
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

কাণ্ডারি গো কর কর পার এই অকূল ভব-পারাবার। তোমার চরণ-তরী বিনা, প্রভু পারের আশা নাহি আর।। পাপের তাপের ঝড় তুফানে শান্তি নাহি আমার প্রাণে। আমি যেদিকে চাই দেখি কেবল নিরাশারি অন্ধকার।। দিন থাকতে আমার মতো কেউ নাহি সম্ভাষে, হে প্রভু তোমায় কেউ নাহি সম্ভাষে দিন ফুরালে খাটে শুয়ে এই ঘাটে সবাই আসে। লয়ে তোমারি নামের কড়ি সাধু পেল চরন-তরী সে কড়ি নাই যে কাঙ্গালের হও হে দীনবন্ধু তার॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

দিকে দিকে পুনঃ জ্বলিয়া উঠেছে দীন-ই-ইসলামী লাল মশাল। ওরে বে-খবর, তুইও ওঠ্ জেগে, তুইও তোর প্রাণ-প্রদীপ জ্বাল।। গাজী মুস্তফা কামালের সাথে জেগেছে তুর্কী সুর্খ-তাজ, রেজা পহ্লবী-সাথে জাগিয়াছে বিরান মুলুক ইরানও আজ গোলামী বিসরি’ জেগেছে মিসরী, জগলুল-সাথে প্রাণ-মাতাল।। ভুলি’ গ্লানি লাজ জেগেছে হেজাজ নেজদ্ আরবে ইবনে সউদ্ আমানুল্লার পরশে জেগেছে কাবুলে নবীন আল-মামুদ, মরা মরক্কো বাঁচাইয়া আজি বন্দী করিম রীফ্-কামাল।। জাগে ফয়সল্ ইরাক আজমে, জাগে নব হারুন-আল্-রশীদ, জাগে বয়তুল মোকাদ্দস্ রে; জাগে শাম দেখ্ টুটিয়া নিদ জাগে না কো শুধু হিন্দের দশ কোটি মুসলিম বে-খেয়াল।। মোরা আস্হাব কাহাফের মত হাজারো বছর শুধু ঘুমাই, আমাদেরি কেহ ছিল বাদশাহ্ কোন কালে; তার করি বড়াই, জাগি যদি মোরা, দুনিয়া আবার কাঁপিবে চরণে টাল্মাটাল।।
মার্চের সুর
তালঃ দাদ্রা

নাচো বনমালী করতালি দিয়া হেলে দুলে ধিয়া তাধিয়া। মধুর ছন্দে নাচো আনন্দে আমার প্রাণ নাচাইয়া। একবার নাচো হে — বাঁকা শিখী পাখা বামে হেলায়ে, বাঁকাশ্যাম একবার নাচো হে। বাঁকা নয়ন পীত-বসন, বনমালা গলে নাচ হে। এসো ত্রিভঙ্গ ঠামে শ্যামরায় — ‘দক্ষিণে বামে ছন্দ নামে’ রুমুঝুমু নূপুর-পায়।। অলক-তিলক আঁকা, শিরে শিখী পাখা, এসো মন-বন-ছায়ায়। ঐ শুনি তার বাজে বাঁশরি আসে ঐ আসে প্রাণের হরি।। কোটি অমল কমল-গন্ধে, আসে দশদিক আমোদিত করি’ এলো ঐ এলো প্রাণের হরি।।
চলচ্চিত্র : ‘ধ্রুব’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

ব্যনমে শুন স্যখিরি পিয়া পিয়া বোলে বাঁশুরিয়া। সখি ক্যওন উও বন্শী ব্যজায় ঘ্যরমে ন্য র্যহন্ যায়, মন্ ভ্যয়ে উদাস্ সখি ন্যহি মানে জিয়া রি।। নিরালা ঢং বাজে মৃদঙ্গ ম্যওর পাপিহা বোলে রি চ্যরণন্ মে ছ্যন্দ জাগে ত্যন্ মন্ প্রাণ ডোলে রি প্রেম্সে ম্যতওয়ালী ভ্যয়ি চাঁদ কি আঁখিয়া রি।। স্যখি প্যহনো নীল শাড়ি চূড়া বাঁধো ম্যনহারি যাঁহা ব্যন্চারী চ্যলো ক্যরকে সিঙ্গার চ্যরণন্ মে গুজরী গ্যালেমে চম্পা হার — নাচুঙ্গী আজ ওয়াকে সাথ্ গাউঙ্গি র্যসিয়ারি।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

পদ্মদীঘির ধারে ধারে ঐ সখি লো কমল-দীঘির পারে। আমি জল নিতে যাই সকাল সাঁঝে সই, সখি, ছল ক'রে সে মাছ ধরে, আর, চায় সে বারে বারে।। মাছ ধরে সে, বঁড়শী আমার বুকে এসে বেঁধে, ওলো সই বুকে এসে বেঁধে, আর, চোখের জল কলসি আমার সই, আমি ভরাই কেঁদে কেঁদে সই যত দেখি তা'রে।। ছিপ নিয়ে যায় মাছ জলে তার (ওলো সই) তাকায় না তা’র পানে মন ধরে না মীন ধরে সে সখি লো সেই জানে। মন-ভিখারি মীন-শিকারি মুখের পানে চায়, সখি লো চোখের পানে চায়, আমি বঁড়শী-বেঁধা মাছের মত (গো) সখি ছুটিয়া মরি হায়, অকূল পাথারে।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

গানের সাথি আছে আমার সুরের সেতু-পারে। তা’রি আশায় গানের ভেলা ভাসাই পারাবারে।। জানি জানি আমার এ সুর পাবেই পাবে চরণ বঁধুর ঐ ভেলাতে আসবে বঁধু গভীর অন্ধকারে।। ঘুমে যখন মগ্ন সবাই বন্ধু আমার আসে ফুলের মতন সুরগুলি তার মুখ চেয়ে’হাসে। উদ্দেশে তার গানগুলি মোর যায় ভেসে যায় নেশায় বিভোর যেমন ক’রে ছায় গো তপন চাঁদের অধিকারে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan