
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

খুলেছে আজ রঙের দোকান বৃন্দাবনে হোরির দিনে। প্রেম-রঙিলা ব্রজ-বালা যায় গো হেথায় আবির কিনে।। আজ গোকুলের রঙ মহলায় রামধনু ঐ রঙ পিয়ে যায় সন্ধ্যা-সকাল রাঙতো না গো ঐ হোরির কুমকুম বিনে।। রঙ কিনিতে এসে সেথায় রব শশী আকাশ ভেঙে' এই ফাগুনী ফাগের রাগে অশোক শিমুল ওঠে রেঙে'। আসে হেথায় রাধা-মাধব এই রঙেরই পথ চিনে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আমিনা-দুলাল নাচে হালিমার কোলে তালে তালে সোনার বুকে সোনার তাবিজ দোলে।। সে কাঁদিলে মুক্তা ঝরে হাসলে ঝরে মানিক ঈদের চাঁদে লেগে আছে সেই খুশির খানিক। তাঁর কচি মুখে খোদার কালাম আধো আধো বলে।। দেখেছিল লুকিয়ে সে নাচ কোটি গ্রহতারা আসমানে তাই ঘোরে তারা আজো দিশাহারা সেদিন নেচেছিল বিশ্বভুবন ইয়া মোহাম্মদ ব’লে।। কোরানের আয়াতে লেখা সেই নাচেরই ছন্দ তকবীরের ধ্বনিতে বাজে তাহারি আনন্দ আমি থাকলে সেদিন হতাম ধূলি তাঁহার পায়ের তলে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ভুবনময়ী ভবনে এসো সীমার মাঝে এসো অসীমা। ভক্ত মনের মাধুরী দিয়ে গড়িয়াছি মা তোমার প্রতিমা।। চিন্ময়ী গো ধর মৃন্ময়ীরূপ কত যুগ মাগো জ্বলিবে পূজাধূপ মানসপটে বোধন ঘটে হও চির আসীনা করুণাময়ী মা।। সে কোন অতীতে সুদূর ত্রেতায় এসেছিলে মা অশিব নাশিনী আসিলে না আর ধূলির ধরায় দিলে না মা বর অমৃত ভাষিণী। কত যুগ গেল কত বরষ মাস কত বিফল পূজা কত কাঁদন হুতাশ জাগ যোগমায়া যোগনিদ্রা ভোল পুন বিশ্বে প্রচার হোক্ তব মহিমা।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

কারো ভরসা করিসনে তুই (ও মন) এক আল্লার ভরসা কর। আল্লা যদি সহায় থাকেন (ও তোর) ভাবনা কিসের, কিসের ডর।। রোগে শোকে দুঃখে ঋণে নাই ভরসা আল্লা বিনে রে তুই মানুষের সহায় মাগিস (তাই) পাস্নে খোদার নেক্-নজর।। রাজার রাজা বাদশাহ্ যিনি গোলাম হ তুই সেই খোদার, বড় লোকের দুয়ারে তুই বৃথাই হাত পাতিস্নে আর। তোর দুখের বোঝা ভারি হ’লে ফেলে প্রিয়জনও যায় রে চ’লে সেদিন ডাক্লে খোদায় তাঁহার রহম (ওরে) ঝরবে রে তোর মাথার ’পর।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

দ্বৈত : ভুলে রইলি মায়ায় এসে ভবে তুই ভুলবি ভুলের খেলা কবে॥ স্ত্রী : নিবু নিবু তোর জীবন-বাতি শেষ হলো সুখ-রাতি, পুরুষ : রাত পোহালে সুখের সাথী সঙ্গে নাহি রবি॥ স্ত্রী : যাঁর কৃপায় তুই রইলি সুখে ডাক্লি না রে তারে পুরুষ : তুই কি নিয়ে হায় তাহার কাছে যাবি পরপারে। স্ত্রী : জমালি যা তুই জীবন ভ’রে পিছু প’ড়ে রবে পুরুষ : দারাসুত লবে বিভব রতন পাপের বোঝা নাহি লবে॥ স্ত্রী : স্রোতের মতো সময যে যায় নিয়ে শরণ প্রভুর পায় পুরুষ : কৃপা-সিন্ধুর কৃপা পেলে ত’রে যাবি তুই তবে॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

তুমি বহু জনমের সাধ মিটালে এ বিরহীরে কাঁদাইয়া। কভু অবহেলা, কভু অনাদর কভু সে আদর দিয়া।। ভিক্ষা পেয়েও দাঁড়াইয়া থাকে দ্বারে ক্ষমা করো তুমি তারে, ভিখারির মন নাহি ভরে যদি হাতের ভিক্ষা নিয়া।। ধনীর প্রাসাদে গেল না ভিখারি তোমার কুটিরে এসে, ভিক্ষা-পাত্র তুলিয়া ধরিল কেন আঁখি-জলে ভেসে’। জানে না কে তারে পথ দেখাইল, কোন্ সুন্দর যেন বলে দিল; আপনারে দিতে সব কিছু নিয়া জাগিছে রে তোর (চিরজনমের) প্রিয়া।।
রাগঃ
তালঃ
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan