


মলয় হাওয়া আসবে কবে ফুল ফোটাতে। বকুল চাঁপার বেল যুথিকার ঘুম ভাঙাতে।। কৃষ্ণ চূড়ার ডালে ডালে নাচবে তুমি, এসে সাঁঝ সকালে, কোকিল ডাকে, আজকে এসো, চাঁদনি রাতে।।
নাটক : ‘সর্বহারা’
রাগঃ
তালঃ
ঝুম্কো লতায় জোনাকি, মাঝে মাঝে বৃষ্টি। আবোল-তাবোল বকে কে, তারও চেয়ে মিষ্টি।। আকাশে সব ফ্যাকাশে, ডালিম-দানা পাকেনি চাঁদ ওঠেনি কোলে তার, মা ব’লে সে ডাকেনি।। রাগ করেছে বাঘিনী, বারো বছর হাসে না স্বপ্ন তাহার ভেঙ্গে যায়, খোকা কেন আসে না।। পাথর হয়ে আছে ঝিনুক, দুধের বাটি, দোলনা! মাকে বলে ‘খোকা কই?’ কিছুই খেলা হ’ল না।। তেমনি আছে ঘরের জিনিস, কিছুই ভাল লাগে না পা আছড়ে মা কেঁদে কয় ‘খোকা কেন ভাঙে না!’
চলচ্চিত্র : ‘দিকশূল’
রাগঃ
তালঃ
ও-তুই যাস্নে রাই-কিশোরী কদমতলাতে, সেথা ধরবে বসন-চোরা ভূতে, পারবিনে আর পালাতে॥ সে দেখলে কি আর রক্ষে আছে, ও-তোর বসন গিয়ে উঠ্বে গাছে, ওলো গোবর্ধন-গিরিধারী সে — পারবিনে তায় টলাতে॥ দেখতে পেলে ব্রজবালা, ঘট কেড়ে সে ঘটায় জ্বালা, (ওলো) নিজেই গ’লে জল হ’বি তুই পারবিনে তায় গলাতে॥ ঠেলে ফেলে অগাধ-নীরে সে হাসে লো দাঁড়িয়ে তীরে, শেষে ভাসিয়ে নিয়ে প্রেম-সাগরে ওলো দোলায় নাগরদোলাতে॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দ্রুত-দাদ্রা ও কাহার্বা)

আমার শ্যামা মায়ের কোলে চ’ড়ে জপি আমি শ্যামের নাম মা হলেন মোর মন্ত্র-গুরু ঠাকুর হলেন রাধা-শ্যাম।। ডুবে শ্যামা-যমুনাতে মা খেলবো খেলা শ্যামের সাথে শ্যাম যবে মোরে হানবে হেলা মা পুরাবেন মনস্কাম।। আমার মনের দোতারাতে শ্যাম ও শ্যামা দুটি তার, সেই দোতারায় ঝঙ্কার দেয় ওঙ্কার রব অনিবার। মহামায়া মায়ার ডোরে আনবে বেঁধে শ্যাম-কিশোরে আমি কৈলাসে তাই মাকে ডাকি দেখবো সেথা ব্রজধাম।।
রাগঃ সিন্ধু-কাফি
তালঃ যৎ

ঝাঁপিয়া অঞ্চলে কেন বিধুবদন অবনত কাঁদে নয়ান। অভিমান পরিহর হরি-হৃদি বিহারিণী প্রেম দিয়া জুড়াও এ প্রাণ। তুয়া বিনা নয়নে অন্যে না হেরি একই রাধা আছে ত্রিভুবন ঘেরি’ (আমি রাধা ছাড়া জানি’ না অনন্ত বিশ্বে রাধারই রূপধারা, রাধা ছাড়া দেখি না) ভৃঙ্গার ভরি’ তুমি শৃঙ্গার রস করাও পান, তাই হই যে অবশ।। তুমি রাধা হয়ে মধু দিলে মাধব হই, তুমি ধারা হয়ে নামিলে সৃষ্টিতে রই রাধা, সকলি তোমার খেলা তবে কেন কর অভিমান, কেন কর হেলা। প্রতি দেহ-বিম্বে তোরি পদতলে হর হয়ে রহি তাই ছবি। হরিরত হর-জ্ঞান মহামায়া হরিলী (এ যে) তোমারই ইচ্ছা, আমি নিজে নিজে রূপ ধরিণী। ভোল মানের খেলা দূরে থেকোনা, দাও চরণ ভেলা আমি তরে’ যাই, তরে’ যাই রাধা-প্রেম যমুনায় ডুবিয়া মরে’ যাই।।
পাঠান্তর : রেকর্ডের জন্য কবি এই গানটির বহু অংশ বর্জন করেন।বর্জিত অংশগুলো এই:
গলে দিয়া পীতধড়া গো, পদতলে দিয়া শিখী-চূড়া গো
পদযুগ ধরিয়া চাহি ক্ষমা, ক্ষম অপরাধ প্রিয়তমা!
হরি-মনোরমা ক্ষমা কর গো।।
তব প্রেমে অবগাহন করি সব দাহন চিরতরে জুড়াব
কল্প-কদম-তরু-তলে চিরদিন তোমার প্রেম-কণা কেশর কুড়াব।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (ছোট দশকোশী ও কাহার্বা)

ভোলো ভোলো ভোলো মান, ভোল আমারে। আঁধারে যে ফুল ফোটে, ভোলো তাহারে॥ ভুলিতে যদি গো লাগে বুকেতে ব্যথা’ নিঠুর মরম-বাণে না ক’য়ো কথা, দরদি গো সে-ব্যথারে রাখিবি কাহারে॥
রাগঃ মিশ্র তিলং
তালঃ কাহার্বা
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan