ইয়া আল্লাহ তুমি রক্ষা কর দুনিয়া ও দ্বীন

বাণী

		ইয়া আল্লাহ, তুমি রক্ষা কর দুনিয়া ও দ্বীন।
		শান-শওকতে হোক পূর্ণ আবার নিখিল মুসলেমিন।
			আমিন আল্লাহুম্মা আমিন।।
(খোদা)	মুষ্টিমেয় আরববাসী যে ঈমানের জোরে
তোমার	নামের ডঙ্কা বাজিয়েছিল দুনিয়াকে জয় ক’রে
(খোদা)	দাও সে ঈমান, সেই তরক্কী, দাও সে একিন।
			খোদা দাও সে একিন।
			আমিন আল্লাহুম্মা আমিন।।
হায়!		যে-জাতির খলিফা ওমর শাহানশাহ হয়ে
		ছেঁড়া কাপড় প’রে গেলেন উপবাসী র’য়ে
		আবার মোদের সেই ত্যাগ দাও, খোদা
		ভোগ-বিলাসে মোদের জীবন ক’রো না মলিন।
			আমিন আল্লাহুম্মা আমিন।।
(খোদা)	তুমি ছাড়া বিশ্বে কারো করতাম না ভয়
		তাই বিশ্বে হয়নি মোদের কভু পরাজয়
		দাও সেই দিক্ষা শক্তি সেই ভক্তি দ্বিধাহীন।
			আমিন আল্লাহুম্মা আমিন।।

কেন রঙীন নেশায় মোরে রাঙালে

বাণী

কেন রঙীন নেশায় মোরে রাঙালে
কেন সহজ ছন্দে যতি ভাঙালে।।
শীর্ণা তনুর মোর তটিনীতে কেন
আনিলে ফেনিল জল-উচ্ছ্বাস হেন,
পাতাল-তলের ক্ষুধা মাতাল এ যৌবন —
		মদির-পরশে কেন জাগালে।।

নাটক : ‘আলেয়া’ (মাদালসার গান)

মোর প্রথম মনের মুকুল

বাণী

মোর	প্রথম মনের মুকুল
	ঝরে গেল হায় মনে মিলনের ক্ষণে।
	কপোতীর মিনতি কপোত শুনিল না,
			উড়ে গেল গহন-বনে।।
	দক্ষিণ সমীরণ কুসুম ফোটায় গো
	আমারি কাননে ফুল কেন ঝরে যায় গো
	জ্বলিল প্রদীপ সকলেরি ঘরে হায়
	নিভে গেল মোর দীপ গোধূলি লগনে।।
	বিফল অভিমানে কাঁদে ফুলমালা কণ্ঠ জড়ায়ে
	কাঁদি ধূলি-পথে একা ছিন্ন-লতার প্রায় লুটায়ে লুটায়ে।
	দারুণ তিয়াসে এসে সাগর-মুখে
	ঢলিয়া পড়িনু হায় বালুকারি বুকে
	ধোঁয়ারে মেঘ ভাবি’ ভুলিনু চাতকী
			জ্বলিয়া মরি গো বিরহ-দহনে।।

পরি জাফরানি ঘাগরি চলে শিরাজের পরী

বাণী

পরি’ জাফরানি ঘাগরি চলে শিরাজের পরী
ইরানি কিশোরী হেসে’ হেসে’।।
চপল চটুল রঙ্গে রঙ্গিলা নৃত্য বিভঙ্গে
চলিছে সহেলি এলোকেশে।।
পাপিয়া পিয়া পিয়া ডকে শাখে — পিয়া পিয়া পিয়া পিয়া
কাহারে ভালোবেসে।।
মনে সে শিরাজির নেশা লাগায়
আঁখি-ইঙ্গিতে গোলাপ ফোটায়।
তারি সুরে রহি’ রহি’ বিরহীর রবাব ঝুরে
বুলবুলি পথ ভুলি’ ইহারি লাগি’ এলো এ দেশে।।

কত ফুল তুমি পথে ফেলে দাও

বাণী

কত ফুল তুমি পথে ফেলে দাও (প্রিয়) মালা গাঁথ অকারনে
আমি চয়েছিনু একটি কুসুম সেই কথা পড়ে মনে।।
	তব ফুলবনে কত ছায়া দোলে
	জুড়াইতে চেয়েছিনু তারি তলে
চাহিলে না ফিরে চলে গেলে ধীরে ছায়া-ঢাকা অঙ্গনে।।
অঞ্জলি পাতি' চেয়েছিনু, তব ভরা ঘটে ছিল বারি
শুষ্ক-কন্ঠে ফিরিয়া আসিনু পিপাসিত পথচারী।
	বহুদিন পরে দাঁড়াইনু এসে
	তোমারি দুয়ারে উদাসীন বেশে
শুকানো মালিকা কেন দিলে তুমি তব ভিক্ষার সনে।।

সপ্ত-সিন্ধু ভরি’ গীত-লহরী

বাণী

‍
সপ্ত-সিন্ধু ভরি’ গীত-লহরী।
হিল্লোলি’ হিল্লোলি’ ওঠে দিবা বিভাবরী।।
	এসো এসো বিরহী
	আমি এনেছি বহি’,
(সেই) সিন্ধুতে সাঁতরিতে সোনার তরী।।
কেন তীরের বালুকা ল’য়ে খেলিছ খেলা,
গাহন করিবে এসো (হের) ফুরায় বেলা।
	বল বল সে কবে
	অভিষেক হবে,
হে বিজয়ী! শুকাইল তীর্থ-জলের গাগরী।।