


যাদের তরে এ সংসারে খাটনু জনম ভর, তাদের কেউ হবে না হে নাথ মরণ-সাথি মোর।। শত পাপ শত অধর্ম ক’রে বিভব রতন আনলেম ঘরে সে সকল ভাগ বাটোয়ারা ক’রে খাবে পাঁচ ভুত চোর।। জীবনে তোমার লই নাই নাম তোমাতে হয় নাই মতি মরণ-বেলায় তাই কাঁদি প্রভু কি হবে মোর গতি। চেয়ে দেখি আজ যাবার বেলায় কর্ম কেবল মোর সাথে যায় তরিবার আর না দেখি উপায় বিনা পদতরী তোর।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

খোদার হবিব হলেন নাজেল খোদার ঘর ঐ কাবার পাশে। ঝুঁকে’ প’ড়ে আর্শ কুর্সি, চাঁদ সূরয তাঁয় দেখতে আসে।। ভেঙে পড়ে মূরত মন্দির, লা’ত মানাত, শয়তানী তখ্ত, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু’র উঠিছে তক্বির আকাশে।। খুশির মউজ তুফান তোরা দেখে যা মরুভূমে, কোহ-ই-তূরের পাথরে আজ বেহেশ্তী ফুল ফুটে’ হাসে।। য়্যেতিম-তারণ য়্যেতিম হয়ে এলো রে এই দুনিয়ায়, য়্যেতিম মানুষ-জাতির ব্যথা নৈলে বুঝ্ত না সে।। সূর্য ওঠে, ওঠে রে চাঁদ, মনের আঁধার যায় না তায়, হৃদ-গগন যে কর্ল রওশন্, সেই মোহাম্মদ ঐ রে হাসে। আপন পুণ্যের বদ্লাতে যে মাগিল মুক্তি সবার, উম্মতি উম্মতি ক’য়ে দেখ্ আঁখি তাঁর জলে ভাসে।।
রাগঃ ভৈরবী মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
বসন্ত আজ আসল ধরায় ফুল ফুটেছে বনে বনে। শীতের হাওয়া পালিয়ে বেড়ায় ফাল্গুনী মোর মন-বনে।। ফুলগুলি হায় ঝরেছিল হিমেল হাওয়ার পরশনে, দখিন হাওয়ার হিল্লোলে আজ প্রিয়তমের স্পর্শ নে’। উদাসী এই মাতাল বাতাস জাগায় ধরায়, মাতায় আকাশ, হাসিতে তার কিসের আভাস মন জানে, মনে মনে।।
রাগঃ
তালঃ
ক্ষ্যাপা হাওয়াতে মোর আঁচল উড়ে যায়। খুলে পড়ে গো বাজুবন্দ ধরিতে আঁচল কোন ঘূর্ণি বাতাস এলো ছন্দ-পাগল লাগে নাচের ছোঁয়া দেহের কাঁচ মহলায় হয়ে পায়েলা উতলা সাধে ধরিয়া পায়।। খুলিয়া পড়ে খোঁপায়, কবরীর ফুলহার হাওয়ার এই রূপে গো এলো কি বঁধু আমার এমনি দুরন্ত আদর সোহাগ তার একি পুলক-শিহরেণে পরান মূরছায়।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দ্রুত-দাদ্রা ও কাহার্বা)

মা-মা-মা-মা-মা-মাগো এবারের পূজা মাগো দশভূজা বড় দুর্গতিময়। পড়েছিস এ.বি.সি.ডি? বুঝিস ব্ল্যাক আউট কারে কয়? ব্ল্যাক আউট মানে যত কালো ছিল বাহির হয়েছে মাগো যত আলো ছিল যত ভালো ছিল, সকলেরে বলে ভাগো। ডাইনে বাঁ ধারে ভীষণ আঁধারে হাঁটু কাঁপে আর হাঁটি আমড়ার মত হয়ে আছি মাগো চামড়া এবং আঁটি। নন্দী ভৃঙ্গী সিঙ্গি যাইলে তাহারাও ভয় পাবে তাদের দিব্য দৃষ্টি লয়েও মাগো আঁধারে হোঁচট খাবে। বলি বিগ্রহ তোর কে দেখিতে যাবে মা কুগ্রহের ফেরে বিড়ি খেয়ে ফেরে গুন্ডারা যদি দেয় মাগো ভুঁড়ি ফেড়ে। মা তুই বর দেওয়ার আগেই বর্বরেরা এসে ঠেসে ধরে নিয়ে যাবে চিত্রগুপ্তের দেশে। চোঁয়া ঢেকুর ওঠে মা মেকুর ডাকিলে কেঁদে উঠি ওঙা ওঙা; ঢেঁকির আওয়াজ শুনলে মাগো ভয়ে খাড়া হয়ে ওঠে রোঁয়া। সত্য পথে মা চলিতে পারি না পথে কাদা রাখে ফেলে উচিত কথা মাগো বলিতে পারি না চিৎ করে দেয় ফেলে। এ চিতে শক্তি দে মা চিৎ করবো ভয়কে বলবো এবার তোরে খাব দে মা মাগো মা।।
নাট্য-গ্রন্থঃ ‘ব্লাক আউট’
ব্ল্যাক আউট নাট্যগ্রন্থের এই পাঠকে, আদি রেকর্ডের (এন. ২৭২০৬) পাঠের তুলনায়, স্বতন্ত্র গান হিসাবে বিবেচনা করা যায়।
[অগ্রন্থিত নজরুল, সংকলন ও সম্পাদনাঃ ব্রহ্মমোহন ঠাকুর, ডি.এম. লাইব্রেরি, কলকাতা, ২০০৩]
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
ঝুলন ঝুলায়ে ঝাউ ঝক্ ঝোরে, দেখো সখি চম্পা লচ্কে বাদরা গরজে দামিনী দমকে আও বৃজকি কোঙারী ওড়ে নীল সাড়ি, নীল কমল-কলিকে পহনে ঝুমকে।। হায়রে ধান কি লও মে হো বালি ওড়নী রাঙাও সতরঙ্গী আলি, ঝুলা ঝুলো ডালি ডালি। আও প্রেম কোঙারী মন ভাও, প্যারে প্যারে সুরমে শাওনী সুনাও। রিমঝিম রিমঝিম পড়তে কোয়ারে সুন্ পিয়া পিয়া কহে মুরলী পুকারে, ওহি বোলী সে হিরদয় খটকে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan