বাণী
পতিত উধারণ জয় নারায়ণ কমলাপতে জয় ভ্যত্ত্ব-ভ্যয়-হ্যর্যণ জয় জ্যগদীশ হ্যরে।।
নাটিকাঃ ‘জন্মাষ্টমী’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
পতিত উধারণ জয় নারায়ণ কমলাপতে জয় ভ্যত্ত্ব-ভ্যয়-হ্যর্যণ জয় জ্যগদীশ হ্যরে।।
নাটিকাঃ ‘জন্মাষ্টমী’
রাগঃ
তালঃ
চ্যল চ্যল চ্যল ন্যওয্যওয়ান চ্যল্। ফ্যত্হেকি হো ফৌজ তুম্ ব্যহর্ কি হো মৌজ তুম্ ব্যখত্কে হো অওজ তুম্ তুম্মে হ্যায় জোর ব্যল্।। চাক হ্যায় শ্যব কি ন্যকাব ছোড় দো গ্যফল্যত কা খবাব, নিকলা ওহ লো আফতাব — তুম্ভি হো গ্যরমে অ্যস্যল।। ফ্যয়লনে কো বেকরার সুরতে নূর অ্যওর নার, জ্যল জ্যলা আফজা পুকার — জলমকি ব্যনফ্যর অ্যম্যল।। চ্যল মচাকে শোর সাফে দুশম্যন কো তোড় ফোড় উঠ খ্যড়ে হো সুব্ আজাঁ গ্যফিলিয়ত্ কো ছোড়, হিম্মত না হারানা আযায়ে গ্যর অ্যয্যল।।
রাগঃ
তালঃ
রঙ্গিলা আপনি রাধা তারে হোরির রঙ দিও না ফাগুনের রাণীরে শ্যাম আর ফাগে রাঙিয়ো না।। রাঙা আবির রাঙ্গা ঠোঁটে গালে ফাগের লালী ফোটে রঙ সায়রে নেয়ে উঠে অঙ্গে ঝরে রঙের সোনা।। অনুরাগ –রাঙা মনে রঙের খেলা ক্ষণে ক্ষণে অন্তরে যার রঙের লীলা তারে বাহিরে রঙ লাগিয়ো না।।
রাগঃ সিন্ধু-কাফি মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

তরুণ অশান্ত কে বিরহী। নিবিড় তমসায় ঘন ঘোর বরষায় — দ্বারে হানিছ কর রহি রহি।। ছিন্ন পাখা কাঁদে মেঘ-বলাকা কাঁদে ঘোর অরণ্য আহত-শাখা চোখে আশা-বিদ্যুৎ এলে কোন মেঘদূত, বিধূর বঁধূর মোর বারতা বহি’।।
রাগঃ চাঁদনী কেদারা
তালঃ ত্রিতাল

মেঘ-মেদুর গগন কাঁদে হুতাশ পবন কে বিরহী রহি’রহি’দ্বারে আঘাত হানো। শাওন ঘন ঘোর ঝরিছে বারি অঝোর কাঁপিছে কুটির মোর দীপ নেভানো।। বজ্রে বাজিয়া ওঠে তব সঙ্গীত, বিদ্যুতে ঝলকিছে আঁখি-ইঙ্গিত, চাঁচর চিকুরে তব ঝড় দুলানো, ওগো মন ভুলানো।। এক হাতে, সুন্দর, কুসুম ফোটাও! আর হাতে নিষ্ঠুর মুকুল ঝরাও। হে পথিক, তব সুর অশান্ত বায় জন্মান্তর হতে যেন ভেসে আসে হায়! বিজড়িত তব স্মৃতি চেনা অচেনায় প্রাণ কাঁদানো।।
রাগঃ পিলু-বারোয়াঁ
তালঃ কাহার্বা

ওরে হুলো রে তুই রাত বিরেতে ঢুকিস্নে হেঁসেল্। তুই কবে বেঘোরে প্রাণ হারাবি বুঝিস্নে রাস্কেল্।। আমি স্বীকার করি শিকারি তুই তোর গোঁফ দেখেই চিনি, গাছে কাঁঠাল ঝুলতে দেখে দিস্ গোঁফে তুই তেল।। ওরে ছোঁচা ওরে ওঁছা বাড়ি বাড়ি তুই হাঁড়ি খাস, নাদ্নার বাড়ি খেয়ে কোন্দিন ধনে প্রাণে বা মারা যাস্, কেঁদে মিয়াঁও মিয়াঁও ব’লে বিবি বেরালি করবে রে হার্টফেল।। তানপুরারই সুরে যখন তখন গলা সাধিস্, শুনে ভুলো তোরে তেড়ে আসে, ন্যাজ তুলে ছুটিস্, তোরে বস্তা পু’রে কবে কে চালান দিবে ধাপা-মেল।। বৌঝি যখন মাছ কোটে রে, তুমি খোঁজ দাঁও, বিড়াল-তপস্বী আড়নয়নে থালার পানে চাও, তুই উত্তম মধ্যম খা’স এত তবু হ’ল না আক্কেল।।
রাগঃ পিলু-সাহানা
তালঃ কাহার্বা
