Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন

নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন

নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন

ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশীর ঈদ

বাণী

ও		মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ।
তুই		আপনাকে আজ বিলিয়ে দে শোন্‌ আসমানি তাগিদ।।
তোর		সোনা–দানা বালাখানা সব রাহেলিল্লাহ্‌।
দে		জাকাত মুর্দা মুসলিমের আজ ভাঙাইতে নিদ্‌।।
আজ		পড়বি ঈদের নামাজ রে মন সেই সে ঈদগাহে।
যে		ময়দানে সব গাজী মুসলিম হয়েছে শহীদ।।
আজ		ভুলে যা তোর দোস্ত ও দুশমন হাত মিলাও হাতে।
তোর		প্রেম দিয়ে কর বিশ্ব নিখিল ইসলামে মুরিদ।।
ঢাল		হৃদয়ের তোর তশ্‌তরিতে শির্‌নি তৌহিদের।
তোর		দাওয়াত কবুল করবে হজরত হয় মনে উম্মীদ।।

তুমি নামো হে নামো শামো

বাণী

[কেডারে? কেডা? উ-কেলিকদম্ব গাছে এই ডাল ঐ ডাল কইরা লাফ দিয়া বেড়াইত্যাছ? ও — ঘোষ পাড়ার হেই বখাইট্রা পোলাটা না? 
উ-হুঁ-হুঁ, আবার পিরুক কইরা বাঁশি বাজান হইত্যাছে ? নাম্যা, আসো। ভরদুপুর বেলা মাইয়াগো সান ঘাটের কাছে — অ্যাঁ-হ্যাঁ-হ্যাঁ আবার কিষ্ট সাজাছেন?
বলি কেষ্ট সাজছো? নামো শিগগিরে নামো পোড়া কপাইল্যা নামো —]
তুমি নামো হে নামো শামো হে শামো কদম্ব ডাল ছাইড়া নামো। দুপরি রৌদ্রে বৃথাই ঘামো ব্যস্ত রাধা কাজে, ওহে শামো হে শামো॥ আরে তোমার ললিতাদেবী কি করতেয়াছে জাননি? তোমার ললিতাদেবী? আরে ললিতাদেবী সলিতা পাকায়, বিশাখা ঝোলে হিজল শাখায়। আর বৃন্দাদুতী কি করছে জান? বৃন্দাদুতী? বৃন্দাদুতী পিন্দা ধুতি গোষ্টে গেছেন তোমার ‘পোস্টে’ সাজিয়া রাখাল সাজে আর চন্দ্রা গ্যাছেন অন্ধ্র দেশে মান্দ্রাজী জাহাজে॥ আবার ইতি উতি চাও ক্যা? ইতি উতি চাইবার লাগছ ক্যা? এ্যা? আমি কমুনা কোন্‌খানে তোমার যমুনা - তা আমি কমু না? আরে (তুমি) ইতি উতি চাও বৃথাই আমি কমু না কোথায় তোমার যমুনা কইলকাতা আর ঢাকা রমনার লেকে পাবে তার নমুনা। আরে তোমার যমুনা লেক হইয়া গ্যাছে গিয়া! বুঝ্‌লা? হালার যমুনা ল্যাক হইয়া গ্যাছে গিয়া। কলেজে ফিরিছে শ্রীদাম সুদাম শ্রীদাম সুদাম কলেজে যাইতেয়াছে, আর তুমি এখানে বাঁশি বাজাইতেয়াছ অ্যাঁ! পোড়া কপাইল্যা — কলেজে ফিরিছে শ্রীদাম সুদাম, মেরে মাল কোঁচা খুলিয়া বোতাম লাঙ্গল ছাড়িয়া বলরাম ডাম্বেল মুঘার ভাঁজে। ওহে শামো হে শামো আরে তুমি নামো, পোড়া কপাইল্যা নামো॥

বন তমালের শ্যামল ডালে দোলে ঝুলন

বাণী

বন তমালের শ্যামল ডালে দোলে ঝুলন দোলায় যুগল রাধা শ্যাম।
কিশোরী পাশে কিশোর হাসে ভাসে আনন্দ সাগরে আজ ব্রজধাম।।
	তড়িত লতায় যেন জড়িত জলধরে
	ওগো যুগল রূপ হেরি মুনির মনোহরে
পুলকে গগন ছাপিয়া বারি করে বাজে যমুনা তরঙ্গে শ্যাম শ্যাম নাম।।
	বন ময়ুর নাচে ঘন দেয়ার তালে
	দোলা লাগে কেতকী কদম ডালে।
আকাশে অনুরাগে ইন্দ্রধনু জাগে হেরে ত্রিলোক থির হয়ে রূপ অভিরাম।।

হে বিধাতা হে বিধাতা হে বিধাতা

বাণী

হে বিধাতা! হে বিধাতা! হে বিধাতা!
দুঃখ-শোক-মাঝে, তোমারি পরশ রাজে,
কাঁদায়ে জননী-প্রায়, কোলে কর পুনরায়, শান্তি-দাতা।।
ভুলিয়া যাই হে যবে সুখ-দিনে তোমারে
স্মরণ করায়ে দাও আঘাতের মাঝারে।
দুঃখের মাঝে তাই, হরি হে, তোমারে পাই দুঃখ-ত্রাতা।।
দারা-সুত-পরিজন-রূপে হরি, অনুখন
তোমার আমার মাঝে আড়াল করে সৃজন।
তুমি যবে চাহ মোরে, লও হে তোদের হ’রে
ছিঁড়ে দিয়ে মায়া-ডোর, ক্রোড়ে ধর আপন।
ভক্ত সে প্রহ্লাদ ডাকে যবে ‘নারায়ণ’,
নির্মম হয়ে তার পিতারও হর জীবন।
সব যবে ছেড়ে যায় দেখি তব বুকে হায় আসন পাতা।।

ভারতের দুই নয়ন তারা হিন্দু-মুসলমান

বাণী

ভারতের দুই নয়ন তারা হিন্দু-মুসলমান
দেশ জননীর সমান প্রিয় যুগল সন্তান।।
তাইতো মায়ের কোল নিয়ে ভাই
ভা’য়ে ভা’য়ে বাধে লড়াই
এই কলহের হবেই হবে মধুর অবসান
এক দেশেরই অন্নজলে এক দেহ এক প্রাণ।।
আল্লা বলে কোরান তোমায়, এলা বলে বেদ,
যেমন পানি, জলে রে ভাই শুধু নামের ভেদ।
মোদের মাঝে দেয়াল তুলতে যে চায়
জানবে মোদের শত্রু তাহায় (জানবে রে)
বিবাদ ক’রে এনেছি হায় অনেক অকল্যাণ
মিলনে আজ উঠুক জেগে নব-হিন্দুস্থান।
		জেগে উঠুক হিন্দুস্থান।।

পাকা ধানের গন্ধ-বিধুর

বাণী

পাকা ধানের গন্ধ-বিধুর হেমন্তের এই দিন-শেষে,
সুরের দুলাল, আসলে ফিরে দিগ্‌বিজয়ীর বর-বেশে।
আজো মালা হয়নি গাঁথা হয়নি আজো গান রচন,
কুহেলিকার পর্দা-ঢাকা আজো ফুলের সিংহাসন।
অলস বেলায় হেলাফেলায় ঝিমায় রূপের রংমহল,
হয়নি ক’ সাজ রূপ-কুমারীর, নিদ্ টুটেছে এই কেবল।
আয়োজনের অনেক বাকি - শুন্‌নু হঠাৎ খোশ্‌খবর,
ওরে অলস, রাখ্ আয়োজন, সুর-শা’জাদা আস্‌ল ঘর।
ওঠ্ রে সাকি থাক্ না বাকি ভরতে রে তোর লাল গেলাস,
শূন্য গেলাস ভরব - দিয়ে চোখের পানি মুখের হাস।
দম্ভ ভরে আস্‌লো না যে ধ্বজায় বেঁধে ঝড়-তুফান,
যাহার আসার খবর শুনে গর্জাল না তোপ-কামান।
কুসুম দলি’ উড়িয়ে ধূলি আস্‌লো না যে রাজপথে,
আয়োজনের আড়াল তারে করব গো আজ কোন্ মতে।
সে এলো গো যে-পথ দিয়ে স্বর্গে বহে সুর্‌ধুনী,
যে পথ দিয়ে ফেরে ধেনু মাঠের বেণুর রব শুনি’।
যেমন সহজ পথ দিয়ে গো ফসল আসে আঙ্গিনায়,
যেমন বিনা সমারোহে সাঁঝের পাখি যায় কুলায়।
সে এলো যে আমন-ধানের নবান্ন উৎসব-দিনে,
হিমেল হাওয়ায় অঘ্রাণের এই সুঘ্রাণেরি পথ চিনে।
আনে নি সে হরণ ক’রে রত্ন-মানিক সাত-রাজার,
সে এনেছে রূপকুমারীর আঁখির প্রসা কণ্ঠহার।
সুরের সেতু বাঁধ্ল সে গো, উর্দ্ধে তাহার শুনি স্তব,
আস্‌ছে ভারত-তীর্থ লাগি’ শ্বেত-দ্বীপের ময়-দানব।
পশ্চিমে আজ ডঙ্কা বাজে পুবের দেশের বন্দীদের,
বীণার গানে আমরা জয়ী, লাজ মুছেছি অদৃষ্টের।
কণ্ঠ তোমার যাদু জানে, বন্ধু ওগো দোসর মোর!
আস্‌লে ভেসে গানের ভেলায় বৃন্দাবনের বংশী-চোর।
তোমার গলার বিজয়-মালা বন্ধু একা নয় তোমার,
ঐ মালাতে রইল গাঁথা মোদের সবার পুরস্কার।
কখন আঁখির আগোচরে বস্‌লে জুড়ে হৃদয়-মন,
সেই হৃদয়ের লহ প্রীতি, সজল আঁখির জল্-লিখন।

‘সুরের দুলাল’

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan