিবেদিত দেহ-মন-প্রাণ কবুল করিও প্রিয়,
(তবে)	পরমাশ্রয় ছেড়ে যেন আর ধূলি পথে নাহি নামি।।
	প্রেম যদি মোরে নাহি দাও, খোদা, পরম বিরহ দিও,
	পাষাণ এ প্রাণ তোমার বিরহে তিলে তিলে গলাইও।
	কোথায় দুনিয়া কোথা আখেরাতে, তুমি ছাড়া কিছু নই
	তুমি লা-শরিক — এই বিশ্বাস চিরদিন যেন পাই,
	রহমত দিয়া ফুল ফুটাইও ভুল যদি করি আমি।।

গোঠের রাখাল বলে দে রে

বাণী

		গোঠের রাখাল, বলে দে রে কোথায় বৃন্দাবন।
(যথা)		রাখাল–রাজা গোপাল আমার খেলে অনুক্ষণ।।
(যথা)		দিনে রাতে মিলন–রাসে
		চাঁদ হাসে রে চাঁদের পাশে,
(যা’র)		পথের ধূলায় ছড়িয়ে আছে শ্রীহরি–চন্দন।।
(যথা)		কৃষ্ণ–নামের ঢেউ ওঠে রে সুনীল যমুনায়,
(যা’র)		তমাল–বনে আজো মধুর কানুর নূপুর শোনা যায়।
		আজো যাহার কদম ডালে
		বেণু বাজে সাঁঝ–সকালে,
		নিত্য লীলা করে যথা মদন–মোহন।।